বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ প্রশ্ন উত্তর // প্রথম অধ্যায় // Class 10 Geography Chapter 1 Question Answer
বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ
Class 10 Geography Chapter 1 Question Answer
১. যে প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি ভূপৃষ্ঠের ওপর কাজ করে ভূমিরূপের পরিবর্তন ঘটায়, তাকে বলে – [ ME-2017 ]
(ক) বহির্জাত প্রক্রিয়া
(খ) অন্তর্জাত প্রক্রিয়া
(গ) গিরিজনি আলোড়ন
(ঘ) মহিভাবক আলোড়ন
উত্তর – (ক) বহির্জাত প্রক্রিয়া
২. যে প্রক্রিয়ায় ভূপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায়, তাকে বলে – [ME-2019]
(ক) আরোহণ প্রক্রিয়া
(খ) অবরোহণ প্রক্রিয়া
(গ) আবহবিকার প্রক্রিয়া
(ঘ) নগ্নীভবন প্রক্রিয়া
উত্তর – (ক) আরোহণ প্রক্রিয়া
৩. যে প্রক্রিয়ায় অভিকর্ষের টানে উচ্চভূমির ঢাল বরাবর মাটি ওশিলাস্তর নেমে আসে, তাকে বলে – (ME-2020)
(ক) আবহবিকার
(খ) পর্যায়ন প্রক্রিয়া
(গ) অন্তর্জাত প্রক্রিয়া
(ঘ) পুঞ্জিত ক্ষয় প্রক্রিয়া
উত্তর – (ঘ) পুঞ্জিত ক্ষয় প্রক্রিয়া
৪. যে প্রক্রিয়ায় ভূমির উচ্চতা হ্রাস পায় তাকে বলে – [ ME-2022 ]
(ক) অগ্ন্যুদ্গম
(খ) আরোহণ
(গ) অবরোহণ
(ঘ) পর্যায়ন
উত্তর – (গ) অবরোহণ
৫. আরোহণ ও অবরোহণ প্রক্রিয়ায় সম্মিলিত ফলাফল হল –
(ক) ক্ষয়ীভবন
(খ) পুঞ্জিত ক্ষয়
(গ) নগ্নীভবন
(ঘ) পর্যায়ন
উত্তর – (ঘ) পর্যায়ন
৬. সর্বাধিক প্রভাব বিস্তারকারী বহির্জাত শক্তি হল –
(ক) নদী
(খ) বায়ু
(গ) হিমবাহ
(ঘ) সমুদ্রতরঙ্গ
উত্তর – (ক) নদী
৬. ভূমির সম উচ্চতার সাধারণ তল গঠনের প্রক্রিয়াটি হল –
(ক) অবরোহণ
(খ) আরোহণ
(গ) ক্ষয়ীভবন
(ঘ) পর্যায়ন
উত্তর – (ঘ) পর্যায়ন
৭. পর্যায়ন (Gradation) শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন –
(ক) মরগান ও ওয়েগনার
(খ) চেম্বারলিন ও সলিসবারি
(গ) জিমারম্যান ও আর্থার
(ঘ) ডেভিস ও পেংক
উত্তর – (খ) চেম্বারলিন ও সলিসবারি
৮. যে প্রক্রিয়ায় প্রাকৃতিক শক্তির মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের পদার্থের স্থানও পরিবর্তন হয়, তাকে বলে –
(ক) পর্যায়ন প্রক্রিয়া
(খ) নগ্নীভবন প্রক্রিয়া
(গ) ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়া
(ঘ) আবহবিকার প্রক্রিয়া
উত্তর – (গ) ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়া
৯. যে প্রক্রিয়ার দ্বারা ভূমির ঢাল সুষম হয় –
(ক) আরোহণ
(খ) পাতসংস্থানা
(গ) অধঃক্ষেপণ
(ঘ) পর্যায়ন
উত্তর – (ঘ) পর্যায়ন
১০. শিলাচূর্ণ অপসারিত হয়ে নীচু অঞ্চলে সঞ্চিত হওয়ার প্রক্রিয়াকেও বলা হয় –
(ক) আরোহণ
(খ) অবরোহণ
(গ) পুঞ্জক্ষয়
(ঘ) পর্যায়ন
উত্তর – (ক) আরোহণ
১১. অবরোহণ প্রক্রিয়ায় প্রাকৃতিক শক্তির ক্ষয়কার্যের শেষ সীমা হল –
(ক) পর্বত
(খ) মালভূমি
(গ) সমভূমি
(ঘ) সমুদ্রপৃষ্ঠ
উত্তর – (ঘ) সমুদ্রপৃষ্ঠ
১২. বিভিন্ন সঞ্চয়জাত ভূমিরূপ গঠিত হয় যে পদ্ধতিতে –
(ক) পর্যায়ন
(খ) অবরোহণ
(গ) আরোহণ
(ঘ) পুঞ্জিত ক্ষয়
উত্তর – (গ) আরোহণ
১৩. গাঙ্গেয় বদ্বীপ হল –
(ক) পর্যায়ন প্রক্রিয়ার ফল
(খ) আরোহণ প্রক্রিয়ার ফল
(গ) অবরোহণ প্রক্রিয়ার ফল
(ঘ) আবহবিকার প্রক্রিয়ার ফল
উত্তর – (খ) আরোহণ প্রক্রিয়ার ফল
১৪. পর্যায়ন প্রক্রিয়া হল একটি –
(ক) বহির্জাত প্রক্রিয়া
(খ) অন্তর্জাত প্রক্রিয়া
(গ) মহাজাগতিক প্রক্রিয়া
(ঘ) মৃত্তিকাসৃষ্ট প্রক্রিয়া
উত্তর – (ক) বহির্জাত প্রক্রিয়া
১৫. আবহবিকার, পুঞ্জিত ক্ষয় এবং ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়াকে একত্রে বলে –
(ক) ক্ষুদ্রকণা বিশরণ
(খ) নগ্নীভবন
(গ) রেগোলিথ
(ঘ) অপসারণ
উত্তর – (খ) নগ্নীভবন
১৬. যে প্রক্রিয়ায় অসমতল বন্ধুর ভূমি অপসারিত হয়ে সমতল বা প্রায় সমতলে পরিণত হয়, তাকে বলে –[ME-2023]
(ক) নগ্নীভবন
(খ) আরোহণ
(গ) পর্যায়ন
(ঘ) অবরোহণ
উত্তর – (গ) পর্যায়ন
১৭. যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষয়, বহন এবং সঞ্চয়ের মধ্যে সামঞ্জস্যতৈরি হয়, তা হল –
(ক) আরোহণ
(খ) অবরোহণ
(গ) পর্যায়ন
(ঘ) নগ্নীভবন
উত্তর – (গ) পর্যায়ন
১৮. অবরোহণ প্রক্রিয়ার অপর নাম হল –
(ক) ক্ষয়কাজ
(খ) অবক্ষেপণ
(গ) সঞ্চয়কাজ
(ঘ) পর্যায়ন
উত্তর – (ক) ক্ষয়কাজ
১৯. আরোহণ প্রক্রিয়ার অপর নাম হল –
(ক) ক্ষয়সাধন
(খ) পরিবহণ
(গ) অবক্ষেপণ
(ঘ) সঞ্চালন
উত্তর – (গ) অবক্ষেপণ
২০. পুঞ্জিত ক্ষয় প্রক্রিয়ায় আবহবিকারজাত পদার্থ যে শক্তির দ্বারা স্থানান্তরিত হয়, তা হল –
(ক) নদী
(খ) অভিকর্ষ শক্তি
(গ) হিমবাহ
(ঘ) বায়ুপ্রবাহ
উত্তর – (খ) অভিকর্ষ শক্তি
২১. নিম্নভূমির উচ্চতা বৃদ্ধি পায় -[পর্ষদ নমুনা প্রশ্ন]
(ক) আরোহণ প্রক্রিয়ায়
(খ) অবরোহণ প্রক্রিয়ায়
(গ) অবঘর্ষ প্রক্রিয়ায়
(ঘ) নগ্নীভবন প্রক্রিয়ায়
উত্তর – (ক) আরোহণ প্রক্রিয়ায়
২২. যে ক্ষয় প্রক্রিয়ায় নদী উপত্যকার তলদেশ ও পার্শ্বদেশ ক্ষয় দ্বারা উপত্যকার গভীরতা বৃদ্ধি পায়, তা হল –
(ক) জলপ্রবাহ ক্ষয়
(খ) অবঘর্ষ ক্ষয়
(গ) ঘর্ষণ ক্ষয়
(ঘ) দ্রবণ ক্ষয়
উত্তর – (খ) অবঘর্ষ ক্ষয়
২৩.ভূমিরূপ পরিবর্তনে কোনটির প্রভাব সর্বাধিক ?
(ক) নদী
(খ) বায়ু
(গ) হিমবাহ
(ঘ) সমুদ্রতরঙ্গ
উত্তর – (ক) নদী
২৪. গঙ্গোত্রী হিমবাহের গোমুখ গুহা থেকে হরিদ্বার পর্যন্ত হল গঙ্গার –
(ক) নিম্নগতি
(খ) উচ্চগতি
(গ) মধ্যগতি
(ঘ) উচ্চ ও মধ্যগতি
উত্তর – (খ) উচ্চগতি
২৫. হরিদ্বার থেকে বিহারের রাজমহল পাহাড় পর্যন্ত হল গঙ্গার –
(ক) উচ্চগতি
(খ) মধ্যগতি
(গ) নিম্নগতি
(ঘ) মধ্য ও নিম্নগতি
উত্তর – (খ) মধ্যগতি
২৬. রাজমহল পাহাড় থেকে বঙ্গোপসাগরের মোহানা পর্যন্ত হল গঙ্গার –
(ক) উচ্চগতি
(খ) নিম্নগতি
(গ) মধ্য ও নিম্নগতি
(ঘ) মধ্যগতি
উত্তর – (খ) নিম্নগতি
২৭.নদীর গতিবেগের সঙ্গে বহনক্ষমতা বৃদ্ধির যে সম্পর্ক, তাকে বলা হয় –
(ক) ষষ্ঠঘাতের সূত্র
(খ) মহাকর্ষ সূত্র
(গ) ফেরেলের সূত্র
(ঘ) বাইস ব্যালট সূত্র
উত্তর – (ক) ষষ্ঠঘাতের সূত্র
২৮. যে প্রক্রিয়ায় নদীবাহিত প্রস্তরখণ্ড পরস্পরের সংঘর্ষের ফলে ভেঙে গিয়ে নুড়ি, বালি প্রভৃতিতে পরিণত হয়, তাকে বলে –
(ক) অবঘর্ষ ক্ষয়
(খ) দ্রবণ ক্ষয়
(গ) জলপ্রবাহ ক্ষয়
(ঘ) ঘর্ষণ ক্ষয়
উত্তর – (ঘ) ঘর্ষণ ক্ষয়
২৯. বৃষ্টিযুক্ত আর্দ্র অঞ্চলে যে প্রাকৃতিক শক্তি ভূমিরূপ পরিবর্তনে মুখ্য ভূমিকা নেয় তা হল –
(ক) হিমবাহ
(খ) বায়ু
(গ) নদী
(ঘ) সূর্যতাপ
উত্তর – (গ) নদী
৩০. দুটি নদী অববাহিকার মধ্যবর্তী উচ্চভূমিকে বলে – [ME-2022]
(ক) জলবিভাজিকা
(খ) স্বাভাবিক বাঁধ
(গ) নদীমঞ
(ঘ) দোয়াব
উত্তর – (ক) জলবিভাজিকা
৩১. শুষ্ক অঞ্চলের গিরিখাতকে বলা হয় – [ME-2018]
(ক) ক্যানিয়ন
(খ) ‘V’ আকৃতির উপত্যকা
(গ) মন্থকূপ
(ঘ) ধান্দ
উত্তর – (ক) ক্যানিয়ন
৩২. ক্যানিয়ন দেখা যায় –
(ক) আর্দ্র অঞ্চলে
(খ) শুষ্ক অঞ্চলে
(গ) সমভূমি অঞ্চলে
(ঘ) বদ্বীপ অঞ্চলে
উত্তর – (খ) শুষ্ক অঞ্চলে
৩৩. অতি গভীর ‘I’ আকৃতির উপত্যকাকে বলে –
(ক) গিরিখাত
(খ) ক্যানিয়ন
(গ) কর্তিত স্পার
(ঘ) প্লাঞ্জপুল
উত্তর – (খ) ক্যানিয়ন
৩৪. বৃহদাকৃতির জলপ্রপাতকে বলা হয় –
(ক) কাসকেড
(খ) ক্যাটারেক্ট
(গ) জলপ্রপাত
(ঘ) র্যাপিড
উত্তর – (খ) ক্যাটারেক্ট
৩৫. জলপ্রপাতের পাদদেশে গঠিত ভূমিরূপটি হল –
(ক) মন্থকূপ
(খ) প্রপাতকূপ
(গ) ওয়াদি
(ঘ) প্লায়া
উত্তর – (খ) প্রপাতকূপ
৩৬. সাংপো ক্যানিয়ন পৃথিবীর –
(ক) দীর্ঘতম
(খ) গভীরতম
(গ) সুন্দরতম
(ঘ) প্রশস্ততম
উত্তর – (খ) গভীরতম
৩৭. পৃথিবীর বৃহত্তম জলপ্রপাতটি হল –
(ক) ভিক্টোরিয়া
(খ) নায়াগ্রা
(গ) সল্টো অ্যাঞ্জেল
(ঘ) স্ট্যানলি বা বোয়ামা
উত্তর – (ঘ) স্ট্যানলি বা বোয়ামা
৩৮. নদীবাঁকের উত্তল অংশে যে সঞ্চয় হয়, তাকে বলে –
(ক)পলল শঙ্কু
(খ) স্বাভাবিক বাঁধ
(গ) বিন্দুবার
(ঘ) বদ্বীপ
উত্তর – (গ) বিন্দুবার
৩৯. গেরসোপ্পা জলপ্রপাত অবস্থিত –
(ক) কৃষ্ণা নদীতে
(খ) গোদাবরী নদীতে
(গ) সরাবতী নদীতে
(ঘ) নর্মদা নদীতে
উত্তর – (গ) সরাবতী নদীতে
৪০. নিকবিন্দু জলপ্রপাতের উদাহরণ হল –
(ক) কপিলধারা
(খ) চিত্রকূট
(গ) দশম
(ঘ) যোগ
উত্তর – (গ) দশম
৪১. প্রপাতকূপ সৃষ্টি হয় –
(ক) হিমবাহের দ্বারা
(খ) নদীর দ্বারা
(গ) বায়ুর দ্বারা
(ঘ) সমুদ্রতরঙ্গের দ্বারা
উত্তর – (খ) নদীর দ্বারা
৪২. নদীর প্রবাহপথ বা উপত্যকা সিঁড়ির ধাপের ন্যায় নীচে নেমে এলে, তাকে বলে –
(ক) ক্যাটারাক্ট
(খ) কাসকেড
(গ) র্যাপিড
(ঘ) খরস্রোতা
উত্তর – (খ) কাসকেড
৪৩. পৃথিবীর উচ্চতম জলপ্রপাত হল –
(ক) সাল্টো অ্যাঞ্জেল
(খ) নায়াগ্রা
(গ) যোগ
(ঘ) কুঞ্চিকল
উত্তর – (ক) সাল্টো অ্যাঞ্জেল
৪৪. মধ্য ও নিম্নগতিতে নদীর আঁকাবাঁকা গতিপথের নামকরণ করা হয়েছে কার নামানুসারে ?
(ক) মিসিসিপি
(খ) মিয়েন্ড্রস
(গ) মহানদী
(ঘ) নিলনদ
উত্তর – (খ) মিয়েন্ড্রস
৪৫. পলল ব্যজনী সৃষ্টি হয় নদীর –
(ক) উচ্চগতিতে
(খ) মধ্যগতিতে
(গ) নিম্নগতিতে
(ঘ) বদ্বীপ প্রবাহে
উত্তর – (খ) মধ্যগতিতে
৪৬. গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন যে নদীতে দেখা যায় –
(ক) আমাজন
(খ) কলোরাডো
(গ) নীলনদ
(ঘ) মিসিসিপি
উত্তর – (খ) কলোরাডো
৪৭. পাখির পায়ের মতো আকৃতির বদ্বীপ গঠিত হয়েছে –[পর্ষদ নমুনা প্রশ্ন; ME-2018]
(ক) নীলনদের মোহানায়
(খ) সিন্ধুনদের মোহানায়
(গ) হোয়াংহোর মোহানায়
(ঘ) মিসিসিপি-মিসৌরির মোহানায়
উত্তর – (ঘ) মিসিসিপি-মিসৌরির মোহানায়
৪৮. দুটি নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলকে বলে –
(ক) দোয়াব
(খ) জলবিভাজিকা
(গ) নদীখাত
(ঘ) প্লাবনভূমি
উত্তর – (ক) দোয়াব
৪৯. নদীর গতিবেগ দ্বিগুণ হলে বহন ক্ষমতা হয় –
(ক) 4 গুণ
(খ) 16 গুণ
(গ) 64 গুণ
(ঘ) 128 গুণ
উত্তর – (গ) 64 গুণ
৫০. লবণযুক্ত শিলাস্তরের উপর নদীর প্রধান ক্ষয়প্রক্রিয়াটি হল – [ME-2017]
(ক) অবঘর্ষ ক্ষয়
(খ) ঘর্ষণ ক্ষয়
(গ) জলপ্রবাহ ক্ষয়
(ঘ) দ্রবণ ক্ষয়
উত্তর – (ঘ) দ্রবণ ক্ষয়
৫১. ভারতের কোন নদীর মোহানায় পাখির পায়ের মতো বদ্বীপ দেখা যায় ?
(ক) সুবর্ণরেখা
(খ) মহানদী
(গ) নর্মদা নদী
(ঘ) কৃষ্ণা নদী
উত্তর – (ঘ) কৃষ্ণা নদী
৫২. নীলনদের বদ্বীপটি হল –
(ক) তীক্ষ্ণাগ্র বদ্বীপ
(খ) ধনুকাকৃতি বদ্বীপ
(গ) পাখির পায়ের বদ্বীপ
(ঘ) কাসপেট বদ্বীপ
উত্তর – (খ) ধনুকাকৃতি বদ্বীপ
৫৩. শিবসমুদ্রম জলপ্রপাতটি অবস্থিত –
(ক) কাবেরী নদীতে
(খ) মাহী নদীতে
(গ) কৃষ্ণা নদীতে
(ঘ) নর্মদা নদীতে
উত্তর – (ক) কাবেরী নদীতে
৫৪. পৃথিবীর বৃহত্তম বদ্বীপ হল –
(ক) আমাজনের বদ্বীপ
(খ) নীলনদের বদ্বীপ
(গ) গঙ্গা-পদ্মা-মেঘনার বদ্বীপ
(ঘ) মিসিসিপি নদীর বদ্বীপ
উত্তর – (গ) গঙ্গা-পদ্মা-মেঘনার বদ্বীপ
৫৫. একটি তীক্ষ্ণাগ্র বদ্বীপের উদাহরণ হল –
(ক) স্পেনের রিয়ো এবরো
(খ) ইটালির পো
(গ) জার্মানির রাইন
(ঘ) ভারতের মহানদী
উত্তর – (ক) স্পেনের রিয়ো এবরো
৫৬. নদীর নিক পয়েন্টের মধ্যে সৃষ্টি হয় –
(ক) অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ
(খ) প্লাবনভূমি
(গ) জলপ্রপাত
(ঘ) পলল শঙ্কু
উত্তর – (গ) জলপ্রপাত
৫৭. পলিশঙ্কু গঠিত হয় নদীর –
(ক) পার্বত্য গতিতে
(খ) বদ্বীপ গতিতে
(গ) মধ্য গতিতে
(ঘ) উচ্চ ও মধ্যগতির সংযোগস্থলে
উত্তর – (ঘ) উচ্চ ও মধ্যগতির সংযোগস্থলে
৫৮. অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ দেখা যায় নদীর –
(ক) উচ্চপ্রবাহে
(খ) নিম্নপ্রবাহে
(গ) মধ্যপ্রবাহে
(ঘ) মধ্য ও নিম্ন প্রবাহে
উত্তর – (ঘ) মধ্য ও নিম্ন প্রবাহে
৫৯. পৃথিবীর বৃহত্তম নদী অববাহিকা হল –
(ক) গঙ্গানদীর অববাহিকা
(খ) আমাজন নদীর অববাহিকা
(গ) নীলনদের অববাহিকা
(ঘ) মিসিসিপি নদীর অববাহিকা
উত্তর – (খ) আমাজন নদীর অববাহিকা
৬০. মালভূমির খাড়া ঢাল বেয়ে কোনো নদী প্রবাহিত হয়ে যে জলপ্রপাত সৃষ্টি করে, তাকে বলে –
(ক) মন্থকূপ
(খ) প্রপাতকূপ
(গ) আর্তের্জীয় কূপ
(ঘ) স্কার্পপ্রপাত
উত্তর – (ঘ) স্কার্পপ্রপাত
৬১. নদীর মধ্যগতিতে সঞ্চয়জাত ভূমিরূপ হল –
(ক) প্রপাতকূপ
(খ) বদ্বীপ
(গ) খরস্রোতা
(ঘ) পলল ব্যজনী
উত্তর – (ঘ) পলল ব্যজনী
৬২. পৃথিবীর দীর্ঘতম খাঁড়ি দেখা যায় –
(ক) পদ্মা নদীতে
(খ) ইয়াংসি কিয়াং-এ
(গ) ওব নদীতে
(ঘ) নীলনদে
উত্তর – (গ) ওব নদীতে
৬৩. পৃথিবীর বৃহত্তম নদী মধ্যবর্তী দ্বীপ হল –
(ক) মাজুলি
(খ) ইলহা-দ্য-মারাজো
(গ) সুন্দরবন
(ঘ) লিভি
উত্তর – (খ) ইলহা-দ্য-মারাজো
৬৪. নদী কয়টি প্রক্রিয়ায় বহনকাজ করে থাকে ?
(ক) 3টি
(খ) 4টি
(গ) 5টি
(ঘ) 6
উত্তর – (খ) 4টি
৬৫. পৃথিবীর দীর্ঘতম ও বৃহত্তম মহাদেশীয় হিমবাহটি হল –
(ক) ল্যামবার্ট
(খ) মালাসপিনা
(গ) হুবার্ড
(ঘ) পিটারম্যান
উত্তর –(ক) ল্যামবার্ট
৬৬. পৃথিবীর দীর্ঘতম ও বৃহত্তম পার্বত্য পাদদেশীয় হিমবাহটি হল –
(ক) ল্যামবার্ট
(খ) হুবার্ড
(গ) মালাসপিনা
(ঘ) জেকবভ্যান
উত্তর – (গ) মালাসপিনা
৬৭. পৃথিবীর কোথায় হিমবাহরূপে বরফের সঞ্চয় বেশি রয়েছে ?
(ক) গ্রিনল্যান্ডে
(খ) এশিয়ায়
(গ) অ্যান্টার্কটিকায়
(ঘ) সুমেরু অঞ্চলে
উত্তর – (গ) অ্যান্টার্কটিকায়
৬৮. পৃথিবীর বৃহত্তম পার্বত্য হিমবাহ হল –
(ক) হুবার্ড
(খ) সিয়াচেন
(গ) মালাসপিনা
(ঘ) নুনাটক
উত্তর – (ক) হুবার্ড
৬৯. ভারতের একটি উল্লেখযোগ্য হিমবাহ হল –
(ক) ল্যামবার্ট
(খ) হুবার্ড
(গ) সিয়াচেন
(ঘ) মালাসপিনা
উত্তর – (গ) সিয়াচেন
৭০. পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পার্বত্য হিমবাহ দেখা যায় যে পর্বতে –
(ক) রকি
(খ) হিমালয়
(গ) আল্পস
(ঘ) অ্যাপালেশিয়ান
উত্তর – (গ) আল্পস
৭১. পার্বত্য হিমবাহের পৃষ্ঠদেশে সৃষ্ট গভীর ফাটলগুলিকে বলে – [ME-2019 ]
(ক) নুনাটাকস
(খ) ক্রেভাস
(গ) অ্যারেটে
(ঘ) সার্ক
উত্তর – (খ) ক্রেভাস
৭২. পৃথিবীর দ্রুততম হিমবাহটি হল –
(ক) জেকবসভ্যান
(খ) সিয়াচেন
(গ) জেমু
(ঘ) হুবার্ড
উত্তর – (ক) জেকবসভ্যান
৭৩. হিমশৈলের যত ভাগ জলের ওপরে থাকে –
(ক) 1/9
(খ) 2/9
(গ) 3/9
(ঘ) ¾
উত্তর – (ক) 1/9
৭৪. পর্বতগাত্র ও হিমবাহের মাঝে সৃষ্ট সংকীর্ণ ফাঁককে বলা হয় –
(ক) বার্গস্রুন্ড
(খ) ফ্র্যাগ
(গ) নুনাটাক্স
(ঘ) পাইরোক্লাস্ট
উত্তর – (ক) বার্গস্রুন্ড
৭৫. হিমরেখার উচ্চতা সবচেয়ে কম হয় –
(ক) নিরক্ষীয় অঞ্চলে
(খ) নাতিশীতোন্ষ অঞ্চলে
(গ) উপক্রান্তীয় অঞ্চলে
(ঘ) মেরু অঞ্চলে
উত্তর – (ঘ) মেরু অঞ্চলে
৭৬. যে রেখার নীচে হিমবাহ গলে যায়, তাকে বলে –
(ক) হিমরেখা
(খ) ক্রেভাস
(গ) পিরামিড চূড়া
(ঘ) এসকার
উত্তর – (ক) হিমরেখা
৭৭. পর্বতগাত্রে যে সীমারেখার ঊর্ধ্বে জল জমে বরফে পরিণত হয় তাকে বলে –
(ক) হিমবাহ
(খ) হিমরেখা
(গ) হিমসোপান
(ঘ) গ্রাবরেখা
উত্তর – (খ) হিমরেখা
৭৮. হিমবাহের ক্ষয়ের ফলে গঠিত একটি ভূমিরূপ হল –
(ক) কেটেল
(খ) রসে মতানে
(গ) এসকার
(ঘ) আগামুখ
উত্তর – (খ) রসে মতানে
৭৮. ফরাসি ভাষায় ‘করি’ ভূমিরূপকে বলা হয় –
(ক) সার্ক
(খ) এরিটি
(গ) হর্ন
(ঘ) ক্রেভাস
উত্তর – (ক) সার্ক
৭৯. জার্মান ভাষায় করি বা সার্ক-কে বলা হয় –
(ক) কেম
(খ) কুম
(গ) কার
(ঘ) ফার
উত্তর – (গ) কার
৮০. মহাদেশীয় হিমবাহের মধ্যে অবস্থিত তুষার বা বরফমুক্ত পর্বতশৃঙ্গকে বলা হয় –
(ক) অ্যারেটে
(খ) হর্ন
(গ) ইনসেলবার্জ
(ঘ) নুনাটাকস
উত্তর – (ঘ) নুনাটাকস
৮১. পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ‘করি’-এর মাঝখানে অবস্থিত পর্বত-শিরাকে বলে –
(ক) এসকার
(খ) হিমসোপান
(গ) অ্যারেট
(ঘ) র্যান্ডক্লাফট
উত্তর – (গ) অ্যারেট
৮২. একটি হাতলওয়ালা আরামকেদারা বা ডেক চেয়ারের মতো দেখতে হিমবাহ উপত্যকাকে বলে –
(ক) করি
(খ) অ্যারেট
(গ) পিরামিড চুড়া
(ঘ) ইরাটিক
উত্তর – (ক) করি
৮৩. হিমালয়ের ‘নীলকণ্ঠ শৃঙ্গ’ যে ভূমিরূপের উদাহরণ তা হল –
(ক) করি
(খ) অ্যারেটে
(গ) পিরামিড চূড়া
(ঘ) ফিয়র্ড
উত্তর – (গ) পিরামিড চূড়া
৮৪. হিমসিঁড়ির বেসিনে জল জমে সৃষ্ট হ্রদ হল – [ME-2022]
(ক) প্যাটারনস্টার হ্রদ
(খ) প্লায়া হ্রদ
(গ) কেটল হ্রদ
(ঘ) করি হ্রদ
উত্তর – (ক) প্যাটারনস্টার হ্রদ
৮৫. উচ্চ অক্ষাংশীয় অঞ্চলে সমুদ্রজলে মগ্ন হিমদ্রোণিকে বলে –
(ক) ফিয়র্ড
(খ) খাঁড়ি
(গ) কয়াল
(ঘ) লবণ হ্রদ
উত্তর – (ক) ফিয়র্ড
৮৬. পিরামিড চূড়ার অপর নামটি হল –
(ক) অ্যারেটে
(খ) নব
(গ) হর্ন
(ঘ) সার্ক
উত্তর – (গ) হর্ন
৮৭. পৃথিবীর অধিকাংশ ফিয়র্ড যে দেশের উপকূলে দেখা যায়, সেই দেশটি হল – [ অথবা ] ‘ফিয়র্ডের দেশ’ বলা হয় –
(ক) গ্রিনল্যান্ড
(খ) নরওয়ে
(গ) সুইডেন
(ঘ) ডেনমার্ক
উত্তর – (খ) নরওয়ে
৮৮. সমুদ্র উপকূলে হিমবাহের ক্ষয়ের ফলে সৃষ্ট জলমগ্ন উপত্যকাকে বলে-
(ক) রসে মতানে
(খ) ঝুলন্ত উপত্যকা
(গ) হিমসিঁড়ি
(ঘ) ফিয়র্ড
উত্তর – (ঘ) ফিয়র্ড
৮৯. হিমবাহ উপত্যকা যে আকৃতির হয়, তা হল –
(ক) U
(খ) V
(গ) I
(ঘ) Z
উত্তর – (ক) U
৯০. হিমবাহের সঞ্চয়কাজের ফলে গঠিত ভূমিরূপ -[ ME-2015 ]
(ক) ফিয়র্ড
(খ) ঝুলন্ত উপত্যকা
(গ) রসে মতানে
(ঘ) ড্রামলিন
উত্তর – (ঘ) ড্রামলিন
৯১. হিমবাহ কর্তৃক আরোহণ পদ্ধতিতে সৃষ্ট প্রসারিত টিলাকৃতি ভূমিরূপকে বলে –
(ক) এসকার
(খ) কেম
(গ) পিরামিড চূড়া
(ঘ) ড্রামলিন
উত্তর – (ঘ) ড্রামলিন
৯২. ঝুলন্ত উপত্যকা সৃষ্টি হয় –
(ক) নদীর গতিপথে
(খ) পার্বত্য হিমবাহে
(গ) পাদদেশীয় হিমবাহে
(ঘ) মহাদেশীয় হিমবাহে
উত্তর – (খ) পার্বত্য হিমবাহে
৯৩. ড্রামলিন সৃষ্টি হয় –
(ক) বায়ুর ক্ষয়কার্যের ফলে
(খ) নদীর সঞ্চয়কার্যের ফলে
(গ) হিমবাহের সঞ্চয়ের ফলে
(ঘ) হিমবাহের ক্ষয়ের ফলে
উত্তর – (গ) হিমবাহের সঞ্চয়ের ফলে
৯৪. ‘Basket of egg topography’ দেখা যায় –
(ক) স্কটল্যান্ডে
(খ) ভারতে
(গ) স্পেনে
(ঘ) কানাডাতে
উত্তর – (ক) স্কটল্যান্ডে
৯৫. বহিঃবিধৌত সমভূমির মাঝে মাঝে সৃষ্ট গর্তগুলিকে বলে –
(ক) কেম
(খ) ড্রামলিন
(গ) মন্থকূপ
(ঘ) কেটল
উত্তর – (ঘ) কেটল
৯৬. হিমবাহের সঞ্চয়ের ফলে সৃষ্ট উলটানো নৌকার ন্যায় ভূমিরূপটি হল –
(ক) এসকার
(খ) ড্রামলিন
(গ) আগামুখ
(ঘ) রসেমোতানে
উত্তর – (খ) ড্রামলিন
৯৭. বহিঃবিধৌত সমভূমি যখন জলধারা বা নদী দ্বারা পৃথক হয়ে যায়, তাকে বলে –
(ক) ভ্যালি ট্রেন
(খ) এসকার
(গ) কেম
(ঘ) হর্ন
উত্তর – (ক) ভ্যালি ট্রেন
৯৮. দুটি কেটলের মাঝখানে অবস্থিত উঁচুভূমিকে বলে –
(ক) অ্যারেট
(খ) পিরামিড চূড়া
(গ) নব
(ঘ) ভার্ব
উত্তর – (গ) নব
৯৯. প্রান্ত গ্রাবরেখায় সৃষ্ট হিমবাহের সঞ্চয়জাত ত্রিকোণাকার ভূমিরূপটি হল –
(ক) হর্ন
(খ) ক্রেভাস
(গ) কেম
(ঘ) অ্যারেট
উত্তর – (গ) কেম
১০০. বায়ু দ্বারা বাহিত অপেক্ষাকৃত ছোটো শিলাখন্ড একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে যে ক্ষয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, সেটি হল –
(ক) অবঘর্ষ
(খ) ঘর্ষণ
(গ) উৎপাটন
(ঘ) অপসারণ
উত্তর – (খ) ঘর্ষণ
১০১. বায়ু সবচেয়ে বেশি কার্যকরী হয় –
(ক) সমভূমি অঞ্চলে
(খ) সমুদ্র উপকূল ও মরু অঞ্চলে
(গ) নিরক্ষীয় অঞ্চলে
(ঘ) মেরু অঞ্চলে
উত্তর – (খ) সমুদ্র উপকূল ও মরু অঞ্চলে
১০২. বায়ুর কার্যের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হল –
(ক) মরুভূমি অঞ্চল
(খ) মরুপ্রায় অঞ্চল
(গ) উপকূল অঞ্চল
(ঘ) তুন্দ্রা অঞ্চল
উত্তর – (ক) মরুভূমি অঞ্চল
১০৩. ভারতের থর মরুভূমিতে সৃষ্ট অপসারণ গর্তগুলিকে বলা হয় –
(ক) রান
(খ) লোয়েস
(গ) ওয়াদি
(ঘ) ধান্দ
উত্তর – (ঘ) ধান্দ
১০৪. মরু সমপ্রায়ভূমিতে কঠিন শিলাগঠিত কিছু অনুচ্চ পাহাড় অবশিষ্টাংশ ভূমিরূপ হিসেবে থেকে যায় – [ME-2020 ]
(ক) ইয়ারদাং
(খ) জুইগেন
(গ) বালিয়াড়ি
(ঘ) ইনসেলবার্জ
উত্তর – (ঘ) ইনসেলবার্জ
১০৫. মরুভূমিতে বায়ু দ্বারা বালুকণা উত্থিত এবং অপসারিত হয় যে প্রক্রিয়ার সাহায্যে, তা হল – [ ME-2023 ]
(ক) অপসারণ
(খ) অবঘর্ষ
(গ) ঘর্ষণ
(ঘ) লম্ফদান
উত্তর – (ক) অপসারণ
১০৬. প্রস্তরখণ্ড দিয়ে ঢাকা মরু অঞ্চলকে মিশরে বলে –
(ক) আর্গ
(খ) সেরির
(গ) বাজাদা
(ঘ) হামাদা
উত্তর – (খ) সেরির
১০৭. কেবল বালি দিয়ে গঠিত বা বালুকাময় মরুভূমিকে সাহারায় বলে –
(ক) আর্গ
(খ) কুম
(গ) রেগ
(ঘ) মেরী
উত্তর – (ক) আর্গ
১০৮. শিলাময় মরুভূমিকে বলে –
(ক) লোয়েস
(খ) হামাদা
(গ) রেগ
(ঘ) আর্গ
উত্তর – (খ) হামাদা
১০৯. পেডিমেন্ট সৃষ্টি হয় –
(ক) বায়ুর ক্ষয়কার্যের ফলে
(খ) হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে
(গ) নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে
(ঘ) বায়ু ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে
উত্তর – (ঘ) বায়ু ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে
১১০. পেডিমেন্ট অঞ্চলের অনুচ্চ টিলা হল –
(ক) মোনাডনক
(খ) পেনিপ্লেন
(গ) প্যানফ্যান
(ঘ) ইনসেলবার্জ
উত্তর – (ঘ) ইনসেলবার্জ
১১১. সিফ বালিয়াড়ির অপর নামটি হল –
(ক) অনুপ্রস্থ বালিয়াড়ি
(খ) অনুদৈর্ঘ্য বালিয়াড়ি
(গ) সমান্তরাল বালিয়াড়ি
(ঘ) তির্যক বালিয়াড়ি
উত্তর – (খ) অনুদৈর্ঘ্য বালিয়াড়ি
১১২. বার্খান যে বালিয়াড়ির উদাহরণ তা হল –
(ক) সমান্তরাল বালিয়াড়ি
(খ) মস্তক বালিয়াড়ি
(গ) তির্যক বালিয়াড়ি
(ঘ) সিফ বালিয়াড়ি
উত্তর – (গ) তির্যক বালিয়াড়ি
১১৩. বায়ু ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে গঠিত হয় –
(ক) এসকার
(খ) গৌর
(গ) বাজাদা
(ঘ) ইনসেলবার্জ
উত্তর – (গ) বাজাদা
১১৪. শুষ্ক অঞ্চলের নদীখাতকে বলে –
(ক) প্লায়া
(খ) ওয়াদি
(গ) বাজাদা
(ঘ) পেডিমেন্ট
উত্তর – (খ) ওয়াদি
১১৫. ভারতের একটি প্লায়া হ্রদ হল –
(ক) প্যাং কিয়াং
(খ) চিল্কা
(গ) উলার
(ঘ) সম্বর
উত্তর – (ঘ) সম্বর
১১৬. মরু ও উপমরু অঞ্চলের লবণাক্ত জলের হ্রদকে বলে –
(ক) প্লায়া
(খ) বাজাদা
(গ) ক্যালডেরা
(ঘ) দুন
উত্তর – (ক) প্লায়া
১১৭. আফ্রিকার মরু অঞ্চলে সৃষ্ট প্লায়া হ্রদকে বলা হয় –
(ক) শটস
(খ) চকাতারা
(গ) ধান্দ
(ঘ) বোলসন
উত্তর – (ক) শটস
১১৮. একাধিক বার্খান একে অপরের সঙ্গে মিলিত হয়ে যে বালিয়াড়ি সৃষ্টি করে, তাকে বলে –
(ক) সিফ
(খ) বার্খান
(গ) অ্যাকলে
(ঘ) রোর্ডস
উত্তর – (গ) অ্যাকলে
১১৯. দুটি বালিয়াড়ির মধ্যবর্তী এলাকাকে সাহারায় বলা হয় –
(ক) করিডর
(খ) সিফ
(গ) গাসি
(ঘ) আর্গ
উত্তর – (গ) গাসি
১২০. তরবারির ন্যায় বালির শৈলশিরাকে বলে –
(ক) বার্খান
(খ) অ্যাকলে
(গ) সিফ
(ঘ) ধ্রিয়ান
উত্তর – (গ) সিফ
১২১. লোয়েস সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে –
(ক) নীলনদ অববাহিকায়
(খ) হোয়াংহো নদী উপত্যকায়
(গ) ইয়াংসি কিয়াং নদী অববাহিকায়
(ঘ) ইরাবতী নদী অববাহিকায়
উত্তর – (খ) হোয়াংহো নদী উপত্যকায়
১২২. চলমান বালিয়াড়িগুলিকে বলে –
(ক) শটস
(খ) ওয়াদি
(গ) ধ্রিয়ান
(ঘ) প্লায়া
উত্তর – (গ) ধ্রিয়ান
১২৩. মরু অঞ্চলে ক্ষয়ের নিম্নসীমা বা শেষ সীমা হল –
(ক) প্লায়া
(খ) সমুদ্রপৃষ্ঠ
(গ) বাজাদা
(ঘ) গাসি
উত্তর – (ক) প্লায়া
১২৪. বিশ্ব উন্নায়ন যে মরুভূমিকে গ্রাস করছে, তার নাম –
(ক) আটাকামা
(খ) গোবি
(গ) কালাহারি
(ঘ) সাহারা
উত্তর – (ঘ) সাহারা
১২৫. অর্ধচন্দ্রাকৃতি বালিয়াড়িকে বলা হয় –
(ক) অ্যাকলে
(খ) বার্খান
(গ) সিফ
(ঘ) বাজাদা
উত্তর – (খ) বার্খান
১২৬. বায়ুর সঞ্চয়ের ফলে গঠিত সমভূমিকে বলে – [ME-2022]
(ক) বালিয়াড়ি
(খ) হামাদা
(গ) ধ্রিয়ান
(ঘ) লোয়েস
উত্তর – (ঘ) লোয়েস
১২৭. মরু সম্প্রসারণের কারণ নয় –
(ক) খরা
(খ) পশুচারণ
(গ) লবণাক্তকরণ
(ঘ) বনসৃজন
উত্তর –(ঘ) বনসৃজন
১২৮. সাহারা মরুভূমি ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে –
(ক) উত্তর দিকে
(খ) পূর্ব দিকে
(গ) দক্ষিণ দিকে
(ঘ) পশ্চিম দিকে
উত্তর – (গ) দক্ষিণ দিকে
১২৯. ‘ডিমভর্তি ঝুড়ির ভূমিরূপ’ বলা হয় –
(ক) ড্রামলিন
(খ) বাজাদা
(গ) লোয়েশ সমভূমি
(ঘ) ইনসেলবার্জ
উত্তর – (ক) ড্রামলিন
অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর :
১. দুটি নদীর মধ্যবর্তী ভূভাগকে কী বলে ?
উত্তর – দোয়াব
২. নদীর জলপ্রবাহ পরিমাপের জন্য কোন একক ব্যবহার করা হয় ?
উত্তর – কিউসেক/ কিউমেক
৩. FPS পদ্ধতিতে নদীর জলপ্রবাহ পরিমাপের একক কী ?
উত্তর – কিউসেক
৪. নদীবাহিত শিলাখণ্ডের দ্বারা নদীখাতের ক্ষয়কে কী বলে ?
উত্তর – অবঘর্ষ ক্ষয়
৫. পৃথিবীর গভীরতম গিরিখাতের নাম কী ?
উত্তর – নেপালের কালীগন্ডক নদীর গিরিখাত ।
৬. যে উচ্চভূমি দুটি নদী ব্যবস্থাকে পৃথক করে তার নাম লেখো । [ ME-2017 ]
উত্তর – জলবিভাজিকা
৭. ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাতটি কোন্ নদীর ওপর গড়ে উঠেছে ?
উত্তর – আফ্রিকার জাম্বেসি নদীর ওপর
৮. জলপ্রপাতের তলদেশে সৃষ্ট গর্তকে কী বলে ?
উত্তর – প্লাঞ্জপুল
৯. পৃথিবীর উচ্চতম জলপ্রপাতটির নাম কী ?
উত্তর – সাল্টো অ্যাঞ্জেল
১০. ধুঁয়াধার জলপ্রপাত কোন নদীর ওপর অবস্থিত ?
উত্তর – নর্মদা
১১. আর্দ্র অঞ্চলে সৃষ্ট ‘V’-আকৃতির নদী উপত্যকাকে কী বলে ?
উত্তর – গিরিখাত
১২. উত্তর আমেরিকার মিসিসিপি-মিসৌরি নদীর বদ্বীপ কোন ধরনের বদ্বীপ সমভূমির উদাহরণ ?
উত্তর – পাখির পা আকৃতির বদ্বীপ
১৩. নদী উপত্যকার পুরোনো ও নতুন ঢালের মিলন বিন্দুকে কী বলে ?
উত্তর – নিকবিন্দু
১৪. নদীর পুনর্যৌবনলাভের ফলে গঠিত একটি ভূমিরূপের নাম লেখো ।
উত্তর – নিকবিন্দুতে সৃষ্ট জলপ্রপাত
১৫. ভারতের উচ্চতম জলপ্রপাতটির নাম কী ? [ ME-2020 ]
উত্তর – কুঞ্চিকল
১৬. পৃথিবীর বৃহত্তম উপত্যকা হিমবাহের নাম কী ? [ ME-2020 ]
উত্তর – আলাস্কর হুবার্ড
১৭. পাদদেশীয় হিমবাহের অগ্রভাগকে কী বলা হয় ?
উত্তর – লোব
১৮. মেরু অঞ্চলে কোন উচ্চতায় হিমরেখা দেখা যায় ? [ ME-2022 ]
উত্তর – সমুদ্রপৃষ্ঠের কাছাকাছি উচ্চতায়
১৯. মহাদেশীয় হিমবাহের বরফমুক্ত শৃঙ্গকে কী বলে ?
উত্তর – নুনাটাকস
২০. ভারতের দীর্ঘতম হিমবাহের নাম কী ?
উত্তর – সিয়াচেন
২১. হিমবাহ ও পর্বতগাত্রের মধ্যে সৃষ্ট ফাটলকে কী বলে ?
উত্তর – বার্গস্রুন্ড
২২. হিমবাহ সৃষ্ট হ্রদকে কী বলে ?
উত্তর – প্যাটারনস্টার হ্রদ
২৩. পৃথিবীর বৃহত্তম ফিয়র্ডের নাম কী ?
উত্তর – নরওয়ের সোজনে
২৪. দুটি পরস্পর সংলগ্ন করির মধ্যবর্তী তীক্ষ্ণ প্রাচীরকে কী বলে ?
উত্তর – অ্যারেট বা এরিটি
২৫. ভারতের একটি পিরামিড চূড়ার উদাহরণ দাও ।
উত্তর – বদ্রীনাথের নীলকন্ঠ শৃঙ্গ
২৬. হিমবাহের তলদেশে ক্ষয়জাত পদার্থ সঞ্চিত হলে তাকে কী বলে ?
উত্তর – ভূমি গ্রাবরেখা
২৭. হিমবাহ ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে গড়ে ওঠা একাধিক ‘নব’-এর মধ্যবর্তী নীচু স্থানগুলিকে কী বলা হয় ?
উত্তর – কেটল
২৮. কেটল হ্রদের নীচে স্তরে স্তরে সঞ্চিত পলিরাশিকে কী বলে ?
উত্তর – ভার্ব
২৯. কেটল-এ জল জমে কী সৃষ্টি হয় ?
উত্তর – কেটল হ্রদ
৩০. গ্রাবরেখা দ্বারা সৃষ্ট ত্রিকোণাকার ভূমিরূপকে কী বলা হয় ?
উত্তর – কেম
৩১. কোন কোন অঞ্চলে বায়ুর কাজ সর্বাধিক প্রভাব বিস্তার করে ?
উত্তর – মরু ও উপকূলীয় অঞ্চলে
৩২. উপকূলীয় বালিয়াড়ির একটি উদাহরণ লেখো ।
উত্তর – কাঁথি বালিয়াড়ি
৩৩. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অপসারণ গর্তকে কী বলা হয় ?
উত্তর – বাফেলো
৩৪. মরু অঞ্চলে বায়ুর ক্ষয়ের ফলে একটি দিক মসৃণ তলযুক্ত যে শিলাখণ্ড বা ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়, তাকে কী বলে ?
উত্তর – ভ্যান্টিফ্যাক্ট
৩৫. পৃথিবীর শুষ্কতম মরুভূমিটির নাম লেখো ?
উত্তর – চিলির আটাকামা
৩৬. ‘ইনসেলবার্জ’ কোন অঞ্চলে দেখা যায় ?
উত্তর – মরু জলবায়ু অঞ্চলে
৩৭. শিলাময় মরুভূমি কী নামে পরিচিত ?
উত্তর – হামাদা
৩৮. ধান্দ কাকে বলে ?
উত্তর – ভারতের রাজস্থানের থর মরুভূমিতে সৃষ্ট অপসারণ গর্তকে ধান্দ বলে ।
৩৯. সাহারায় বালুকাময় মরুভূমি কী নামে পরিচিত ? [ ME-2018 ]
উত্তর – আর্গ
৪০. বায়ুপ্রবাহের সমান্তরালে সৃষ্ট বালিয়াড়িগুলির নাম লেখো । [ ME-2022 ]
উত্তর – সিফ
৪১. পৃথিবীর বৃহত্তম প্লায়াটির নাম কী ?
উত্তর – আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের লা-প্লায়া
৪২. মরুভূমিতে যে শুষ্ক নদী উপত্যকা দেখা যায় তার নাম লেখো । [ ME-2023 ]
উত্তর – ওয়াদি
৪৩. প্লায়াকে মেক্সিকোতে কী বলে ?
উত্তর – বোলসন
৪৪. মরু অঞ্চলের শুষ্ক নদীখাতকে কী বলে ?
উত্তর – ওয়াদি
৪৫. সর্পিল আকৃতির আঁকাবাঁকা বালিয়াড়ি কী নামে পরিচিত ?
উত্তর – অ্যাকলে বালিয়াড়ি
৪৬. ‘লোয়েস’ শব্দটি সর্বপ্রথম কে ব্যবহার করেন ?
উত্তর – ভন রিকটোফেন
৪৭. মরুভূমির মাঝে ‘টেবিল সদৃশ’ ভূমিকে কী বলে ?
উত্তর – মেসা
শূন্যস্থান পূরণ করো :
১. ভূবিজ্ঞানী ___________ প্রথম পর্যায়নের ধারণা দেন।
উত্তর – চেম্বারলিন ও সলিসবারি
2. বিভিন্ন ধরনের বহির্জাত শক্তির দ্বারা ভূমিভাগের সমতলীকরণ ঘটলে তাকে _____________ বলে। [ME-2017 ]
উত্তর – পর্যায়ন
৩. ‘Grade’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন ____________ ।
উত্তর – জি. কে. গিলবার্ট
৪. অভিকর্ষ শক্তির প্রভাবে আবহবিকারজাত পদার্থের ভূমির ঢাল বরাবর ধীরে ধীরে বা দ্রুত নীচের দিকে অপসারণকে _____________ বলে।
উত্তর – পুঞ্জিত ক্ষয়
৫. প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা ভূপৃষ্ঠের ক্ষয়িত পদার্থ উৎপত্তিস্থল থেকে অন্যত্র বাহিত হয়ে সঞ্চিত হলে তাকে বলে।
উত্তর – ক্ষয়ীভবন
৬. আবহবিকার ও ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিভাগের পরিবর্তন করার প্রক্রিয়াকে ____________ বলা হয়। [ ME-2020 ]
উত্তর – নগ্নীভবন
৭. আরোহণ প্রক্রিয়ার বিপরীত প্রক্রিয়াটি হল ___________ ।
উত্তর – অবরোহন
৮. আবহবিকারের ফলে সৃষ্ট শিলাচূর্ণকে _____________ বলে।
উত্তর – রেগোলিথ
৯. আরোহণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভূমির উচ্চতা __________ পায়।
উত্তর – বৃদ্ধি
১০. অবরোহণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভূমির উচ্চতা ___________ পায়।
উত্তর – হ্রাস
১১. _____________ অঞ্চলের প্রধান বহির্জাত প্রক্রিয়ার মাধ্যম হল হিমবাহ।
উত্তর – মেরু / উচ্চ পার্বত্য
১২. পুঞ্জিত ক্ষয়ের প্রধান শক্তি হল ___________ ।
উত্তর – অভিকর্ষজ শক্তি
১৩. স্বাভাবিক ক্ষয়চক্রের শেষ সীমা হল _____________ ।
উত্তর – সমুদ্রতল
১৪. আবহবিকার + ক্ষয়ীভবন + ____________ = নগ্নীভবন।
উত্তর – পুঞ্জিত ক্ষয়
১৫. একটি আদর্শ নদীর ________ টি গতিপথ দেখা যায়।
উত্তর – তিন
১৬. শুষ্ক নদীখাত ‘I’-আকৃতি ধারণ করলে তাকে __________ বলে।
উত্তর – ক্যানিয়ন
১৭. নদীর ক্ষয়চক্রের শেষ সীমায় ___________ দেখা যায়।
উত্তর – সমপ্রায় সমভূমি
১৮. দুটি নদীর মধ্যবর্তী উচ্চভূমিকে বলা হয় __________ ।
উত্তর – জলবিভাজিকা
১৯. দেবপ্রয়াগে ভাগীরথী ও ___________ নদীর মিলনে গঙ্গানদীর সৃষ্টি হয়েছে ।
উত্তর – অলকানন্দা
২০. পার্বত্য প্রবাহে নদীর বুকে সৃষ্ট গর্তকে __________ বলে।
উত্তর – মন্থকূপ
২১. নদীগর্ভে অবঘর্ষ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট গর্তগুলিকে __________ বলে। [ME-2019 ]
উত্তর – মন্থকূপ বা পটহোল
২২. নদীতে জলের পরিমাণ বেশি হলে নদীর বহনক্ষমতা ____________ ।
উত্তর – বাড়ে
২৩. নদীবাহিত প্রস্তরখণ্ডের সঙ্গে নদীগাত্রের ঘর্ষণকে __________ বলে।
উত্তর – অবঘর্ষ
২৪. নদীর সঞ্চয়কাজ সবচেয়ে বেশি হয় _________ গতিতে।
উত্তর – নিম্ন
২৫. পৃথিবীর উচ্চতম জলপ্রপাত হল ____________ ।
উত্তর – ভেনেজুয়েলার সাল্টো-অ্যাঞ্জেল
২৭. _____________ নদীর ওপর চিত্রকূট জলপ্রপাত গড়ে উঠেছে।
উত্তর – ইন্দ্রাবতী
২৮. পৃথিবীর মধ্যে ___________ নদী সবচেয়ে বেশি জল বহন করে থাকে।
উত্তর – আমাজন
২৯. ভারতের উচ্চতম জলপ্রপাত হল _____________ ।
উত্তর – কুঞ্চিকল
৩০. ___________ হল বিশ্বের দীর্ঘতম খাঁড়ি।
উত্তর – ওব নদীর মোহনায় অবস্থিত
৩১. রাইন নদীর বদ্বীপ ___________ ।
উত্তর – ধনুকাকৃতির
৩২. ইটালির তাইবার নদীর বদ্বীপ ____________ বদ্বীপের উদাহরণ।
উত্তর – তীক্ষ্ণাগ্র
৩৩. ফানেল আকৃতির চওড়া নদী মোহানাকে _________ বলে। [ME-2023]
উত্তর – খাঁড়ি
৩৪. নীলনদের বদ্বীপ ___________ আকৃতির। [ME-2022]
উত্তর – ধনুক
৩৫. সুন্দরবন অঞ্চলের বৃহত্তম দ্বীপটির নাম হল _________ ।
উত্তর – সাগর দ্বীপ
৩৬. সিন্ধু নদীর বদ্বীপ হল __________ বদ্বীপের উদাহরণ।
উত্তর – পক্ষীপদ
৩৭. ভারতের মাজুলি একটি __________ ।
উত্তর – নদীদ্বীপ
৩৮. পৃথিবীর বৃহত্তম বদ্বীপ হল ___________ ।
উত্তর – গঙ্গা – ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপ
৩৯. ব্রহ্মপুত্র নদেই সৃষ্টি হয়েছে ভারতের বৃহত্তম নদীদ্বীপ __________ ।
উত্তর – মাজুলি
৪০. পৃথিবীর বৃহত্তম পার্বত্য উপত্যকা হিমবাহ হল _________ ।
উত্তর – আলাস্কার হুবার্ড
৪১. পৃথিবীর বৃহত্তম পাদদেশীয় হিমবাহ হল
উত্তর – আলাস্কার মালাসপিনা
৪২. পৃথিবীর দ্রুততম হিমবাহ _____________ ।
উত্তর – জেকবসভ্যান
৪৩. ___________ হিমবাহ থেকে হিমশৈলের সৃষ্টি হয়।
উত্তর – মহাদেশীয়
৪৪. __________ হল করি হ্রদের অপর নাম ।
উত্তর – টার্ন
৪৫. পর্বতগাত্রে যে সীমারেখার নীচে বরফ গলে যায় তাকে _________ বলে।
উত্তর – হিমরেখা
৪৬. সমুদ্রের জলে ভাসমান বিশালাকার বরফের স্তূপকে __________ বলে
উত্তর – লোব
৪৭. হিমবাহপৃষ্ঠে আড়াআড়ি ও সমান্তরাল ফাটলগুলিকে বলে। [ ME-2018 ]
উত্তর – ক্রেভাস
৪৮. দুটি করির মধ্যবর্তী উচ্চ অংশকে ________ বলে। [ ME-2022 ]
উত্তর – অ্যারেট
৪৯. সার্ক দেখতে __________-এর মতো।
উত্তর – ডেকচেয়ার
৫০. ‘U’ আকৃতির হিমবাহ উপত্যকাকে বলে।
উত্তর – হিমদ্রোণি
৫১. নদী উপত্যকায় হিমবাহের ক্ষয়কাজের ফলে ________ সৃষ্টি হয়।
উত্তর – হিমদ্রোণি
৫২. অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্রাকৃতির ফিয়র্ডগুলিকে __________ বলে।
উত্তর – ফিয়ার্ড
৫৩. ঝুলন্ত উপত্যকায় নদীর জলপ্রবাহের ফলে __________ সৃষ্টি হয়।
উত্তর – জলপ্রপাত
৫৪. হিমবাহ দ্বারা ক্ষয়প্রাপ্ত চারিদিক মসৃণ ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট ঢিবিকে __________ বলে ।
উত্তর – কুঁজ
৫৫. The land of Fjords’ বা ‘ফিয়র্ডের দেশ’ বলা হয়-কে।
উত্তর – নরওয়ে
৫৬. হিমবাহ ও জলধারা বাহিত নুড়ি, বালি, কাঁকর ইত্যাদি সঞ্চিত হয়ে দীর্ঘ সংকীর্ণ আঁকাবাঁকা শৈলশিলার মতো ভূমিরূপকে ________ বলে। [ ME-2017 ]
উত্তর – এসকার
৫৭. বালি দ্বারা গঠিত মরুভূমি সাহারায় ________ নামে পরিচিত।
উত্তর – আর্গ
৫৮. মরুভূমির শুষ্ক নদীখাতকে বলা হয় ________ ।
উত্তর – ওয়াদি
৫৯. অর্ধচন্দ্রাকার বালিয়াড়িকে __________ বলে।
উত্তর – বার্খান
৬০. মরু অঞ্চলে চলমান বালিয়াড়িকে ____________ বলে ।
উত্তর – ধ্রিয়ান
৬১. ব্যাঙের ছাতার ন্যায় ভূমিরূপ ______ ক্ষয়কার্যের ফলে গঠিত হয়।
উত্তর – বায়ুর
৬২. প্রায় সমতল মরুভূমির মধ্যে বিক্ষিপ্তভাবে দাঁড়িয়ে থাকা কঠিনত শিলা দ্বারা গঠিত টিলাগুলিকে ________ বলে।
উত্তর – ইনসেলবার্জ
৬৩. দুটি সিফ বালিয়াড়ির মধ্যবর্তী করিডরকে সাহারায় ________ বলে।
উত্তর – গাসি
৬৪. উন্ষ মরু অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহের পথে আড়াআড়িভাবে গঠিত বালিয়াড়িকে _________ বলে।
উত্তর – অনুপ্রস্থ বা তির্যক বালিয়াড়ি
৬৫. ওয়াদি ________ জলবায়ু অঞ্চলে দেখা যায়।
উত্তর – মরু
৬৬. মরুভূমি অঞ্চলে ক্ষুদ্র লবণাক্ত হ্রদকে বলে ________ ।
উত্তর – ধান্দ
৬৭. বায়ুপ্রবাহের সঙ্গে সমান্তরালে _________ বালিয়াড়ি গড়ে ওঠে।
উত্তর – সিফ
Mark – 2
১. ক্ষয়ীভবন কাকে বলে ?
উত্তর – ক্ষয়ীভবন: যে প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি, যেমন-নদী, হিমবাহ, বায়ু ও সমুদ্রতরঙ্গ দ্বারা ভূপৃষ্ঠের ক্ষয়িত পদার্থ উৎপত্তিস্থল থেকে অন্যত্র পরিবাহিত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ক্ষয়ীভবন বলে।
প্রকৃতি: ক্ষয়ীভবনের মাধ্যমে পদার্থের স্থান পরিবর্তন ঘটায়, এটি একটি গতিশীল প্রক্রিয়া।
২. আবহবিকারের সংজ্ঞা লেখো।
উত্তর – আবহবিকার : এই (Weathering) শব্দটি এসেছে ইংরেজি শব্দ ‘Weather’ থেকে। আবহবিকার হল ভূমিরূপ গঠনকারী এক-প্রকারের বহির্জাত প্রক্রিয়া। আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান তথা বায়ুর উয়তা, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত প্রভৃতি দ্বারা ভূপৃষ্ঠের শিলাসমূহের যান্ত্রিক পদ্ধতিতে চূর্ণবিচূর্ণ ও রাসায়নিক পদ্ধতিতে বিয়োজিত হওয়াকে আবহবিকার বলা হয়।
৩. পুঞ্জিত ক্ষয় (Mass Wasting) কী ?
উত্তর – পুঞ্জিত ক্ষয়: আবহবিকারজাত শিলা যখন পর্বত বা মালভূমির ঢাল বরাবর অভিকর্ষের টানে নীচের দিকে নেমে আসে, সেই প্রক্রিয়াকে পুঞ্জিত ক্ষয় বলে।
নিয়ন্ত্রক: আবহবিকারের মাত্রা ও ভূমিভাগের ঢালের পরিমাণের ওপর পুঞ্জিত ক্ষয়ের পরিমাণ নির্ভর করে।
৪. নগ্নীভবন কাকে বলে ? [ME-2019 ]
উত্তর – নগ্নীভবন : আবহবিকার, পুঞ্জিত ক্ষয় ও ক্ষয়ীভবন -এই তিনটি প্রাকৃতিক শক্তির ক্রিয়ার ফলে ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগের শিলাস্তর ক্ষয়িত ও অপসারিত হয় এবং নীচের শিলাস্তর ভূপৃষ্ঠে উন্মুক্ত হলে তাকে নগ্নীভবন বলে।
নগ্নীভবন = আবহবিকার + পুঞ্জিত ক্ষয় + ক্ষয়ীভবন।
৫. পর্যায়নের সংজ্ঞা দাও। [ ME-2022] [ অথবা] ক্রমায়ন বলতে কী বোঝো ?
উত্তর – পর্যায়ন: বহির্জাত প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তিসমূহ দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষয়, বহন ও সঞ্চয় কার্যের মাধ্যমে ভূমির উপরিভাগের বন্ধুরতা অপসারিত করে কোনো অঞ্চলকে ক্ষয়সীমার সাপেক্ষে প্রায় সমতল বা সমপ্রায়ভূমিতে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে পর্যায়ন বা ক্রমায়ন (Gradation) বলা হয়।
প্রকৃতি: অবরোহণ ও আরোহণ প্রক্রিয়ার সম্মিলিত ফল হল পর্যায়ন।
নামকরণ: ভূমিরূপ বিজ্ঞানী চেম্বারলিন এবং সলিসবারি সর্বপ্রথম পর্যায়ন কথাটি ব্যবহার করেন।
৬. কিউসেক ও কিউমেক কী ?
উত্তর – কিউসেক ও কিউমেক হল নদীর জলপ্রবাহ মাপার একক।
কিউসেক: নদীর কোনো নির্দিষ্ট অংশ দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে যত ঘনফুট জল প্রবাহিত হয়, তাকে কিউসেক বলে। FPS পদ্ধতিতে নদীর জলপ্রবাহ পরিমাপের একক হল কিউসেক।
কিউমেক: নদীর কোনো নির্দিষ্ট অংশ দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে যত ঘনমিটার জল প্রবাহিত হয়, তাকে কিউমেক বলে। CGS পদ্ধতিতে নদীর জলপ্রবাহ পরিমাপের একক হল কিউমেক।
৭. নদীর ধারণ অববাহিকা কী ?
উত্তর – ধারণ অববাহিকা: উচ্চভূমি বা পার্বত্য অঞ্চলে প্রধান নদী, তার উপনদী-সহ ছোটো ছোটো জলধারার মাধ্যমে যতটা অঞ্চলের জল ধারণ করে, সেই অঞ্চলকেই ওই নদীর ধারণ অববাহিকা বলে।
৮. ষষ্ঠঘাতের সূত্র কী ?
উত্তর – ষষ্ঠঘাতের সূত্র: নদীর গতিবেগ যদি কোনো কারণে দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায়, তবে সেই নদীর বহন করার ক্ষমতা 26 গুণ বা 64 গুণ বৃদ্ধি পায়, অর্থাৎ, নদীর বহন ক্ষমতা ও গতিবেগের এই আনুপাতিক সম্পর্ককে ষষ্ঠঘাতের সূত্র বলে।
আবিষ্কারক: ইংল্যান্ডের প্রখ্যাত গাণিতিক ও ভূবিজ্ঞানী William Hopkins, 1842 খ্রিস্টাব্দে এই সূত্রটি আবিষ্কার করেন।
৯. আদর্শ নদী (Ideal River) কাকে বলে ? [পর্ষদ নমুনা প্রশ্ন]
উত্তর – আদর্শ নদী: যে নদীর গতিপথে পার্বত্য প্রবাহ বা উচ্চগতি, সমভূমি প্রবাহ বা মধ্যগতি এবং বদ্বীপ প্রবাহ বা নিম্নগতি সুস্পষ্টভাবে লক্ষ করা যায়, সেই নদীকে আদর্শ নদী বলে। যেমন-ভারতের প্রধান নদী গঙ্গার গতিপথে এই তিনটি গতিই লক্ষ করা যায়, তাই গঙ্গা একটি আদর্শ নদী।
প্রবাহপথ: গঙ্গার তিনটি প্রবাহপথ হল – গোমুখ থেকে হরিদ্বার পর্যন্ত উচ্চগতি বা পার্বত্য প্রবাহ, হরিদ্বার থেকে রাজমহল পর্যন্ত মধ্যগতি বা সমভূমি প্রবাহ এবং রাজমহল থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত নিম্নগতি বা বদ্বীপ প্রবাহ।
১০. অবঘর্ষ প্রক্রিয়া কী ? [ME-2015]
উত্তর – অবঘর্ষ প্রক্রিয়া: অবঘর্ষ কথাটির আক্ষরিক অর্থ হল ‘ঘর্ষণ জনিত ক্ষয়’। নানান প্রাকৃতিক শক্তির মধ্যে প্রধানত নদী, হিমবাহ ও বায়ুর ক্ষয়কাজের একটি অন্যতম ক্ষয় প্রক্রিয়া হল অবঘর্ষজনিত ক্ষয়। নদী, হিমবাহ ও বায়ু দ্বারা বাহিত শিলাখণ্ডের সঙ্গে ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগ এবং নদী উপত্যকার তলদেশে ঘর্ষণ বা সংঘর্ষ হয়। এই ঘর্ষণ বা সংঘর্ষের ফলে শিলাস্তর ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে বিভিন্ন আকৃতির গর্তের সৃষ্টি হয় ও শিলা মসৃণ হয়ে যায়, একেই অবঘর্ষ প্রক্রিয়া বলে।
১১. জলবিভাজিকার সংজ্ঞা দাও। [ME-2023]
উত্তর – জলবিভাজিকা: যে উচ্চভূমি দুই বা ততোধিক নদী অববাহিকাকে পৃথক করে, তাকে জলবিভাজিকা বলে। জলবিভাজিকার বিভিন্ন দিকে বয়ে যাওয়া জল একাধিক ছোটো ছোটো জলধারার মধ্যে দিয়ে বয়ে গিয়ে এবং পরস্পর মিলিত হয়ে প্রধান নদী তৈরি করে। উল্লেখ্য, জলবিভাজিকাকে নদী বিভাজিকাও বলা হয়ে থাকে। যেমন-ভারতের বিন্ধ্য পর্বত, পশ্চিমঘাট পর্বত।
১২. ক্যানিয়ন কাকে বলে ?
উত্তর – ক্যানিয়ন: কোনো নদী বৃষ্টিহীন শুষ্ক মরু পার্বত্য বা মালভূমি অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলে বৃষ্টিপাতের অভাবে নদীর পার্শ্বক্ষয় একেবারেই হয় না। ফলে এই অঞ্চলের কোমল শিলার ওপরে ওই খরস্রোতা নদী নিম্নক্ষয় ও কম পার্শ্বক্ষয়ের দ্বারা খাড়া ঢালবিশিষ্ট যে সংকীর্ণ ও গভীর খাতের সৃষ্টি করে, তাকে ক্যানিয়ন বলে। যেমন-আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো নদীর গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন, তিব্বতের সাংপো নদীর সাংপো ক্যানিয়ন প্রভৃতি।
১৩. মন্থকূপ কী ?
উত্তর – মন্থকূপ: পার্বত্য প্রবাহে নদীবাহিত নুড়ি, প্রস্তরখণ্ড প্রভৃতি অবঘর্ষ প্রক্রিয়ায় নদীর তলদেশে কোমল শিলায় আঘাত করে ছোটো ছোটো গোলাকার গর্ত সৃষ্টি করে, একে মন্থকূপ বলে। অসংখ্য পটহোল বা মন্থকূপ একসঙ্গে গড়ে উঠলে তাকে পটহোল কলোনি বলে। পটহোল সৃষ্টির মাধ্যমে নদীখাতের গভীরতা বাড়তে থাকে। যেমন – তিস্তা নদীতে মন্থকূপ দেখা যায়।
১৪. পলল ব্যজনী কী ?
উত্তর – পলল ব্যজনী: নদী উচ্চগতিতে পর্বতের খাড়া ঢাল পরিত্যাগ করে যখন মধ্যগতিতে পর্বতের পাদদেশীয় অঞ্চলে প্রবেশ করে তখন পলল শঙ্কুর মধ্য দিয়ে নদী একাধিক খাতে বিভক্ত হয়ে অর্ধগোলাকার ও ত্রিকোণাকার হাতপাখার ন্যায় মৃদু ঢালু ভূমিরূপ সৃষ্টি করে, তাকে পলল ব্যজনী বা পলল শাখা বলে। যেমন-গঙ্গার মধ্যগতির শুরুতে হৃষিকেশে পলল ব্যাজনী দেখা যায়।
১৫. পলল শঙ্কু কী ? [ME-2022]
উত্তর – পলল শঙ্কু: নদী যখন উচ্চগতি বা পার্বত্য প্রবাহ অতিক্রম করে মধ্যগতিতে প্রবেশ করে তখন ভূমির ঢাল হঠাৎ কমে যাওয়ায় নদীর জলের গতিবেগ ও বহন ক্ষমতা উভয়ই কমে যায়। ফলে নদীবাহিত পদার্থসমূহ পর্বতের পাদদেশে সঞ্চয় করে ত্রিকোণাকার ভূমি বা শঙ্কু আকৃতির ভূমিরূপ গঠন করে। এইরূপ ত্রিভূজাকার ভূমিরূপকে পলল শঙ্কু বলে। যেমন-শিবালিক হিমালয়ের পাদদেশে বহু পলিশঙ্কু বা পলল শঙ্কু গড়ে উঠেছে।
১৬. প্রপাতকূপ কাকে বলে ? [ME-2020]
উত্তর – প্রপাতকূপ: পার্বত্য বা মালভূমি অঞ্চলে নদীর প্রবাহপথে ভূমির ঢালের হঠাৎ পরিবর্তন ঘটলে জলপ্রপাতের সৃষ্টি হয়। জলপ্রপাতের নীচে যেখানে জল প্রবলবেগে পড়ে, সেখানে বড়ো হাঁড়ির মতো যে গর্তের সৃষ্টি হয়, একে প্রপাতকূপ বা প্লাঞ্জপুল বলে। যেমন-ইন্দ্রাবতী নদীর ওপর অবস্থিত চিত্রকূট জলপ্রপাতের ঠিক নীচে গঠিত প্রপাতকূপ।
১৭. মিয়েন্ডার কী ? [ME-2016]
উত্তর – মিয়েন্ডার: নদীর মধ্যগতিতে মিয়েন্ডার বা আঁকাবাঁকা নদীপথ গঠিত হয়। সমভূমিতে ভূমির ঢাল কমে যায় এবং জলবাহিত পদার্থের পরিমাণ বাড়ে। এর ফলে নদীর শক্তি কমে যাওয়ায় নদী সামান্য বাধাও অতিক্রম করতে না পেরে এঁকেবেঁকে ধীর গতিতে প্রবাহিত হয়।
১৮. পাখির পায়ের মতো বদ্বীপ কীভাবে গঠিত হয় ? [ME-2017]
উত্তর – পাখির পায়ের মতো বদ্বীপ: প্রধান নদী যখন অসংখ্য শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত হয়ে সমুদ্রের দিকে দীর্ঘ ও সংকীর্ণ আকারে অগ্রসর হয়, তখন নদীবাহিত পদার্থসমূহ সমুদ্রের বহুদূর পর্যন্ত বাহিত হয়ে সঞ্চিত হয়। পরবর্তী সময়ে সেই সঞ্চিত পদার্থসমূহ জেগে উঠে পাখির পায়ের মতো বদ্বীপ সৃষ্টি করে। তাই একে পক্ষীপদ বদ্বীপ (Bird’s Foot Delta) বলে। যেমন – মেক্সিকো উপসাগরে সৃষ্ট মিসিসিপি-মিসৌরি নদীর বদ্বীপ।
১৯. স্বাভাবিক বাঁধ কাকে বলে ?
উত্তর – স্বাভাবিক বাঁধ: সমভূমি ও বদ্বীপ প্রবাহে ভূমির ঢাল কম হওয়ায় নদীগর্ভে পলি, বালি, কাদা ক্রমাগত সঞ্চিত হয়ে অগভীর হয়ে পড়ে। এই অগভীর নদীখাতের মধ্য দিয়ে বাহিত পদার্থসমূহ নদী বহন করতে না পেরে দুই তীর বরাবর সমান্তরালে সঞ্চয় করে। আবার প্লাবনের পর নদীর ধারে ছড়িয়ে যাওয়া পলি ও বালি মিশ্রিত জল পুনরায় তীর বরাবর ফিরে এসে সঞ্চিত হয়। এইরূপ সঞ্চয়ের ফলে নদীর দুই তীর ক্রমশ বাঁধের মতো উঁচু হয়, একে স্বাভাবিক বাঁধ বলে।
২০. হিমরেখা কী ?
উত্তর – হিমরেখা: মেরুপ্রদেশে ও উচ্চ পার্বত্য অংশের যে কাল্পনিক সীমারেখার ওপরে তুষার জমে এবং যার নীচে তুষার গলে জলে পরিণত হয়, তাকে হিমরেখা বলে। সকল স্থানে ও সকল ঋতুতে হিমরেখা স্থায়ী হয় না।
শ্রেণিবিভাগ: স্থায়িত্ব অনুযায়ী হিমরেখা দু-ভাগে বিভক্ত। যথা – (ক) স্থায়ী হিমবাহ (খ) অস্থায়ী হিমবাহ । হিমরেখার স্থায়িত্ব অক্ষাংশ অনুযায়ী ও ঋতু অনুযায়ী নির্ধারণ করা যায়। যেমন-হিমালয়ে 3900-4800 মিটার উচ্চতায় হিমরেখা অবস্থিত।
২১. হিমরেখার উচ্চতা সর্বত্র সমান হয় না কেন ?
উত্তর – হিমরেখার উচ্চতার পার্থক্যের কারণসমূহ: হিমরেখার উচ্চতা সর্বত্র সমান না হওয়ার কারণগুলি হল –
(ক) অক্ষাংশের পার্থক্য: অক্ষাংশ অনুযায়ী হিমরেখার উচ্চতার হ্রাসবৃদ্ধি ঘটে।
(খ) উষ্ণতা : মেরু অঞ্চলে বায়ুর উন্নতা কম হওয়ায় হিমরেখার উচ্চতা সর্বনিম্ন হয় অন্যদিকে নিরক্ষীয় অঞ্চলে উয়তা বেশি হওয়ায় তা বেশি উচ্চতায় অবস্থান করে।
(খ) ভূমিঢাল: সূর্যমুখী ভূমিঢালের উন্নতা বেশি হওয়ায় হিমরেখা বেশি উচ্চতায় অবস্থান করে আবার এর বিপরীত ঢালে হিমরেখার উচ্চতা কম হয়।
২২. নুনাটাকস কী ?
উত্তর – নুনাটাকস: মহাদেশীয় হিমবাহের গভীরতা কমলে বরফযুক্ত পর্বতশৃঙ্গগুলির বরফের স্তর নীচে নেমে যাওয়ায় তা বরফমুক্ত হয়ে পড়ে। তখন তুষার অনাবৃত পর্বতশৃঙ্গ দ্বীপের ন্যায় অবস্থান করে, একে নুনাটাকস বলে। যেমন-কুমেরু অঞ্চলে মাউন্ট তাকাহি একটি নুনাটাকস।
২৩. বার্গস্রুন্ড কী ? [ ME-2017 ]
উত্তর – বার্গস্রুন্ড: বার্গসুন্ড (জার্মান শব্দ) কথাটির অর্থ হল ‘পার্বত্য ফাটল’ । সুউচ্চ পার্বত্য অঞ্চলের খাড়া ঢাল -বরাবর পার্বত্য উপত্যকায় হিমবাহ মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে নীচে নেমে আসার সময় বরফাবৃত পর্বতগাত্র এবং হিমবাহের মধ্যে যে গভীর ও সংকীর্ণ ফাঁক বা ফাটলের সৃষ্টি হয়, তাকে বার্গসুন্ড বলে।
বৈশিষ্ট্যসমূহ: বার্গস্রুন্ড -এর বৈশিষ্ট্যগুলি হল-(ক) বার্গমুন্ডগুলির গড় গভীরতা 90-100 মিটার পর্যন্ত হয়। (খ) বার্গমুন্ড পর্বতারোহীদের জন্য প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে।
২৪. ক্রেভাস কাকে বলে ?
উত্তর – ক্রেভাস : হিমবাহ যখন অধিক অসম ঢালযুক্ত পার্বত্য উপত্যকার ওপর দিয়ে নীচে নেমে আসতে থাকে, তখন হিমবাহের প্রবাহের গতির তারতম্য ঘটে। এর ফলে হিমবাহের উপরিপৃষ্ঠে টানজনিত কারণে এক বা একাধিক আড়াআড়ি বা অনুভূমিক ফাটলের সৃষ্টি হয়। এই ফাটল-গুলিকে ক্রেভাস বলা হয়।
২৫. হিমদ্রোণী কী ?
উত্তর – হিমদ্রোণী : হিমবাহ দ্বারা সৃষ্ট উপত্যকাকে হিমদ্রোণী বলা হয়। প্রধানত হিমবাহ যে পার্বত্য উপত্যকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়, সেই উপত্যকাটি প্রধানত হিমবাহের পার্শ্বক্ষয় ও নিম্নক্ষয়ের মাধ্যমে প্রশস্ত মসৃণ তলদেশ এবং পার্শ্বদেশ খাড়া ঢালবিশিষ্ট ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের ন্যায় হয়ে থাকে, তাকে হিমদ্রোণী বলে।
২৬. অ্যারেট কী ?
উত্তর – অ্যারেট : পাশাপাশি দুটি সার্ক ক্রমশ ক্ষয়ের ফলে পশ্চাদপসারণ করতে থাকলে দুটি সার্কের মাঝের অংশটি সংকীর্ণ হয়ে খাঁজ কাটা তীক্ষ্ণ প্রাচীরের আকারে অবস্থান করে, একে অ্যারেট বলে।
২৭. হিমশৈল কী ? [ ME-2018 ]
উত্তর – হিমশৈল : সমুদ্রতরঙ্গের আঘাতে মহাদেশীয় হিমবাহের প্রান্তভাগ বা মহাদেশীয় হিমবাহের অংশবিশেষ ভেঙে গিয়ে মহাসাগরে প্রবেশ করে। সেজন্য মহাসাগরে ভাসমান বিশালাকৃতির বরফের স্তূপকে হিমশৈল বলে। হিমশৈলের 1/9 অংশ জলের ওপর ভাসমান থাকে। এগুলি অনেক সময় জাহাজ চলাচলে বাধার সৃষ্টি করে।
২৮. হিমবাহ উপত্যকা ‘U’-আকৃতি হওয়ার কারণ কী ?
উত্তর – হিমবাহ উপত্যকা ‘U’-আকৃতির হওয়ার কারণগুলি হল –
(ক) হিমবাহের ভার বেশি হওয়ায় পার্বত্য উপত্যকায় নিম্নক্ষয় বেশি হয় ।
(খ) হিমবাহ যেহেতু কঠিন পদার্থ সেহেতু উপত্যকার তলদেশ এবং পার্শ্বদেশে সমানচাপ প্রযুক্ত হওয়ায় এবড়ো-খেবড়ো অংশ সমানভাবে কেটে প্রবাহিত হয়।
(গ) অবঘর্ষ প্রক্রিয়ার ক্ষয়কার্যের মাধ্যমে হিমবাহ উপত্যকা মসৃণ হয়।
(ঘ) হিমবাহ উপত্যকায় নদীর মতো গভীরতম প্রবাহে কোনো রেখা থাকে না । ফলে তলদেশ প্রশস্ত হয়।
২৯. ঝুলন্ত উপত্যকা বলতে কী বোঝো ?
উত্তর – ঝুলন্ত উপত্যকা: প্রধান নদীতে যেমন উপনদী এসে মিলিত হয়, ঠিক তেমনি পার্বত্য উপত্যকায় অনেক ছোটো ছোটো উপহিমবাহ প্রধান হিমবাহে এসে মিলিত হয়ে থাকে। প্রধান হিমবাহের আকৃতি, আয়তন ও ওজন বেশি হওয়ায় সুগভীর উপত্যকার সৃষ্টি করে।
অন্যদিকে উপহিমবাহগুলির উপত্যকা সুগভীর না হওয়ায় এদের মিলনস্থল ভিন্ন তলে অবস্থান করে। হিমবাহ সরে গেলে মনে হয় যেন, উপহিমবাহগুলি প্রধান হিমবাহে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে, তাই একে ঝুলন্ত উপত্যকা বলা হয়। যেমন -হিমালয়ে অবস্থিত নর পর্বতের কুবের উপত্যকা।
৩০. রসে মতানে কী ?
উত্তর – রসে মতানে: সুউচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে হিমবাহের প্রবাহপথে উঁচু ঢিবি বা অক্ষয়প্রাপ্ত কঠিন শিলাখন্ড অবস্থান করলে হিমবাহের অবঘর্ষ ক্ষয়ের ফলে শিলাখণ্ডের প্রতিবাত ঢালটি (প্রবাহের দিক) আঁচড়কাটা দাগযুক্ত মসৃণ হয়। কিন্তু অনুবাত ঢালটি (বিপরীত দিক) হিমবাহের উৎপাটন ক্ষয় প্রক্রিয়ার প্রভাবে অমসৃণ, ভগ্ন ও ফাটলযুক্ত হয়ে থাকে। এইরূপ ভূমিরূপকে রসে মতানে বলা হয়। যেমন-হিমালয়, আল্পস ও কানাডীয় শিল্ডের পার্বত্য উপত্যকার বিভিন্ন অংশে এইরূপ ভূদৃশ্য লক্ষ করা যায়।
৩১. ড্রামলিন কী ? [ অথবা ] ‘Basket of Egg Topography’ বলতে কী বোঝো ?
উত্তর – ড্রামলিন: ড্রামলিন (আইরিশ শব্দ) কথার আক্ষরিক অর্থ হল – ‘ঢিবি’ । হিমবাহ দ্বারা বাহিত বিভিন্ন আকৃতির শিলাখন্ড, নুড়ি, কাঁকর, বালি, পলি, কাদা প্রভৃতি পদার্থসমূহ কোনো স্থানে সঞ্চিত হয়ে যে উলটানো নৌকা বা চামচের ন্যায় ভূমিরূপের সৃষ্টি করে, তাকে ড্রামলিন বলা হয়। অনেক সংখ্যক ড্রামলিন একত্রে অবস্থান করলে তা ‘ডিম ভরতি ঝুড়ির’ ন্যায় দেখতে হয় বলে একে ‘Basket of Egg Topography’-ও বলা হয়।
৩২. গ্রাবরেখা কী ?
উত্তর – গ্রাবরেখা : ফরাসি ভাষায় মোরেন বা গ্রাবরেখার আক্ষরিক অর্থ হল প্রস্তর ও মৃত্তিকা গঠিত প্রান্ত। পার্বত্য উপত্যকায় হিমবাহের ক্ষয়কাজের ফলে সৃষ্ট পদার্থসমূহ (কাদা, বালি, পলিকণা, শিলা বা প্রস্তরখণ্ড প্রভৃতি) হিমবাহের সঙ্গে বাহিত হয়ে হিমদ্রোণীর বিভিন্ন অংশে স্তূপাকারে সঞ্চিত হয়। এইসব সঞ্চিত পদার্থকে গ্রাবরেখা (Moraine) বলে। অবস্থান, আকৃতি ও প্রকৃতি অনুসারে গ্রাব-রেখাকে বিভিন্নভাবে শ্রেণিবিভক্ত করা যায়। যেমন-ভারতের কাশ্মীর উপত্যকা এবং পশ্চিমবঙ্গের তিস্তা নদীর উচ্চ অববাহিকায় (লাচুং ও লাচেন অঞ্চল) বিভিন্ন ধরনের গ্রাবরেখা লক্ষ করা যায়।
৩৩. এসকার কাকে বলে ?
উত্তর – এসকার: হিমবাহবাহিত বিভিন্ন আকৃতির শিলাখণ্ড, নুড়ি, কাঁকর, বালি, পলি প্রভৃতি পর্বতের পাদদেশে জলের দ্বারা বাহিত হয়ে এবং নিম্নভূমিতে বিচ্ছিন্ন বা অবিচ্ছিন্নভাবে সঞ্চিত হয়ে দীর্ঘ আঁকাবাঁকা সংকীর্ণ নাতি উচ্চ শৈলশিরার ন্যায় ভূমিরূপ গঠন করে, তাকে এসকার বলে। যেমন-নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্ক, কানাডা ও আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরাংশে এসকারের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়।
৩৪. গৌর কাকে বলে ?
উত্তর – গৌর: মরু অঞ্চলে বায়ুর অবঘর্ষ প্রক্রিয়ায় ক্ষয়কার্যের ফলে বৃহদাকৃতি শিলাখণ্ডের নিম্নাংশের কোমল শিলা দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, কিন্তু ঊর্ধ্বাংশের কঠিন শিলা ক্ষয়প্রাপ্ত না হয়ে বেশ প্রশস্ত থাকে। ফলে ব্যাং-এর ছাতা আকৃতিবিশিষ্ট শিলাখণ্ডের সৃষ্টি হয়, একে গৌর বা গারা বা মাশরুম রক বলে । যেমন – আফ্রিকার সাহারা মরুভূমিতে গৌর দেখা যায় ।
৩৫. ইনসেলবার্জ কাকে বলে ? [ ME-2023 ]
উত্তর – ইনসেলবার্জ: ‘Inselberg’ একটি জার্মান শব্দ। এর অর্থ হল ‘আইল্যান্ড হিল’ বা দ্বীপশৈল । প্রধানত মরু অঞ্চলে দীর্ঘদিন যাবৎ বায়ুর ক্ষয়কাজ এবং বায়ু ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সমগ্র ভূমির উচ্চতা কমে গিয়ে সমপ্রায়ভূমিতে পরিণত হয়। এই সমপ্রায়ভূমির ওপর কম ক্ষয়প্রাপ্ত নাতিউচ্চ (30-300 মি) কঠিন শিলাগঠিত গোলাকার শীর্ষদেশ, মসৃণ গাত্রদেশ এবং খাড়া ঢালবিশিষ্ট বিচ্ছিন্ন অবশিষ্ট পাহাড়কে ইনসেলবার্জ বলে। যেমন-আফ্রিকার কালাহারি মরুভূমিতে ইনসেলবার্জ দেখা যায়।
৩৬. প্লায়া কী ?
উত্তর – প্লায়া: শুষ্ক মরু বা মরুপ্রায় অঞ্চলে পর্বতবেষ্টিত অববাহিকায় বায়ু ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে যে অবনমিত লবণাক্ত জলের হ্রদের সৃষ্টি হয়, তাকে প্লায়া বলে। যেমন-ভারতে সম্বর হ্রদ, চিনের তারিম অববাহিকার ল্যাপনর হ্রদ।
বিভিন্ন নাম: প্লায়া হ্রদ রাজস্থানে ধান্দ, সাহারায় শট, আরবে খাবারি, অস্ট্রেলিয়ায় প্যান প্রভৃতি নামে পরিচিত।
৩৭. বাজাদা কী ?
উত্তর – বাজাদা : পেডিমেন্ট থেকে আসা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জলধারাবাহিত সূক্ষ্ম ও স্থূল দানার পদার্থ পেডিমেন্টের ঠিক নীচ থেকে প্লায়ার মধ্যবর্তী অংশে সঞ্চিত হয়ে যে মৃদু ঢালু সমতলভূমির সৃষ্টি করে, তাকে বাজাদা বলে। Bajada শব্দটি স্পেনীয় শব্দ ‘Bahada’ থেকে এসেছে। এর অর্থ ‘পাশাপাশি সৃষ্ট একাধিক পলল পাখা পরস্পর যুক্ত এক সমভূমি বিশেষ’।
৩৮. পেডিমেন্ট কী ?
উত্তর – অর্থ: Pediment-এর ‘Pedi’ কথার অর্থ হল ‘পাদদেশ’ এবং ‘Mont’ কথার অর্থ হল ‘পাহাড়’।
ধারণা: মরু অঞ্চলে পর্বতের পাদদেশে বায়ু ও জলধারার মিলিত কাজের ফলে গঠিত শিলাময় মৃদু ঢালযুক্ত প্রায় সমতল ভূমিকে পেডিমেন্ট বলে। পেডিমেন্টের ভূমির ঢাল 1°-7° ডিগ্রি হয়। এই ভূমিটি পর্বতের পাদদেশ থেকে বাইরের দিকে ঢালু হয়। বিভিন্ন আকৃতির নুড়ি ও প্রস্তরখণ্ড সঞ্চিত হয়ে একটি অসমতল ভূমিরূপ গড়ে তোলে।
নামকরণ: ভূবিজ্ঞানী জি কে গিলবার্ট 1882 খ্রিস্টাব্দে সর্বপ্রথম পেডিমেন্ট-এর নামকরণ করেন।
৩৯. মরূদ্যান কী ?
উত্তর – মরুদ্যান: মরুভূমির বৃক্ষ্ম-শুষ্ক প্রকৃতির মাঝে কোনো জলাশয়ের চারপাশে উদ্ভিদঘেরা সবুজ উদ্যানের ন্যায় যে পরিবেশ সৃষ্টি হয়, তাকে মরূদ্যান বলা হয়।
উৎপত্তি: মরু অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে কোনো একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল থেকে বালুকারাশি ক্রমাগত অপসারণ কার্যের ফলে অঞ্চলটি অবনমিত হয়ে পড়ে। এই অপসারণজনিত অবনমনের ফলে একসময় ভৌমজল-স্তর উন্মুক্ত হয়ে জলাশয় গড়ে ওঠে। ফলে বালুকাসিক্ত হয়ে সেখানে গাছপালা জন্মে মরূদ্যান সৃষ্টি করে। যেমন-সাহারার কাতারা মরুদ্যান পৃথিবীবিখ্যাত।
৪০. ওয়াদি কী ?
উত্তর – ওয়াদি : মরুভূমিতে হঠাৎ বৃষ্টিপাত হলে যে জলধারার সৃষ্টি হয়, তাতে বালি, কাঁকর, কাদা প্রভৃতি বাহিত হয়ে অস্থায়ী নদী-খাতের সৃষ্টি করে। এই অস্থায়ী শুষ্ক নদীখাতকে ওয়াদি বলে। যেমন-আরবের রাব-আল-খালি মরুভূমিতে শুষ্ক নদীখাত দেখা যায়।
৪১. ধ্রিয়ান কী ? [ অথবা ] চলমান বালিয়াড়ি কাকে বলে ?
উত্তর – ধ্রিয়ান : রাজস্থানের মরু অঞ্চলে চলমান বালিয়াড়িকে প্রিয়ান বলে। বালিয়াড়িগুলি বায়ুপ্রবাহের প্রভাবে ক্রমাগত অগ্রসর হয়, এই সমস্ত বালিয়াড়ির প্রতিবাত ঢালের বালি ক্রমশ অনুবাত ঢালের দিকে সঞ্চিত হতে থাকে। এর ফলে বায়ুর গতির দিকে বালিয়াড়িগুলি চলমান হয়। এই চলমান বালিয়াড়িগুলি বছরে 50 সেমি করে এগিয়ে যায়।
৪২. অপসারণ গর্ত কাকে বলে ? [ অথবা ] ব্লো আউট কাকে বলে ?
উত্তর – অপসারণ গর্ত: মরু অঞ্চলে বায়ুর অপসারণ কার্যের ফলে শিথিল বালুকারাশি স্থানান্তরিত হয়ে কয়েক মিটার গভীর এবং কয়েকশো মিটার থেকে কয়েক কিমি ব্যাসযুক্ত যেসব গর্তের সৃষ্টি হয়। সেসব গর্তগুলিকে অপসারণ গর্ত বা ব্লো আউট বা মরুখাত বলে। যেমন-আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে ‘বাফেলো গর্ত’, মিশরে কাতারা, ভারতের থর মরুভূমিতে ‘ধান্দ’ প্রভৃতি।
৪৩. অপসারণ গর্ত কীভাবে সৃষ্টি হয় ? [ ME-2018 ]
উত্তর – অপসারণ গর্ত সৃষ্টির পদদ্ধতি: মরুভূমি অঞ্চলে কোনো কোনো স্থানে অসংবদ্ধ ও শিথিল বালুকারাশির অবস্থান লক্ষ করা যায়। প্রবল বায়ুপ্রবাহের প্রভাবে এই সমস্ত স্থানের বালুকারাশি অপসারিত হয়ে অন্যত্র স্থানান্তরিত হয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়। ক্রমান্বয়ে বছরের পর বছর বালুকারাশির অপসারণের ফলে গর্তের গভীরতা ও আয়তন বৃদ্ধি পায়। এইভাবে অপসারণ গর্তের সৃষ্টি হয়।
৪৪. তির্যক বালিয়াড়ির সংজ্ঞা দাও । [ অথবা ] বার্খান কী ? [ ME-2022 ]
উত্তর – তির্যক বালিয়াড়ি বা বার্খান: বায়ুপ্রবাহের সঙ্গে সমকোণে বা আড়াআড়িভাবে গড়ে ওঠা বালিয়াড়ি তির্যক বালিয়াড়ি নামে পরিচিত। এই তির্যক বালিয়াড়ির প্রান্তভাগগুলি বায়ুর দ্বারা বেঁকে আধখানা চাঁদের মতো দেখতে হলে তাকে বার্খান বলে। বার্খান-এর প্রতিবাত দিক অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহের দিক উত্তল ও মৃদুঢাল যুক্ত হয় এবং অনুবাত দিক অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহের বিপরীত দিক অবতল ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়।
৪৫. বায়ু কী কী প্রক্রিয়ায় ক্ষয়কাজ করে থাকে ?
উত্তর – বায়ুর ক্ষয়কার্যের পদদ্ধতিসমূহ : বায়ু মূলত তিনটি প্রক্রিয়ায় ক্ষয়কাজ করে থাকে, সেগুলি হল – (ক) অপসারণজনিত ক্ষয় (খ) অবঘর্ষজনিত ক্ষয় (গ) ঘর্ষণজনিত ক্ষয়
৪৬. মরুকরণ বলতে কী বোঝো ?
উত্তর – মরুকরণ: যে প্রক্রিয়ায় মরুভূমি সংলগ্ন উৎপাদনশীল উর্বর জমি ক্রমশ পরিচর্যার অভাবে উৎপাদনে অক্ষম অনুর্বর মরুভূমিতে পরিণত হয়, তাকে মরুকরণ বলা হয়। 1992 খ্রিস্টাব্দে ব্রাজিলের – রিও-ডি-জেনিরো শহরে অনুষ্ঠিত বসুন্ধরা সম্মেলনে (Earth Summit) মরুকরণের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, শুষ্ক ও প্রায় শুষ্ক এবং শুষ্ক উপ-আর্দ্র অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তন ও মানুষের বিভিন্ন ধরনের ক্রিয়াকলাপসহ নানাবিধ কারণে ভূমির গুণগত মানের অবনমন ঘটলে, তাকে মরুকরণ বলা হয়।
অন্যদিকে, UNESCO এবং FAO-এর সংজ্ঞা অনুসারে বলা যায়, “ভূমির জৈবিক ক্ষমতা হ্রাস ঘটলে অথবা ভূমির উৎপাদন ক্ষমতা ধ্বংস হলে, যে প্রতিকূল মরুসদৃশ অস্বাভাবিক চরমভাবাপন্ন পরিবেশের সৃষ্টি হয়, তাকে মরুকরণ বলা হয়।
৪৭. মরু প্রসারণের দুটি কারণ লেখো ।
উত্তর – মরু প্রসারণের কারণসমূহ: মরু প্রসারণের দুটি কারণ হল –
(ক) বিশ্ব উন্নায়ন: শিল্পায়ন, নগরায়ণ এবং যানবাহনের সংখ্যা উত্তোরোত্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে ক্রমশ বায়ুমণ্ডলের উন্নতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা বিশ্ব উন্নায়ন ঘটাচ্ছে। এই বিশ্ব উন্নায়ন মরু প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। সাগর দাস সর
(খ) বৃক্ষচ্ছেদন: মরুপ্রায় অঞ্চলে ব্যাপক হারে বৃক্ষচ্ছেদন মরু সম্প্রসারণের একটি কারণ।
Mark – 3
১. নদীর মোহানায় বদ্বীপ কেন গড়ে ওঠে ব্যাখ্যা করো । [ ME-2018 ]
উত্তর – নদীর মোহানায় বদ্বীপ গড়ে ওঠার কারণসমূহ : নিম্নগতিতে নদীর মোহানায় বদ্বীপ গড়ে ওঠার কারণগুলি হল –
(ক) নদীর স্রোতের স্বল্প বেগ: মোহানায় নদী কম গতিবেগে সমুদ্রে মিশলে নদীবাহিত পলি, বালি, কাদাকণা প্রভৃতি সঞ্চয়ের হার বৃদ্ধি পায়।
(খ) মোহানায় ভূমির স্বল্প ঢাল ও সমুদ্রের গভীরতা: মোহানাস্থলে ভূমির ঢাল কম থাকার জন্য নদীর গতিবেগ কমে যায়। এর ফলে অগভীর সমুদ্রে পলি সঞ্চয়ের সুযোগ থাকে।
(গ) মোহানার জলরাশির বেশি লবণাক্ততা: মোহানায় সমুদ্রের জলের লবণাক্ততা বেশি হলে নদীবাহিত পদার্থসমূহ সহজেই অধঃক্ষিপ্ত হয়।
(ঘ) সুদীর্ঘ নদী: নদীর দৈর্ঘ্য বেশি হলে স্বাভাবিকভাবেই পলির জোগান বেশি হয়। যা মোহানায় বদ্বীপ সৃষ্টির জন্য অনুকূল হয়।
(ঙ) বিপরীতমুখী সমুদ্রস্রোত: মোহানায় বিপরীতমুখী সমুদ্রস্রোত নদীবাহিত পললসমূহের অবক্ষেপণে সহায়তা করে।
২. সব নদীর মোহানায় বদ্বীপ গড়ে ওঠে না কেন ? [ অথবা ] সব নদীর মোহানায় বদ্বীপ সৃষ্টি হয় না কেন ?
উত্তর – সকল নদীর মোহানায় বদ্বীপ গড়ে না ওঠার কারণসমূহ: পৃথিবীর সব নদীর মোহানায় বদ্বীপ গড়ে ওঠে না। তার কারণগুলি হল-
(ক) কঠিন শিলাযুক্ত নদীর প্রবাহপথ: কোনো নদী যদি কঠিন প্রাচীন শিলাযুক্ত অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, তাহলে নদী বেশি ক্ষয় করতে পারে না। ফলে নদীতে পলি, বালি, কাঁকর, নুড়ির পরিমাণ কম থাকে।
(খ) নদীর দৈর্ঘ্য: নদীর দৈর্ঘ্য কম হলে নদীতে জলের জোগান কম হয়, তেমনই নদীবাহিত পদার্থের পরিমাণও কম হয়। ফলে বদ্বীপ গড়ে ওঠে না।
(গ) অববাহিকার আয়তন: নদী অববাহিকার আয়তন কম হলে নদীতে ক্ষয়িত শিলাচূর্ণের পরিমাণ কম থাকে।
(ঘ) মোহানায় ভূমির ঢাল: নদীর মোহানায় ভূমির ঢাল অত্যন্ত খাড়াই হলে নদীবাহিত পদার্থসমূহ অতি দ্রুত সমুদ্রে নিক্ষিপ্ত হয়।
(ঙ) নদীর গতিবেগ: নদীতে যদি সারাবছর প্রচুর জলের জোগান থাকে এবং নদীর জলপ্রবাহের গতিবেগ যদি তীব্র হয়, তাহলে নদীর মোহানায় বদ্বীপ গড়ে ওঠার সুযোগ থাকে না। যেমন-আমাজন নদীর মোহানা।
৩. অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ কীভাবে সৃষ্টি হয় ?
উত্তর – অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ সৃষ্টির পদদ্ধতিসমূহ: নদীর মধ্য ও নিম্নপ্রবাহে ভূমির ঢাল কমে যাওয়ায় অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদের সৃষ্টি হয়। এই হ্রদ সৃষ্টির বিভিন্ন পর্যায়গুলি হল-
(ক) নদী তার প্রবাহপথে ভূমির ঢাল কমে যাওয়ায় নদীর গতিবেগও কমে যায়। এর ফলে জলের পরিমাণ বাড়লেও নদী সামান্য বাধা পেলে তা এড়িয়ে যাওয়ার জন্য এঁকেবেঁকে প্রবাহিত হয়।
(খ) নদী এঁকেবেঁকে প্রবাহিত হলে নদীবাঁকের যে অংশে (সামনের দিকে) জলের গতিবেগ বেশি থাকে সেই অংশে ক্ষয় বেশি হয়। এর ফলে খাড়া ঢালের (অবতল ঢালের) সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে ক্ষয়প্রাপ্ত পদার্থসমূহ অবতল ঢালের বিপরীত অংশে সঞ্চিত হয়ে উত্তল ঢালের সৃষ্টি করে।
(গ) ক্রমাগত অবতল ঢালে ক্ষয় এবং উত্তল ঢালে সঞ্চয়কার্যের ফলে নদীবাঁক ক্রমশ বৃদ্ধি পায়।
(ঘ) নদীবাঁক ক্রমশ বৃদ্ধি পেলে দুটি বাঁক খুবই কাছাকাছি এসে পড়ে। একসময় বাঁক মধ্যবর্তী অংশটি ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে অবলুপ্ত হয়। এইসময় নদীটি বাঁকাপথ ছেড়ে সোজাসুজি প্রবাহিত হয়। অন্যদিকে নদীবাঁকের বিচ্ছিন্ন অংশটি ঘোড়ার খুরের মতো হ্রদের আকারে অবস্থান করে, যা অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ নামে পরিচিত।
৪. ঝুলন্ত উপত্যকায় জলপ্রপাত সৃষ্টি হয় কেন ?
উত্তর – ঝুলন্ত উপত্যকায় জলপ্রপাত সৃষ্টির কারণ: প্রধান নদীতে যেমন উপনদী এসে পড়ে, তেমনই প্রধান উপত্যকা হিমবাহে বহু উপ-উপত্যকা হিমবাহ এসে পড়ে। এভাবে, প্রধান উপত্যকা হিমবাহে বরফের পরিমাণ বেশি থাকার জন্য নিম্নক্ষয় হয়ে গভীর হয়। অপরদিকে, উপহিমবাহ উপত্যকায় বরফের পরিমাণ কম থাকে বলে বেশি নিম্নক্ষয় হয় না। বরফমুক্ত হওয়ার পর দেখা যায় উপহিমবাহ উপত্যকাগুলি প্রধান হিমবাহ উপত্যকার সঙ্গে একতলে এসে মেশেনি, প্রধান উপত্যকা থেকে বেশ উঁচুতে অবস্থান করছে। এভাবে উঁচুতে অবস্থিত উপ-উপত্যকাগুলিকে ঝুলন্ত উপত্যকা বলা হয়। ঝুলন্ত উপত্যকার মধ্যে দিয়ে নদী প্রবাহিত হলে সেখানে নদীর জল প্রবলবেগে নীচে পতিত হয়ে জলপ্রপাতের সৃষ্টি করে। উত্তর আমেরিকার যশোমাইতি (Yosemite) উপত্যকায় অবস্থিত ঝুলন্ত উপত্যকার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত মারসেদ (Merced) নদী বহু জলপ্রপাতের সৃষ্টি করেছে। যেমন-নেভাদা জলপ্রপাত, ভারনাল জলপ্রপাত ও ব্রাইডালভেল জলপ্রপাত।
৫. উষ্ন মরু অঞ্চলে বায়ুর কার্যের প্রাধান্য দেখা যায় কেন ? [ ME-2017; 2022 ]
উত্তর – উষ্ন মরু অঞ্চলে বায়ুর কার্যের প্রাধান্য দেখা যাওয়ার কারণগুলি হল –
(ক) যান্ত্রিক আবহবিকারের প্রাধান্য: মরু অঞ্চলে উয়তার ব্যাপক তারতম্যের জন্য প্রস্তরচাঁই খন্ডীকরণ, শল্কমোচন, ক্ষুদ্রকণা বিশরণ প্রভৃতি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিলা ক্রমশ শিলাখণ্ড এবং ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণায় পরিণত হয়। যা বায়ুর কাজের প্রধান উপাদান।
(খ) বৃষ্টির স্বল্পতা বা অপ্রতুলতা: মরু ও মরুপ্রায় অঞ্চলে বৃষ্টি হয় না বললেই চলে। ফলে ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগের শিলাস্তর আলগা ও শিথিল থাকে। সে কারণে বায়ু সহজেই ভূমিরূপের পরিবর্তনে অংশগ্রহণ করে।
(গ) উদ্ভিদ শূন্যতা: স্বাভাবিক উদ্ভিদের শিকড় মাটিকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে রাখে। কিন্তু মরু অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে অনাবৃষ্টি বা স্বল্প বৃষ্টিপাতের জন্য বড়ো উদ্ভিদ জন্মাতে পারে না। ফলে শিথিল ও আলগা শিলাস্তরের ওপর দিয়ে বায়ু বাধাহীনভাবে প্রবলবেগে প্রবাহিত হয়।
আরও পড়ুন –
অসুখী একজন কবিতার প্রশ্ন উত্তর
আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি প্রশ্ন উত্তর