অদল বদল গল্পের প্রশ্ন উত্তর (পান্নালাল প্যাটেল) // Class 10 Odol Bodol Golpo Question Answer

অদল বদল গল্পের প্রশ্ন উত্তর (পান্নালাল প্যাটেল) // Class 10 Odol Bodol Golpo Question Answer

অদল বদল গল্পের প্রশ্ন উত্তর

Odol Bodol Golpo Question Answer

১. ‘অদল বদল’ গল্পটি যে ভাষা থেকে অনুবাদ করা –

(ক) পাঞ্জাবি

(খ) গুজরাটি

(গ) মারাঠি

(ঘ) সংস্কৃত

উত্তর – (খ) গুজরাটি

২. ‘অদল বদল’ গল্পটি লেখক হলেন –

(ক) উমাশঙ্কর যোশী

(খ) মোহন প্যাটেল

(গ) পান্নালাল প্যাটেল

(ঘ) পান্নালাল ভট্টাচার্য

উত্তর (গ) পান্নালাল প্যাটেল

৩. পান্নালাল প্যাটেল কোন ভাষার প্রসিদ্ধ লেখক ছিলেন ?

(ক) মারাঠি ভাষার

(খ) গুজরাটি ভাষার

(গ) তামিল ভাষার

(ঘ) বাংলা ভাষার

ত্তর (খ) গুজরাটি ভাষার

৪. ‘অদল বদল’ গল্পের লেখক পান্নালাল প্যাটেল হলেন –

(ক) গুজরাটি

(খ) পাঞ্জাবি

(গ) মারাঠি

(ঘ) অসমিয়া

ত্তর (ক) গুজরাটি

৫. ‘অদল বদল’ গল্পটি বাংলায় তরজমা করেছেন –

(ক) অর্ঘ্যকুসুম দত্তগুপ্ত

(খ) সত্যনারায়ণ চক্রবর্তী

(গ) নবারুণ ভট্টাচার্য

(ঘ)  পূর্ণেন্দু পত্রী

ত্তর (ক) অর্ঘ্যকুসুম দত্তগুপ্ত

৬. হোলির দিন দলের ছেলেরা অমৃত আর ইসাবকে একরকম পোশাকে দেখে কী করতে বলেছিল ?  [MP’17]

(ক) ছবি আঁকতে

(খ) হোলি খেলতে

(গ) কুস্তি লড়তে

(ঘ) ফুটবল খেলতে

উত্তর (গ) কুস্তি লড়তে

৭. গ্রামের একদল ছেলে জড়ো হয়ে খেলছিল –

(ক) পলাশ গাছের নীচে

(খ) আম গাছের নীচে

(গ) বাবলা গাছের নীচে

(ঘ) নিম গাছের নীচে

উত্তর (ঘ) নিম গাছের নীচে

৮. নিম গাছের নীচে গ্রামের ছেলেরা জড়ো হয়ে খেলছিল –

(ক) কবাডি

(খ) কুস্তি

(গ) ধুলো ছোড়াছুড়ি

(ঘ) ফুটবল

উত্তর (গ) ধুলো ছোড়াছুড়ি

৯. ‘অদল বদল’ গল্পে উল্লেখিত দুই বন্ধু হল –

(ক) অমৃত ও ইমরান

(খ) অমিত ও ইসাব

(গ) অমৃত ও ইলিয়াস

(ঘ) অমৃত ও ইসাব

উত্তর (ঘ) অমৃত ও ইসাব

১০. হোলির দিনে অমৃত ও ইসাব পরেছিল –

(ক) নতুন জামা

(খ) নতুন প্যান্ট

(গ) নতুন টুপি

(ঘ) নতুন জুতো

উত্তর (ক) নতুন জামা

১১. অমৃত ও ইসাবের জামা একইরকম ছিল –

(ক) রঙের দিক থেকে

(খ) মাপের দিক থেকে

(গ) কাপড়ে দিক থেকে

(ঘ) রং, মাপ ও কাপড়ের দিক থেকে

উত্তর (ঘ) রং, মাপ ও কাপড়ের দিক থেকে

১২. অমৃত ও ইসাব পড়ত –

(ক) একই স্কুলে একই ক্লাসে

(খ) একই স্কুলে কিন্তু ভিন্ন ক্লাসে

(গ) ভিন্ন স্কুলে কিন্তু একই ক্লাসে

(ঘ) ভিন্ন স্কুলে ভিন্ন ক্লাসে

উত্তর (ক) একই স্কুলে একই ক্লাসে

১৩. অমৃত ও ইসাবদের বাড়ি ছিল –

(ক) গাঁয়ের মাঝে পাশাপাশি

(খ) গাঁয়ের শেষে ঘেষাঘেষি

(গ) গাঁয়ের শুরুতেই মুখোমুখি

(ঘ) রাস্তার মোড়ে মুখোমুখি

উত্তর (ঘ) রাস্তার মোড়ে মুখোমুখি

অদল বদল গল্পের প্রশ্ন উত্তর

১৪. অমৃত ও ইসাবের বাবা ছিলেন –

(ক) চাষি

(খ) ব্যবসায়ী

(গ) তাঁতি

(ঘ) চাকুরিজীবী

উত্তর (ক) চাষি

১৫.অমৃত ও ইসাবে বাবার যে সম্পত্তি ছিল সমান সমান –

(ক) টাকাপয়সা

(খ) গয়নাগাঁটি

(গ) জমি

(ঘ) ঘরবাড়ি

উত্তর(গ) জমি

১৬. অমৃতের পরিবারের সদস্য সংখ্যা –

(ক) ৩

(খ) ৪

(গ) ৫

(ঘ) ৬

উত্তর (ঘ) ৬

১৭. ইসাবের বাড়ির সদস্য সংখ্যা –

(ক) দুজন

(খ) তিনজন

(গ) চারজন

(ঘ) পাঁচজন

উত্তর (ক) দুজন

১৮. অমৃতের ভাই আছে –

(ক) একজন

(খ) দুজন

(গ) তিনজন

(ঘ) চারজন

উত্তর –  (গ) তিনজন

১৯. অমৃত ও ইসাব হাত ধরাধরি করে এসে বসেছিল –

(ক) শান-বাঁধানো ফুটপাথে

(খ) গাছের তলায়

(গ) ব্রিজের ধারে

(ঘ) বেঞ্চিতে

উত্তর –  (ক) শান-বাঁধানো ফুটপাথে

২০. অমৃত ফতোয়া জারি করেছিল, ইসাবের মতো জামা না পেলে সে –

(ক) স্কুলে যাবে না

(খ) খাবার খাবে না

(গ) কথা বলবে না

(ঘ) বাড়িতে থাকবে না

উত্তর (ক) স্কুলে যাবে না

Click Here – হারিয়ে যাওয়া কালি কলম প্রশ্ন উত্তর

২১. ইসাবের জামা ছিঁড়ে গিয়েছিল –

(ক) খোঁচা লেগে

(খ) খেতে কাজ করার জন্য

(গ) টানাটানিতে

(ঘ) জামাটি পচা কাপড়ে তৈরি করানোর জন্য

উত্তর (খ) খেতে কাজ করার জন্য

২২. নতুন জামা দেওয়ার আগে ইসাবের বাবা ওকে –

(ক) বকেছিলেন

(খ) মেরেছিলেন

(গ) ভালোবেসেছিলেন

(ঘ) ধমকেছিলেন

উত্তর –  (খ) মেরেছিলেন

২৩. অমৃতের মা ঝামেলা এড়ানোর জন্য অমৃতকে পাঠিয়েছিলেন –

(ক) বাবার কাছে

(খ) ইসাবের কাছে

(গ) স্কুলের মাষ্টারমশাইয়ের কাছে

(ঘ) দাদাদের কাছে

উত্তর (ক) বাবার কাছে

২৪. অমৃতকে ওর বাবা কোথা থেকে খুঁজে এনেছিল ?

(ক) নিমগাছের নীচ থেকে

(খ) খেলার মাঠ থেকে

(গ) গোয়াল ঘর থেকে

(ঘ) গলি থেকে

উত্তর (গ) গোয়াল ঘর থেকে

২৫. নতুন জামা কিনে দেওয়ার জন্য অমৃত স্কুলে না গিয়ে লুকিয়েছিল –

(ক) গাছের আড়ালে

(খ) বাড়ির চিলেকোঠায়

(গ) ইসাবের বাবার গোয়াল ঘরে

(ঘ) ব্রিজের নীচে

উত্তর (গ) ইসাবের বাবার গোয়াল ঘরে

২৬. অমৃত গররাজি ছিল –

(ক) ধুলো ছোড়াছুড়ি খেলতে

(খ) হোলি খেলতে

(গ) ইসাবের সঙ্গে কুস্তি লড়তে

(ঘ) মারামারি করতে

উত্তর (গ) ইসাবের সঙ্গে কুস্তি লড়তে

২৭. ইসাবের মেজাজ চড়ে গেল।” -‘চড়ে গেল’কথাটির অর্থ –

(ক) নরম হল

(খ) গরম হল

(গ) রেগে গেল

(ঘ) ঠান্ডা

উত্তর (খ) গরম হল

২৮. “ও মরিয়া হয়ে বলল” -‘ ও’ হল –

(ক) ইসাব

(খ) কালিয়া

(গ) অমৃত

(ঘ) হাসান

উত্তর (গ) অমৃত

২৯. “আমাকে বেধে রাখো।” –বক্তা হল –

(ক) ইসাব

(খ) অমৃত

(গ) কালিয়া

(ঘ) পাঠান

উত্তর (খ) অমৃত

৩০. “মেজাজ চড়ে গেল।” – কার ?

(ক) ইসাবের

(খ) অমৃতের

(গ) কালিয়ার

(ঘ) হাসানের

উত্তর (ক) ইসাবের

৩১. অমৃতকে গলা জড়িয়ে কুস্তি লড়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছিল –

(ক) কালিয়া

(খ) ইসাব

(গ) অমৃতের ভাই

(ঘ) ইসাবের বাবা

উত্তর (ক) কালিয়া

৩২. কালিয়া পড়ে গিয়েছিল –

(ক) ব্যাঙের মতো

(খ) হাতির মতো

(গ) ছাগলের মতো

(ঘ) মাছের মতো

উত্তর (ক) ব্যাঙের মতো

৩২. ছেলের দল পালিয়ে গিয়েছিল –

(ক) কালিয়ার বাবা-মায়ের ভয়ে

(খ) বন্য পশুর ভয়ে

(গ) ভূতের ভয়ে

(ঘ) বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচার জন্য

উত্তর (ক) কালিয়ার বাবা-মায়ের ভয়ে

৩৩. অমৃতের মা ঝামেলা থেকে বাঁচার জন্য –

(ক) নতুন জামা কিনে দিয়েছিল

(খ) জামা কেনার কথা বাবাকে বলতে বলেছিল

(গ) বাবাকে দিয়ে অমৃতকে মার খাইয়েছিল

(ঘ) ইসাবের জামাটা ধার চেয়েছিল

উত্তর (খ) জামা কেনার কথা বাবাকে বলতে বলেছিল

৩৪. “অমৃত আর ইসাবও রণভূমি ত্যাগ করল।” – রণভূমি ত্যাগ করার কারণ –

(ক) খেলা শেষ হয়ে গিয়েছিল

(খ) কালিয়ার বাবা-মায়ের হাতে মার খাওয়ার আশঙ্কা ছিল

(গ) বৃষ্টি পড়ছিল

(ঘ) সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিল

উত্তর – (খ) কালিয়ার বাবা-মায়ের হাতে মার খাওয়ার আশঙ্কা ছিল

৩৫. “অমৃত আর ইসাবও রণভূমি ত্যাগ করল” -‘রণভূমি’বলতে এখানে বোঝানো হয়েছে –

(ক) যুদ্ধক্ষেত্র

(খ) কুস্তি লড়াইয়ের জায়গা

(গ) নিমতলা

(ঘ) গাঁয়ের মাথা

উত্তর (খ) কুস্তি লড়াইয়ের জায়গা

৩৬. কিছুটা যেতেই অমৃতের নজরে এল” –

(ক) ইসাবের ছেঁড়া জামা

(খ) গ্রাম প্রধানের বাড়ি

(গ) স্কুলবাড়ি

(ঘ) মন্দির

উত্তর (ক) ইসাবের ছেঁড়া জামা

৩৭. অমৃত ও ইসাব ভয়ে কাঠ হয়ে গিয়েছিল –

(ক) ইসাবের ছেঁড়া জামা দেখে

(খ) ইসাবের বাবাকে দেখে

(গ) সাপ দেখে

(ঘ) স্কুলের হেডমাস্টারকে দেখে

উত্তর (ক) ইসাবের ছেঁড়া জামা দেখে

৩৮. ইসাবের বাবা ছেঁড়া শার্ট দেখলে যা করবেন –

(ক) ভালোবাসবেন

(খ) কী করে ছিড়ল জিজ্ঞেস করবেন

(গ) বকাবকি করবেন

(ঘ) ইসাবের চামড়া তুলে নেবেন

উত্তর (ঘ) ইসাবের চামড়া তুলে নেবেন

৩৯. ইসাবের বাবা নতুন জামা কেনার টাকা পেয়েছিলেন –

(ক) ব্যাংক থেকে

(খ) সুদখোরের কাছ থেকে

(গ) মাটিতে পোঁতা কলসি থেকে

(ঘ) সিন্দুক থেকে

উত্তর (খ) সুদখোরের কাছ থেকে

৪০. ইসাবের জামার পকেটের কত পরিমাণ কাপড় ছিঁড়ে গিয়েছিল ? –

(ক) আট ইঞ্চি

(খ) পাঁচ সেমি

(গ) একগজ

(ঘ) ছ – ইঞ্চি

উত্তর (ঘ) ছ – ইঞ্চি

৪১. ভয়ে বুক ঢিপঢিপ করছিল –

(ক) অমৃতের

(খ) ইসাবের

(গ) অমৃতের মায়ের

(ঘ) ইসাবের বাবার

উত্তর (ক) অমৃতের

৪২. জামা বদলের আইডিয়া দিয়েছিল –

(ক) অমৃত

(খ) ইসাব

(গ) গ্রাম প্রধান

(ঘ) ইসাবের বাবা

উত্তর (ক) অমৃত

৪৩. অমৃতকে বাঁচানোর জন্য ছিল তার –

(ক) বাবা

(খ) মা

(গ) তিন ভাই

(ঘ) স্কুলের হেডমাস্টার

উত্তর (খ) মা

৪৪. “আমাকে বাঁচানোর জন্য আমার মা আছে।” – কথাটার বক্তা হলেন –

(ক) অমৃত

(খ) ইসাব

(গ) কালিয়া

(ঘ) দলের একটি ছেলে

উত্তর – () অমৃত

৪৫. বাবা মারতে গেলে অমৃত যা করেছে –

(ক) গোয়াল ঘরে লুকিয়েছে

(খ) মায়ের পিছনে লুকিয়েছে

(গ) বাবার হাত থেকে লাঠি কেড়ে নিয়েছে

(ঘ) ঘর ছেড়ে পালিয়েছে

উত্তর (খ) মায়ের পিছনে লুকিয়েছে

৪৬. ইসাব ইতস্তত করছিল –

(ক) কুস্তি লড়তে

(খ) বাড়ি ফিরতে

(গ) জামা বদল করতে

(ঘ) বাবার কাছে যেতে

উত্তর (গ) জামা বদল করতে

৪৭. জামা অদল বদল করার ঠিক আগের মুহূর্তে অমৃত ও ইসাব শুনেছিল –

(ক) হাসির শব্দ

(খ) কাশির শব্দ

(গ) কান্নার শব্দ

(ঘ) কথাবার্তার শব্দ

উত্তর (খ) কাশির শব্দ

৪৮. “ইসাবের বাবা আবার চেঁচিয়ে উঠলেন,” -তিনি যা শুনে চেঁচিয়ে উঠেছিলেন, তা হল –

(ক) হাসি

(খ) কথাবার্তা

(গ) কান্না

(ঘ) আর্তনাদ

উত্তর(গ) কান্না

৪৯.অমৃত ও ইসাব জামা বদল করেছিল –

(ক) নিম গাছের ছায়ায়

(খ) দুই বাড়ির মাঝখানে

(গ) রাস্তার মোড়ে

(ঘ) গোয়ালঘরে

উত্তর (খ) দুই বাড়ির মাঝখানে

Click Here – আফ্রিকা কবিতা প্রশ্ন উত্তর

৫০. ছেঁড়া জামা পরে বাড়ি ফেরা সত্ত্বেও অমৃত মার খায়নি, কারণ –

(ক) সে ছেঁড়া জামা লুকিয়ে ফেলেছিল

(খ) বাড়ি ফিরেই সে চাদর মুড়ি দিয়ে শুয়ে পড়েছিল (গ) অসুস্থতার ভান করেছিল

(ঘ) দিনটা ছিল হোলির

উত্তর (ঘ) দিনটা ছিল হোলির

৫১. হোলির দিনে টানাহ্যাঁচড়া ছাড়াও যা চলে, তা হল –

(ক) গুঁতোগুতি

(খ) ধস্তাধস্তি

(গ) গালাগালি

(ঘ) চুলোচুলি

উত্তর (খ) ধস্তাধস্তি

৫২.জামা ছিঁড়েছে দেখে অমৃতের মা –

(ক) খুব বকলেন

(খ) ভ্রু-কুঁচকালেন

(গ) প্রচণ্ড মারলেন

(ঘ) বুকে জড়িয়ে ধরলেন

উত্তর (খ) ভ্রু-কুঁচকালেন

৫৩. অমৃতের মা অমৃতের ছেঁড়া জামাটা –

(ক) আরও ছিঁড়ে দিলেন

(খ) ছুঁড়ে ফেলে দিলেন

(গ) দর্জির কাছে পাঠিয়ে দিলেন

(ঘ) রিফু করে দিলেন

উত্তর (ঘ) রিফু করে দিলেন

৫৪. বুড়ির বাড়ি পোড়ানো হয় –

(ক) হোলিতে

(খ) দশেরায়

(গ) নবরাত্রিতে

(ঘ) দেওয়ালিতে

উত্তর – () হোলিতে

৫৫. “তোরা অদল-বদল করেছিস,”- বলেছিল –

(ক) অমৃতের

(খ) ইসাবের বাবা

(গ) গ্রাম প্রধান

(ঘ) একটি ছেলে

 উত্তর (ঘ) একটি ছেলে

৫৬.জামা সেলাই হয়ে যাওয়ার পর অমৃত আর ইসাব গিয়েছিল –

(ক) সিনেমা দেখতে

(খ) বাজি আর বুড়ির বাড়ি পোড়ানো দেখতে

(গ) স্কুলে

(ঘ) গ্রাম প্রধানের বাড়ি

উত্তর (খ) বাজি আর বুড়ির বাড়ি পোড়ানো দেখতে

৫৭. অমৃতের মতো ছেলে পেলে ইসাবের বাবা কতজনকে পালন করাতে রাজি ছিলেন ?

(ক) এগারো জনকে

(খ) সতেরো জনকে

(গ) একুশ জনকে

(ঘ) একত্রিশ জনকে

 উত্তর (গ) একুশ জনকে

 ৫৮. অমৃতের বয়স  –

(ক) এগারো বছর

(খ) দশ বছর

(গ) বারো বছর

(ঘ) পনেরো বছর

উত্তর (খ) দশ বছর

৫৯. ইসাবের বাবার যে আচরণে অমৃত ও ইসাবের চিন্তা হয়েছিল তা হল –

(ক) চোখ রাঙানো মূর্তি

(খ) দাঁত কিড়মিড় করা

(গ) শান্ত গলা

(ঘ) হাতে লাঠি নিয়ে তেড়ে মারতে আসা

উত্তর (গ) শান্ত গলা

৬০.ইসাবের বাবা জড়িয়ে ধরেছিলেন –

(ক) দশ বছরের ইসাবকে

(খ) দশ বছরের অমৃতকে

(গ) গ্রাম প্রধানকে

(ঘ) বারো বছরের অমৃতকে

উত্তর (খ) দশ বছরের অমৃতকে

৬১. ইসাবের বাবা অমৃতের মাকে বলেছিলেন –

(ক) কমলা বৌদি খ রূপা বৌদি

(গ) বাহালি বৌদি

(ঘ) তানিয়া বৌদি

উত্তর (গ) বাহালি বৌদি

৬২.হাসানের গল্প শোনার জন্য ঘিরে দাঁড়িয়েছিল –

(ক) গ্রামপ্রধান ও তাঁর সঙ্গীসাথীরা

(খ) স্কুলের ছেলেরা

(গ) পাড়ার মাতব্বররা

(ঘ) পাড়াপড়শি মায়ের দল

উত্তর (ঘ) পাড়াপড়শি মায়ের দল

৬৩. ইসাবের বাবার নাম ছিল –  

(ক) হাসান

(খ) কালিয়া

(গ) রহিম

(ঘ) অমৃত

উত্তর – () হাসান

৬৪. ইসাবের বাবা জাতিতে ছিল –

(ক) পাঠান

(খ) শিখ গ রাজপুত্র

(ঘ) কোনোটিই নয়

উত্তর – () পাঠান

৬৯. ইসাবের বাবা হুঁকো খাচ্ছিলেন যেখানে বসে –

(ক) বাড়ির সামনের দাওয়ায়

(খ) গোয়াল ঘরে

(গ) চিলেকোঠায়

(ঘ) চায়ের দোকানে

উত্তর (ক) বাড়ির সামনের দাওয়ায়

৭০. ইসাবের বাবা খাটিয়ায় বসে কী খাচ্ছিলেন ? –

(ক) পান

(খ) বিড়ি

(গ) হুঁকো

(ঘ) সিগারেট

উত্তর (গ) হুঁকো

৭১.“উনি ঘোষণা করলেন,”-‘উনি’ হলেন –

(ক) অমৃত

(খ) গ্রামপ্রধান

(গ) ইসাব

(ঘ) অমৃতের মা

উত্তর – (খ) গ্রামপ্রধান

৭২. অদল বদলের গল্প গ্রামের বাড়ি বাড়ি ঘুরে যাঁর কানে গেল, তিনি হলেন –

(ক) গ্রামরক্ষী

(খ) গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী

(গ) গ্রাম প্রধান

(ঘ) গ্রামবাসী

উত্তর – (গ) গ্রাম প্রধান

৭৩. “ছেলেরা খুব খুশি হলো,”- ছেলেরা খুশি হয়েছিল কারণ –

(ক) অমৃত-ইসাবের শাস্তি হয়েছিল

(খ) অমৃত ইসাবের নতুন নামকরণ হয়েছিল

(গ) তারা নতুন জামা পেয়েছিল

(ঘ) তারা জিতে গিয়েছিল

উত্তর (খ) অমৃত ইসাবের নতুন নামকরণ হয়েছিল

৭৪. গ্রাম প্রধান অমৃতের নাম দিলেন –

(ক) অদল

(খ) বদল

(গ) অদল-বদল

(ঘ) বদল-অদল

উত্তর (ক) অদল

SAQ

১.“বলতে গেলে ছেলেদুটোর সবই একরকম, তফাত শুধু এই যে”-তফাতটা কী ? [অথবা], অমৃত আর ইসাবের মধ্যে তফাত কী ছিল ?

উত্তর অমৃত ও ইসাবের পরিবারের সবই একরকম হলেও তফাত এখানেই যে অমৃতের বাবা-মা আর তিন ভাই আছে কিন্তু ইসাবের বাবা ছাড়া আর কেউ নেই।

২. গাঁয়ের ছেলেরা কোথায় কী খেলছিল ?

উত্তর গাঁয়ের ছেলেরা নিম গাছের নীচে ধুলো ছোড়াছুড়ি খেলছিল ।

৩. “সব দিক থেকে একরকম” – কী ?

উত্তর অমৃত ও ইসাবের জামার রং, মাপ, কাপড়-সবই ছিল একরকম ।

৪.বিপদে আপদে পড়লে অমৃত ও ইসাবের বাবা কী করেন ?

উত্তর বিপদে আপদে পড়লে অমৃত ও ইসাবের বাবা সুদে টাকা ধার নেন ।

৫.অমৃত ও ইসাবের বাবার পেশা কী ?

উত্তর অমৃত ও ইসাবের বাবার পেশা-চাষবাস করা ।

৬. অমৃত ও ইসাবদের বাড়ি কোথায় ?

উত্তর অমৃত ও ইসাবদের বাড়ি রাস্তার মোড়ে মুখোমুখি।

৭. “অমৃত এতেও পিছপা হতে রাজি নয়।”- ‘এতেও’ বলতে কোন ঘটনাকে নির্দেশ করেছে ?

উত্তর নতুন জামা দেওয়ার আগে ইসাবের বাবা তাকে খুব মেরেছিলেন অমৃতও কি সেরকম মার খেতে চায় ? – মায়ের এই জিজ্ঞাসায় অমৃত ভয় পায়নি, পিছপা হয়নি ।

৮. নতুন জামা দেওয়ার আগে ইসাবের বাবা কী করেছিলেন ?

উত্তর নতুন জামা দেওয়ার আগে ইসাবের বাবা ইসাবকে প্রচণ্ড মেরেছিলেন ।

৯. ইসাবের জামা ছিঁড়ে গিয়েছিল কেন ?

উত্তর ইসাবকে খেতে কাজ করতে হয় বলে তার জামা ছিঁড়ে গিয়েছিল ।

১০. অমৃত নতুন জামা চেয়েছিল কেন ?

উত্তর অমৃত ও ইসাব একই স্কুলে একই ক্লাসে পড়ত। দুজনের মধ্যে ছিল নিবিড় বন্ধুত্ব। তাই ইসাবের নতুন জামা দেখে অমৃতও একইরকম নতুন জামা চেয়েছিল।

১১. অমৃতের বাবা অমৃতকে কোথা থেকে বাড়ি ফিরিয়ে আনেন ?

উত্তর অমৃতের বাবা অমৃতকে ইসাবের বাবার গোয়াল ঘর থেকে বাড়ি ফিরিয়ে আনেন ।

১২. “অমৃত ফতোয়া জারি করে দিল,” -অমৃত কী ‘ফতোয়া’জারি করেছিল ? [MP’20]

উত্তর ফতোয়াটি ছিল-ঠিক ইসাবের মতো জামা না-পেলে অমৃত স্কুলে যাবে না ।

১৩. “এসো, আমরা কুস্তি লড়ি।” – কে, কাকে বলেছিল ? [ MP’18 ]

উত্তর ধুলো ছোড়াছুড়ি করে খেলা গাঁয়ের ছেলের দলের মধ্য থেকে একজন এসে হাত দিয়ে অমৃতের গলা জড়িয়ে ধরে তাকে ওই কথা বলেছিল।

১৪.  “ও মরিয়া হয়ে বলল,” – কে, কী বলেছিল ?

উত্তর অমৃত মরিয়া হয়ে তার মাকে বলেছিল যে তাকে বেঁধে রাখুক কিংবা মারুক কিন্তু ইসাবের মতো একটা জামা তার জন্য মাকে জোগাড় করে দিতেই হবে।

১৫. “তোরা দুজনে কুস্তি কর তো” -কে, কেন একথা বলেছিল ?

উত্তর অমৃত ও ইসাবের গায়ে একইরকম নতুন জামা দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে ছেলের দলের একজন এই কথা বলেছিল।

১৬. “মা আমাকে ঠ্যাঙাবে।” -কে, কেন একথা বলেছিল ?

উত্তর নতুন জামা পাওয়ার জন্য অমৃত তার বাবা-মাকে খুব জ্বালিয়েছিল । তাই সেই জামা ছিঁড়ে যাওয়ার ভয়ে কুস্তি লড়তে অস্বীকার করে অমৃত ওই কথা বলেছিল ।

১৭. “ও স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিল,” -স্কুলে যাওয়া বন্ধ করার কারণ কী ?

উত্তর ঠিক ইসাবের জামার মতো একটি জামা পাওয়ার জন্য অমৃত স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল।

১৮. “অমৃতের একেবারেই ইচ্ছে ছিল না”- কী ইচ্ছে ছিল না ?

উত্তর সুন্দর জামাকাপড় পরে সাজগোজ করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে অমৃতের একেবারেই ইচ্ছে ছিল না এমন কিছু করতে যাতে জামাকাপড় নোংরা হয়ে যায়।

১৯. কালিয়া অমৃতকে কোথায় নিয়ে গিয়েছিল কেন ?

উত্তর কালিয়া অমৃতকে খোলা মাঠে নিয়ে গিয়েছিল কুস্তি লড়াইয়ের জন্য ।

২০. “অমৃত ওর বাঁধন কেটে বেরুবার চেষ্টা করতে করতে বলল,”-কী বলল ?

উত্তর অমৃত কালিয়ার বাঁধন কেটে বেরোনোর চেষ্টা করতে করতে তাকে ছেড়ে দিতে বলেছিল। কুস্তি লড়ার অনিচ্ছার কথাও জানিয়েছিল।

২১. কালিয়া অমৃতকে কী করেছিল ?

উত্তর কালিয়া অমৃতকে ছুঁড়ে মাটিতে ফেলে দিয়েছিল ।

২২. “কালিয়া জিতেছে, অমৃত হেরে গেছে,” -কারা কখন এই কথা বলেছিল ?

উত্তর কালিয়া যখন অমৃতকে ছুড়ে মাটিতে ফেলে দেয় তখন ছেলের দল আনন্দে চেঁচিয়ে উঠে এই কথা বলেছিল ।

২৩. “ছেলের দল আনন্দে চেঁচিয়ে উঠল,”- আনন্দের কারণ কী ছিল ?

উত্তর কুস্তি লড়ার আহ্বান জানিয়ে কালিয়া অমৃতকে ছুঁড়ে মাটিতে ফেলে দিয়েছিল। এই দৃশ্য দেখে ছেলের দল আনন্দে চেঁচিয়ে উঠেছিল ।

২৪. “আরেকটি ছেলে চেঁচিয়ে উঠল” – চেঁচিয়ে কী বলল ?

উত্তর ছেলেটি চেঁচিয়ে বলেছিল- “লড়ে যা তোরা, বেশ মজা হবে।”

২৫. ‘অদল বদল’ গল্পটি কোন সময় ও দিনের কথা দিয়ে শুরু হয়েছে ?

উত্তর ‘অদল বদল’ গল্পটি হোলির দিনের পড়ন্ত বিকেলের কথা দিয়ে শুরু হয়েছে ।

২৬. ছেলের দল পালিয়ে গিয়েছিল কেন ?

উত্তর ব্যাপার ঘোরালো হয়ে পড়েছিল, কালিয়া হেরে গিয়ে মাটিতে পড়ে চ্যাঁচানোয়। তার বাবা-মা এসে মারতে পারে আশঙ্কা করে ছেলের দল পালিয়ে গিয়েছিল ।

২৭. ‘অদল বদল’ গল্পটি কে বাংলায় তরজমা করেছেন ? [MP’17]

উত্তর ‘অদল বদল’ গল্পটি বাংলায় তরজমা করেছেন-অর্ঘ্যকসুম দত্তগুপ্ত ।

২৮. “অমৃতের নজরে এল” – কী নজরে এল ?

উত্তর অমৃতের নজরে এল-ইসাবের জামার পকেট ও ছ-ইঞ্চি পরিমাণ কাপড় ছিঁড়ে গেছে।

Click Here – আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি প্রশ্ন উত্তর

২৯. “কিছুটা যেতেই অমৃতের নজরে এল” -অমৃতের কী নজরে এল ?

উত্তর কিছুটা যেতেই অমৃতের নজরে এল যে ইসাবের জামার পকেট এবং ছ-ইঞ্চি পরিমাণ কাপড় ছিঁড়ে গেছে।

৩০. ইসাবের জামা ছিঁড়ে গিয়েছিল কেন ?

উত্তর অমৃতের হেনস্থার প্রতিবাদ করতে গিয়ে ইসাব কালিয়ার সঙ্গে কুস্তি লড়েছিল। তার ফলে তার জামা ছিঁড়ে গিয়েছিল ।

৩১. “আমি তোরটা পরব” -কে, কী পরতে চেয়েছিল ?

উত্তর অমৃত ইসাবের ছেঁড়া জামাটা পরতে চেয়েছিল।

৩২. “ওরা ভয়ে কাঠ হয়ে গেল।” -ওরা কী কারণে ভয়ে কাঠ হয়ে গিয়েছিল ?

উত্তর কালিয়ার সঙ্গে কুস্তি লড়তে গিয়ে ইসাবের নতুন জামার পকেট এবং ছ-ইঞ্চি পরিমাণ কাপড় ছিঁড়ে গিয়েছিল। ইসাবের বাবা দেখতে পেলে কী করবেন সেই ভয়ে অমৃত ও ইসাব কাঠ হয়ে গিয়েছিল।

৩৩. “ওরা ভয়ে কাঠ হয়ে গেল।” -কারা, কখন ভয়ে কাঠ হয়ে গিয়েছিল ?

উত্তর – কুস্তিতে কালিয়াকে হারিয়ে দেওয়ার পরে রণভূমি ত্যাগ করে ফিরে আসার পথে অমৃত দেখে ইসাবের জামার পকেট ও ছ-ইঞ্চি পরিমাণ কাপড় ছিঁড়ে গেছে। এই দৃশ্য দেখে অমৃত ও ইসাব ভয়ে কাঠ হয়ে গিয়েছিল।

৩৪. “হঠাৎ অমৃতের মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেল,” -বুদ্ধিটি কী ছিল ?

উত্তর অমৃতের মাথায় জামা অদল বদল করার বুদ্ধি খেলে গিয়েছিল।

৩৫. “আমার সঙ্গে আয়,” -কে, কাকে কেন বলেছিল ?

উত্তর অমৃত ইসাবকে জামা অদল বদল করার জন্য ডেকেছিল ।

৩৬. অমৃত ও ইসাব কোথায় জামা অদল বদল করেছিল ?

উত্তর অমৃত ও ইসাব ওদের দুই বাড়ির মাঝখানে গলির ভিতর জামা অদল বদল করেছিল ।

৩৭. “ইসাবের মনে পড়ল,” -কী মনে পড়ল ?

উত্তর অমৃতের বাবা যখনই অমৃতকে মারতে গেছেন, অমৃত তার মায়ের পিছনে লুকিয়েছে। মায়ের হাতে অবশ্য তাকে দু-চার থাপ্পড় খেতে হয়েছে। কিন্তু বাবার হাতের ভারী মারের কাছে তা কিছুই নয়। এই কথা ইসাবের মনে পড়ে গেল।

৩৮. ছেঁড়া শার্ট দেখলে ইসাবের বাবা মারবেন কেন ?

উত্তর ছেঁড়া শার্ট দেখতে পেলেই ইসারের বাবা মারবেন কারণ তিনি সুদখোরের কাছ থেকে টাকা ধার করে অনেক বাছাবাছি করে কাপড় কিনে জামা সেলাই করিয়েছিলেন।

৩৯. “যে যার বাড়ি চলে গেল” – কারা বাড়ি চলে গেল ?

উত্তর অমৃত ও ইসাব তাদের বাড়ি চলে গেল ।

৪০. ভয়ে অমৃতের বুক ঢিপঢিপ করছিল কেন ?

উত্তর ছেঁড়া জামা দেখে মা-বাবা কী ভাববেন-এই ভয়ে অমৃতের বুক ঢিপঢিপ করছিল।

৪১. ছেঁড়া জামা দেখে অমৃতের মা কী করেছিলেন ?

উত্তর ছেঁড়া জামা দেখে অমৃতের মা প্রথমে ভ্রু-কুঁচকেছিলেন। তারপর তাকে মাফ করে দিয়ে একটা ছুঁচ-সুতো দিয়ে ছেঁড়া জামাটা রিফু করে দিলেন।

৪২. অমৃত ইসাব কী দেখতে গিয়েছিল ?

উত্তর অমৃত ও ইসাব গ্রামের ধারে হোলির সময়কার বাজি আর বুড়ির বাড়ি পোড়ানো দেখতে গিয়েছিল।

৪৩. এতে দুজনেরই ভয় কেটে গেল”-কীসে ভয় কেটে গিয়েছিল ?

উত্তর ছেঁড়া জামা দেখে অমৃতের মা জামাটা রিফু করে দিয়েছিলেন। তাই তার ভয় কেটে গেল। অন্যদিকে ইসাব জামা পালটে ফেলায় তার ভয়ও ছিল না।

৪৪. “তোরা অদল-বদল করেছিস, হুম।” -কে বলেছিল ?

উত্তর যে ছেলেটি অমৃত ও ইসাবের জামা পালটানো দেখেছিল সেই ছেলেটি এই কথা বলেছিল ।

৪৫. “এই আশঙ্কা করে তারা চলে যেতে চাইল।” -কারা কী আশঙ্কা করেছিল ?

উত্তর একটি ছেলে ওদের জামা অদল বদল করার দৃশ্য দেখে ফেলেছে-এই আশঙ্কা করেছিল অমৃত ও ইসাব ।

৪৬. “তারা ভয়ে বাড়ির দিকে ছুটে পালাতে লাগল” -তারা কেন ছুটে পালাতে লাগল ?

উত্তর বাবারা তাদের জামা পালটানোর ব্যাপারটা জেনে ফেলতে পারে ভেবে অমৃত ও ইসাব ভয়ে বাড়ির দিকে ছুটে পালাতে লাগল।

৪৭. “ওর শান্ত গলা শুনে ওদের চিন্তা হলো,” -কার শান্ত গলা শুনে কেন চিন্তা হলো ?

উত্তর ইসাবের বাবার শান্ত গলা শুনে অমৃত ও ইসাবের চিন্তা হয়েছিল ।

৪৮. “যা ভেবেছিলাম তাই হলো,” -তারা, কী ভেবেছিল ?

উত্তর ইসাব ও অমৃত ভেবেছিল ইসাবের বাবা আসল ঘটনাটা জেনে গেছেন শুধু ভালোবাসার ভান করছেন।

৪৯. ইসাবের বাবা কোথায় বসে হুঁকো খাচ্ছিলেন ?

উত্তর ইসাবের বাবা বাড়ির সামনের দাওয়ায় খাটিয়ায় বসে হুঁকো খাচ্ছিলেন ।

৫০. “তিনি ওদের ডাকলেন,”- তিনি কে এবং কী করেছিলেন ?

উত্তর তিনি হলেন ইসাবের বাবা হাসান। তিনি ইসাব ও অমৃতকে তাঁর কাছে এসে বসতে বলেছিলেন এবং বন্ধুদের কাছ থেকে কেন পালিয়ে আসছে তা জানতে চেয়েছিলেন। পরে তিনি অমৃতকে জড়িয়ে ধরে তার কাজের প্রশংসা করেছিলেন।

৫১. অমৃতের কোন জবাব ইসাবের বাবাকে বদলে দিয়েছিল ?

উত্তর “কিন্তু আমাকে বাঁচানোর জন্য তো আমার মা আছে”- অমৃতের এই জবাব ইসাবের বাবাকে বদলে দিয়েছিল ।

৫২. ইসাবের বাবা অমৃতের মাকে কী বলে সম্বোধন করেছিলেন ?

উত্তর ইসাবের বাবা অমৃতের মাকে ‘বাহালি বৌদি’ বলে সম্বোধন করেছিলেন ।

৫৩. ইসাবের বাবা অমৃতের মাকে কী বলেছিলেন ?

উত্তর ইসাবের বাবা অমৃতের মাকে ‘বাহালি বৌদি’ সম্বোধন করে বলেন যে, অমৃতের মতো ছেলে পেলে তিনি একুশজনকেও পালন করতে রাজি আছেন ।

৫৪. “আজ থেকে আপনার ছেলে আমার।” -কে, কাকে এ কথা বলেছিলেন ?

উত্তর ইসাবের বাবা হাসান অমৃতের মা অর্থাৎ বাহালি বৌদিকে এ কথা বলেছিলেন ।

৫৫. “সজল চোখে পাঠান বললেন,” -কী বললেন ?

উত্তর সজল চোখে পাঠান বলেছিলেন যে, অমৃতের কথা অত্যন্ত খাঁটি। তার জবাব তাঁকে বদলে দিয়েছে। অমৃত তাঁকে শিখিয়েছে খাঁটি জিনিস কাকে বলে ।

৫৬. “পাঠানের গল্প শোনার জন্য ঘিরে দাঁড়াল।” -কারা কোন গল্প শোনার জন্য ঘিরে দাঁড়াল ?

উত্তর পাড়াপড়শি মায়ের দল ইসাবের বাবার মুখে অমৃত ও ইসাবের জামা বদলের গল্প শোনার জন্য ঘিরে দাঁড়াল ।

৫৭. “সজল চোখে পাঠান বললেন, কী খাঁটি কথা!” -এখানে কোন খাটি কথার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে ?

উত্তর জামা বদল করার জন্য অমৃতের বাবা তাকে মারতে পারে। ইসাবের ওই কথার জবাবে অমৃত ভয় না পেয়ে বলেছিল যে, তার মা তাকে বাঁচাবে। অমৃতের বন্ধুর জন্য এই আত্মত্যাগের ভাবনাকেই পাঠান ‘খাঁটি কথা’ বলেছেন।

৫৮. “তাঁদেরও বুক ভরে গেল।” -কেন, কাদের বুক ভরে গেল ?

উত্তর অমৃত ও ইসাবের পরস্পরের প্রতি ভালোবাসার গল্প শুনে পাড়াপড়শি মায়ের দলের বুক ভরে গেল ।

৫৯. অমৃত ও ইসাবের ভালোবাসার গল্প শুনে গ্রামবাসীর প্রতিক্রিয়া কীরূপ হয় ?

উত্তর অমৃত ও ইসাবের ভালোবাসার গল্প শুনে গ্রামবাসীদের বুক ভরে গিয়েছিল ।

৬০. ‘অদল-বদলের গল্প’গ্রাম প্রধানের কানে গেলে তিনি কী ঘোষণা করেছিলেন ? [MP’19]

[অথবা], ইসাব অমৃতের কথা গ্রাম প্রধানের কানে ওঠার পর তিনি কী বিধান দিয়েছিলেন ?

উত্তর অদল বদলের গল্প গ্রাম প্রধানের কানে গেলে তিনি ঘোষণা করেছিলেন, সেদিন থেকে তাঁরা অমৃতকে অদল এবং ইসাবকে বদল বলে ডাকবেন।

৬১. ‘অদল বদল’গল্পে কাদের নাম অদল বদল হয় ?

উত্তর ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের নাম অদল আর ইসাবের নাম বদল রাখা হয় ।

Mark – 3

১. ‘ছেলেদুটোর সবই একরকম, তফাত শুধু এই যে,’ – ছেলে দুটি কে, কে ? তাদের মধ্যে তফাত কোথায় ? ১+২ [MP’20 ]

উত্তরছেলেদুটির পরিচয়: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে উদ্ধৃতাংশে ছেলেদুটি হল-অমৃত ও ইসাব ।

তফাত : অমৃত ও ইসাবের পরিবারের সবই একই রকম। তফাত কেবল পরিবারের সদস্য সংখ্যায়। অমৃতের পরিবারের সদস্য সংখ্যা-ছ-জন। অমৃত, তার বাবা-মা এবং তিন ভাই। অন্যদিকে ইসাবের পরিবারের সদস্য সংখ্যা মাত্র দুজন। ইসাব ও তার বাবা।

২. “দুজনের গায়েই সেদিনকার তৈরি নতুন জামা।” – দুজনের বলতে কার কার কথা বলা হয়েছে ? তাদের মধ্যে কী কী মিল ও অমিল ছিল ? ১+২

উত্তরদুজন যারা: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে আলোচ্য অংশে দুজনের বলতে অমৃত ও ইসাবের কথা বলা হয়েছে।

মিল: অমৃত আর ইসাব-দুজনের গায়েই ছিল সেদিনের তৈরি। নতুন জামা। রং, মাপ, কাপড় সব দিক থেকে জামাদুটি ছিল একই রকম। ওরা দুজনেই একই ক্লাসে পড়ে। রাস্তার মোড়ে ওদের বাড়ি দুটোও মুখোমুখি। দুজনের বাবাই পেশায় চাষি। জমিও প্রায় সমান সমান। দুজনকেই সাময়িক বিপদ-আপদে সুদে টাকা ধার নিতে হয়।

অমিল: অমৃতের পরিবারের সদস্য সংখ্যা-ছ-জন। সে, তার বাবা, মা ও তিন ভাই। অন্যদিকে ইসাবের পরিবারের সদস্য সংখ্যা-দুজন। সে ও তার বাবা।

৩. “ও স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিল,” – ‘ও’ কে ? স্কুলে যাওয়া বন্ধ করেছিল কেন ? ১+২

উত্তর – ‘-র পরিচয়: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে ‘ও’ বলতে অমৃতকে বোঝানো হয়েছে।

স্কুলে যাওয়া বন্ধ করার কারণ: ইসাবের বাবা ইসাবকে একটি নতুন জামা কিনে দিয়েছিলেন। তা দেখে অমৃতও বায়না ধরেছিল তার মায়ের কাছে-তাকেও ওই রকম একটি নতুন জামা দিতে হবে। অমৃতের মা তাকে অনেক বুঝিয়েও ব্যর্থ হয়ে ঝামেলা এড়ানোর জন্য বাবার কাছে গিয়ে আবেদন করতে বলেছিলেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল।

৪. “ইসাবের মেজাজ চড়ে গেল।” – কেন ইসাবের মেজাজ চড়ে গিয়েছিল ? এর ফল কী হয়েছিল ? ১+২

উত্তর মেজাজ চড়ে যাওয়ার কারণ: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে ইসাবের মেজাজ চড়ে গিয়েছিল কারণ, কালিয়া জোর করে অমৃতকে টেনে নিয়ে গিয়ে মাটিতে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিল।

ফল: ইসাব রেগে গিয়ে কালিয়ার হাত ধরে জানিয়েছিল যে, সে তার সঙ্গে কুস্তি লড়তে চায়। কুস্তি শুরু হতেই ইসাব ল্যাং মেরে কালিয়াকে ফেলে দিল। ব্যাঙের মতো হাত-পা ছড়িয়ে মাটিতে পড়ে গিয়ে কালিয়া চ্যাঁচাতে লাগল।

Click Here – অসুখী একজন কবিতার প্রশ্ন উত্তর

৫. “ওদের তখন বুকের ধুকপুকুনি বন্ধ হওয়ার জোগাড়,” -‘ওদের’ বলতে কাদের কথা বলা হয়েছে ? বুকের ধুকপুকুনি বন্ধ হওয়ার জোগাড় কেন ? ১+২

উত্তর – ‘ওদের পরিচয়: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে ওদের’ বলতে অমৃত ও ইসাবকে বোঝানো হয়েছে।

কারণ: ইসাবের বাবা সুদখোরের কাছ থেকে টাকা ধার করে অনেক বাছাবাছি করে কাপড় কিনে জামা সেলাই করিয়েছিলেন। তিনি এমনিতেই বড্ড বদমেজাজি। খেতে কাজ করতে গিয়ে জামা ছিঁড়ে যাওয়ায় এর আগে তিনি ইসাবকে প্রচণ্ড মেরেছিলেন। এখন আবার ছেঁড়া শার্ট দেখলে তিনি ওর চামড়া তুলে নেবেন আশঙ্কা করে অমৃত ও ইসাবের বুকের ধুকপুকুনি বন্ধ হওয়ার জোগাড় হয়েছিল।

৬. “হঠাৎ অমৃতের মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেল,”- অমৃতের মাথায় কী বুদ্ধি খেলে গিয়েছিল ?

উত্তর অমৃতের মাথার বুদ্ধিটি: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে হঠাৎ অমৃতের মাথায় জামা অদল বদলের বুদ্ধি খেলে যায়।

অমৃত ইসাবকে টেনে নিয়ে যায় ওদের দুটো বাড়ির মাঝখানে। তারপর নিজের জামার বোতাম খুলতে খুলতে ইসাবকে বলে যে, সে যেন তার জামাটা খুলে অমৃতের ভালো জামাটা পরে নেয়। জামা অদল বদল করলে ছেঁড়া জামার জন্য ইসাবকে আর তার বাবার হাতে মার খেতে হবে না। একেই বুদ্ধি খেলে যাওয়া বলা হয়েছে।

৭. কিন্তু আমাকে বাঁচানোর জন্য তো আমার মা আছে।” – কার এ উক্তি ? উক্তিটির মধ্য দিয়ে তার চরিত্রের কোন দিকটি প্রকাশিত হয়েছে ? ১+২

উত্তর বক্তা: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে আলোচ্য উক্তিটি অমৃতের ।

চরিত্রের প্রকাশিত দিকটি: “A friend in need is a friend indeed’, অমৃতও সেই প্রকৃত বন্ধু। বন্ধু ইসাবের জন্য সে স্বেচ্ছায় নিজেকে বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে। নিজে মার খাবে জেনেও ইসাবের বাবার মারের হাত থেকে ইসাবকে বাঁচানোর জন্য নিজের ভালো জামাটি তাকে দিয়ে ছেঁড়া জামাটি নির্দ্বিধায় নিজে পরে নিয়েছে। এই ঘটনা তার স্বার্থত্যাগের উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

৮. “কিন্তু আমাকে বাঁচানোর জন্য তো আমার মা আছে” -কার উক্তি ? কোন প্রসঙ্গে এই উক্তি ? ১+২

উত্তর বক্তা: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে আলোচ্য উক্তিটির বক্তা হল অমৃত।

প্রসঙ্গ: কালিয়ার সঙ্গে কুস্তি লড়তে গিয়ে ইসাবের জামা ছিঁড়ে গিয়েছিল। তার বাবার মারের হাত থেকে ইসাবকে বাঁচানোর জন্য অমৃত তাকে জামা অদল বদলের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু ইসাব ইতস্তত করে। জানতে চায়, অমৃতকে তার বাবার মারের হাত থেকে কে বাঁচাবে। তখন অমৃত উদ্ধৃত মন্তব্যটি করেছিল।

৯. “ইসাবের মনে পড়ল, ও দেখেছে যে,” – ইসাবের কী মনে পড়ল ? এরপর সে কী করল ? ২+১

উত্তর ইসাবের যা মনে পড়ল : পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে ইসাবের যা মনে পড়ল, তা হল-সে দেখেছে, অমৃতের বাবা যখনই মারতে গেছেন, অমৃত তার মায়ের পিছনে লুকিয়েছে। মায়ের হাতে দু-চার থাপ্পড় হয়তো ওকে খেতে হয়েছে। কিন্তু বাবার ভারী হাতের মারের কাছে তা কিছুই নয়।

ইসাব যা করল: এরপরেও ইসাব ইতস্তত করছিল। এমন সময় খুব কাছে কেউ একজন কেশে উঠেছিল। সঙ্গে সঙ্গে ইসাব তাড়াতাড়ি অমৃতের ভালো জামাটা নিজে পরে নিয়েছিল। এরপর গলি থেকে বেরিয়ে ধীরে সুস্থে নিঃশব্দে নিজের বাড়ির দিকে হাঁটা দিয়েছিল।

১০. “ইসাব তবু ইতস্তত করছে,” – ইসাব কী জন্য ইতস্তত করছিল ? ‘তবু’শব্দটি ব্যবহারের কারণ কী ? ২+১

উত্তর ইতস্তত করার কারণ: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে ইসাব ইতস্তত করছিল অমৃতের পরিণতির কথা ভেবে। জামা পালটে অমৃত যদি ছেঁড়া জামাটা পরে তাহলে তার বাবাও তো তাকে পেটাবে। ইসাব বাবার হাত থেকে মার খাওয়া এড়াতে অমৃতকে বিপদের মুখে ঠেলে দিতে চায়নি। তাই সে ইতস্তত করছিল।

তবু শব্দটি ব্যবহারের কারণ: অমৃত ইসাবকে বুঝিয়েছিল, বাবা মারলেও তাঁকে বোঝানোর জন্য তার মা আছে। মা তাকে বাঁচাবেন। কিন্তু ইসাবের মন তাতেও তৃপ্ত হয়নি। এই অতৃপ্তিই ‘তবু’ অব্যয়ের মধ্য দিয়ে ব্যক্ত হয়েছে।

১১. “উনি দশ বছরের অমৃতকে জড়িয়ে ধরলেন” – ‘উনি’কে? কেন অমৃতকে উনি জড়িয়ে ধরলেন ? [ MP’18 ]

উত্তর – ‘উনি-র পরিচয়: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে আলোচ্য অংশে ‘উনি’ বলতে ইসাবের বাবা হাসানকে বোঝানো হয়েছে।

জড়িয়ে ধরার কারণ: ইসাবের বাবা অমৃতকে জড়িয়ে ধরেছিলেন। কারণ তিনি আড়াল থেকে দেখেছিলেন অমৃত ইসাবকে টানতে টানতে ওদের দুটি বাড়ির মাঝখানে নিয়ে আসে এবং জামা অদল বদল করার প্রস্তাব দেয়। জামা ছিঁড়ে যাওয়ার জন্য ইসাব বাবার কাছে মার খেতে পারে। ভেবেই অমৃত এই প্রস্তাব দেয়। ইসাব অমৃতের কাছে তার কী হবে জানতে চাইলে সে বলে যে, তাকে বাঁচানোর জন্য তার মা আছে। এরপর অমৃত নিজের ভালো জামাটি ইসাবকে দিয়ে ছেঁড়া জামাটি পরে নেয়। অমৃতের এই উদার মনোভাব দেখে ইসাবের বাবা তাকে জড়িয়ে ধরেন।

১২. “ও আমাকে শিখিয়েছে খাঁটি জিনিস কাকে বলে।” -‘ও’ কে ? উদ্দিষ্ট ব্যক্তি ‘খাঁটি জিনিস’বলতে কী বুঝিয়েছেন ? ১+২

উত্তর – ‘-র পরিচয়: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে ‘ও’ বলতে অমৃতকে বোঝানো হয়েছে।

খাঁটি জিনিস: অমৃত ইসাবকে তার বাবার মারের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য নিজে মার খেতে পারে জেনেও জামা অদল বদল করেছিল। ছেঁড়া জামাটি নিজে পরে ভালো জামাটি অকাতরে বন্ধুর জন্য উৎসর্গ করেছিল। একেই হাসান বলেছেন ‘খাঁটি জিনিস’। বন্ধুর জন্য বন্ধুর স্বার্থত্যাগ, আত্মত্যাগের মতো খাঁটি জিনিস জগতে খুব কমই আছে। সত্যিই তো-“A friend in need is a friend indeed!”।

১৩. “পাড়া-পড়শি মায়ের দল পাঠানের গল্প শোনার জন্য ঘিরে দাঁড়াল” -গল্পটি কী ছিল ?

উত্তর গল্প: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে মূল গল্পটি অমৃত-ইসাবের জামা অদল বদল তথা প্রকৃত বন্ধুত্ব বা ভালোবাসার গল্প। হোলির দিনে অমৃত ও ইসাব একই রকম জামা পরে বেরিয়েছিল। কালিয়ার সঙ্গে কুস্তি করতে গিয়ে ইসাবের জামা ছিঁড়ে যায়। তাকে বাঁচানোর জন্য অমৃত তার ভালো জামাটি ইসাবের ছেঁড়া জামার সঙ্গে অদল বদল করে। এর মধ্য দিয়ে অমৃতের আত্মত্যাগ ও প্রকৃত বন্ধুত্বের যথার্থ স্বরূপটি ফুটে ওঠে।

Mark – 5

১. “অমৃত সত্যি তার বাবা-মাকে খুব জ্বালিয়েছিল।”- অমৃত কীভাবে বাবা-মাকে জ্বালাতন করেছিল ? অবশেষে অমৃতের মা কী করেছিলেন ? ৩+২  [ MP’18 ]

উত্তরযেভাবে জ্বালাতন করেছিল: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃত তার বাবা-মাকে জ্বালাতন করেছিল।

ইসাবের জামার মতো একটি জামা জোগাড় করে দেওয়ার জন্য অমৃত তার মায়ের কাছে বায়না ধরেছিল। অমৃতের মা প্রথমে ছেলেকে বুঝিয়েছিলেন যে, ইসাবকে জমিতে কাজ করতে হয় বলে তার জামা ছিঁড়ে গেছে, কিন্তু অমৃতের জামাটা তো প্রায় নতুনই রয়েছে। কাঁদতে কাঁদতে অমৃত তার জামার একটা ছেঁড়া জায়গায় আঙুল ঢুকিয়ে আরও ছিঁড়ে ফেলে। তখন অমৃতের মা তাকে বেকায়দায় ফেলার জন্য মার খাওয়ার কথা বলেন। ইসাবের বাবা জামা দেওয়ার আগে তাকে খুব মেরেছিলেন। অমৃতও কি সেরকম মার খেতে রাজি আছে? অমৃত মরিয়া হয়ে সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়। অমৃতের মা তখন অমৃতের বাবার কাছে গিয়ে তাকে আবেদন জানাতে বলেছিলেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে অমৃত স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়, খাওয়া ছেড়ে দেয় এবং রাত্রিতে বাড়ি ফিরতে রাজি হয় না। শেষ পর্যন্ত হার মেনে অমৃতের বাবা ইসাবের বাবার গোয়ালঘর থেকে অমৃতকে বাড়ি নিয়ে আসেন। এভাবেই অমৃত বাবা-মাকে জ্বালাতন করেছিল।

অমৃতের মা যা করেছিলেন: শেষ পর্যন্ত অমৃতের মা অমৃতের জেদের কাছে মাথা নুইয়েছিলেন। তিনি অমৃতের বাবাকে নতুন জামা কিনে দিতে রাজি করান। ইসাবের জামার রং, মাপ, কাপড়ের অনুরূপ একটি নতুন জামা কিনে দেন।

Click Here – জ্ঞানচক্ষু গল্প প্রশ্ন উত্তর

২. “ ওআমাকে শিখিয়েছে খাঁটি জিনিস কাকে বলে” – খাঁটি জিনিস বলতে কী বোঝানো হয়েছে ? বক্তা কার কাছে থেকে কীভাবে খাঁটি জিনিসের শিক্ষা পেলেন, তা গল্প অবলম্বনে লেখো। ২+৩

উত্তর খাঁটি জিনিস: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে ‘ খাঁটি জিনিস’ বলতে অমৃতের বন্ধুপ্রীতি ও মাতৃভক্তিকে বোঝানো হয়েছে।

খাঁটি জিনিসের শিক্ষা: কালিয়ার সঙ্গে কুস্তি লড়তে গিয়ে ইসাবের জামার পকেট ও ছ-ইঞ্চি পরিমাণ কাপড় ছিঁড়ে যায়। তা দেখতে পেয়ে দুজনেই ভয় পায়। বাবার মারের হাত থেকে ইসাবকে বাঁচানোর জন্য অমৃত জামা অদল বদল করার কথা বলে। ইসাব প্রথমে রাজি হয়নি। কারণ ছেঁড়া জামা পরে বাড়ি ফিরলে অমৃতও বাবার হাতে মার খেতে পারে। অমৃত তাকে এই বলে বোঝায় যে বাবা তাকে মারতে এলে তার তো মা আছে। তিনি তাকে বাঁচাবেন। কিন্তু ইসাবের তো মা নেই। শেষ পর্যন্ত ইসাব অমৃতের কথা শোনে। দুজনে জামা অদল বদল করে।

অমৃতের বাবা হাসান এই দৃশ্য দেখতে পান। অমৃতের কথা তাঁকে মুগ্ধ করে। তিনি দশ বছরের অমৃতকে জড়িয়ে ধরেন। তিনি এও বুঝতে পারেন, মা-হারা ছেলেকে মানুষ করতে গেলে বাবাকেই মায়ের ভূমিকাও নিতে হয় অর্থাৎ মাতৃস্নেহ দিতে হয়। একেই ইসাবের বাবা ‘খাঁটি জিনিস’ বলেছেন। দশ বছরের অমৃতের কাছ থেকে এই শিক্ষাগ্রহণ করে তিনি নিজেকে বদলে ফেলেন।

৩. “পরস্পরের প্রতি ভালোবাসার গল্প শুনে তাদেরও বুক ভরে গেল।” -উৎস নির্দেশ করো। পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা তথা সম্প্রীতির যে ছবি এই গল্পে উঠে এসেছেতা আলোচনা করো।২+৩

[অথবা], অদল বদল গল্পটিতে অমৃত ও ইসাবের যে ভালোবাসা ও প্রকৃত বন্ধুত্ব প্রকাশিত হয়েছে তার পরিচয় দাও

উত্তর উৎস: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্প থেকে আলোচ্য অংশটি উদ্ধৃত।

ভালোবাসা বা সম্প্রীতির ছবি: অমৃত ও ইসাব একে-অপরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু । হোলির দিনের পড়ন্ত বিকেলে তারা হাত ধরাধরি করে বাইরে বেরিয়েছে। কালিয়া জোর করে কুস্তি লড়ার জন্য অমৃতকে টানাটানি করেছে এবং মাটিতে ছুড়ে ফেলেছে। এতে ইসাবের মেজাজ চড়ে গেছে। সে কালিয়াকে দ্বন্দ্বযুদ্ধে আহ্বান করেছে। অমৃতকে হেনস্থা করার বদলা নিয়েছে ইসাব। কালিয়াকে সে ল্যাং মেরে ফেলে দিয়েছে।

এরপর দুজনে রণভূমি ত্যাগ করেছে। হঠাৎ অমৃতের নজরে পড়ে ইসাবের জামা কিছুটা ছিঁড়ে গেছে। বাবার মারের হাত থেকে ইসাবকে বাঁচানোর জন্য অমৃত জামা অদল বদলের প্রস্তাব দেয়। ইসাব প্রথমে রাজি হয়নি। কারণ ছেঁড়া জামা পরে বাড়ি ফিরলে অমৃতের বাবাও তাকে পেটাবে। তখন অমৃত জানায় যে, তাকে বাঁচানোর জন্য তার মা আছে কিন্তু ইসাবকে বাঁচানোর জন্য তো কেউ নেই। এরপর দুজনে জামা বদল করে। ইসাবের বাবা এই দৃশ্য দেখে ও অমৃতের কথা শুনে আপ্লুত হয়ে যান। তাঁর নবচৈতন্য জাগে। তিনি বুঝতে পারেন মা-হারা ছেলেকে মানুষ করতে গেলে বাবাকে মায়ের স্নেহও দিতে হয়। গ্রামবাসী এবং গ্রাম প্রধান তাদের পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা ও আত্মত্যাগে অভিভূত হয়ে যান।

৪. পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক নতুন ছবি ধরা পড়েছে-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।৫

উত্তর “আমার ভারতবর্ষে আমি শুনেছি/মোহম্মদ রফির সঙ্গে লতার ডুয়েট/দেখেছি পাল্লা দিয়ে “ আজাহারের সঙ্গে সচিনের দৌড় ”। এ ভারতবর্ষ তো পান্নালাল প্যাটেলেরও। ভারতবর্ষ মানে এক ভালোবাসা। ‘দিবে আর নিবে মেলাবে মিলিবে’-র আদর্শ ভরা ‘বিবিধের মাঝে দেখ মিলন মহান’-এর ঐতিহ্যভরা তীর্থক্ষেত্র। সেখানে যুগ যুগ ধরে মসজিদে ইট গাঁথে হারান বাউরি, মন্দিরের মেঝেতে মার্বেল বসায় রহমত আলি।

অদল বদল-এর ব্যঞ্জনা: তাই ‘অদল বদল’ নিছক দুই কিশোরের জামাবদলের কাহিনি নয়। হিন্দু-মুসলমান দুই সম্প্রদায়ের সত্তার বদলের কাহিনি। অমৃত এ গল্পে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতীক আর ইসাব মুসলিম সম্প্রদায়ের। ইসাবের বাবার মারের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য অমৃত ইসাবের ছেঁড়া জামাটি নিজে পরেছে। এই ঘটনা ইসাবের বাবার চিত্ত বদল ঘটিয়েছে। গ্রাম প্রধান তাদের নতুন নামকরণ করেছেন ‘অদল’ এবং ‘বদল’। এভাবেই দুই সম্প্রদায়ের মানুষ যদি একে-অপরের বিপদে পাশে দাঁড়ায়, একে অপরকে আগলায় বুক দিয়ে তাহলেই ঘুচবে বিভেদ, ইতিহাস হবে দাঙ্গা।

ভারতবর্ষ ও অদল বদল: যুগ যুগ ধরে ভারতবর্ষে এসেছে বিভিন্ন জনজাতি। তারা এসেছে কিন্তু ফিরে যায়নি। শক-হুন দল-পাঠান-মোগল মিলেমিশে ভারতকে করে তুলেছে ‘মহামানবের সাগরতীর’। অমৃত আর ইসাবের আদর্শে লেখক উদ্বুদ্ধ করে তুলতে চেয়েছেন ভারতবর্ষের দুই ধর্ম সম্প্রদায়ের মানুষকে। হিন্দু আর মুসলমান যদি নিজেদের ধর্মীয় বিশ্বাস, কুসংস্কার, আত্মকেন্দ্রিকতার ওপরে উঠে নিজেদের সত্তার বদল ঘটাতে পারে, তাহলেই ভারতবর্ষের মঙ্গল।

তাই এ গল্পের মূল সত্য হল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। এ গল্প দেখাতে চেয়েছে “বর্ণে বর্ণে নাহিক বিশেষ নিখিল জগৎ ব্রহ্মময়”। এ গল্প প্রমাণ করেছে-“মোরা এক বৃন্তে দু’টি কুসুম হিন্দু-মুসলমান”।

৫. “ছেলের দল আনন্দে চেঁচিয়ে উঠল,”- ছেলের দলের আনন্দের কারণ কী ? এরপর কী ঘটেছিল ? ৩+২

উত্তর – আনন্দের কারণ: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে নিম গাছের নীচে ধূলো ছোড়াছুড়ি করা গ্রামের ছেলেদের আনন্দে চেঁচিয়ে ওঠার কারণ ছিল-অমৃতের মাটিতে পড়ে যাওয়া।

হোলির দিনের পড়ন্ত বিকেলে অমৃত ও ইসাব একই রকম জামা পরে হাত ধরাধরি করে বেড়াতে বেরোয়। দুজনের জামার সাদৃশ্য দেখে এবং গলায় গলায় বন্ধুত্ব দেখে ছেলের দলের একজন তাদের লড়াই করতে উৎসাহ দেয়। অমৃত লড়াই করতে রাজি না-হলে কালিয়া জোর করে তাকে খোলা মাঠে নিয়ে আসে এবং ছুড়ে মাটিতে ফেলে দেয়। অমৃতের এই হেনস্থা দেখে ছেলের দল আনন্দে চেঁচিয়ে ওঠে।

পরবর্তী ঘটনা: প্রিয় বন্ধুর নিগ্রহের এই ঘটনা স্বচক্ষে দেখে ইসাব রেগে যায়। সে কালিয়ার সঙ্গে কুস্তি লড়তে রাজি হয়ে যায়। ইসাব ল্যাং মারে। ব্যাঙের মতো হাত-পা ছড়িয়ে কালিয়া মাটিতে পড়ে যায় এবং চ্যাঁচাতে শুরু করে। কালিয়ার বাবা-মা পেটাতে পারে ভেবে ছেলের দল পালিয়ে যায়।

আরও পড়ুন –

Click Here – বহুরূপী গল্প প্রশ্ন উত্তর

Leave a Comment