বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ প্রশ্ন উত্তর // প্রথম অধ্যায় // Class 10 Geography Chapter 1 Question Answer

বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ প্রশ্ন উত্তর // প্রথম অধ্যায় // Class 10 Geography Chapter 1 Question Answer

বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ

Class 10 Geography Chapter 1 Question Answer

১. যে প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি ভূপৃষ্ঠের ওপর কাজ করে ভূমিরূপের পরিবর্তন ঘটায়, তাকে বলে –  [ ME-2017 ]

(ক) বহির্জাত প্রক্রিয়া

(খ) অন্তর্জাত প্রক্রিয়া

(গ) গিরিজনি আলোড়ন

(ঘ) মহিভাবক আলোড়ন

উত্তর (ক) বহির্জাত প্রক্রিয়া

২. যে প্রক্রিয়ায় ভূপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায়, তাকে বলে – [ME-2019]

(ক) আরোহণ প্রক্রিয়া

(খ) অবরোহণ প্রক্রিয়া

(গ) আবহবিকার প্রক্রিয়া

(ঘ) নগ্নীভবন প্রক্রিয়া

উত্তর (ক) আরোহণ প্রক্রিয়া

৩. যে প্রক্রিয়ায় অভিকর্ষের টানে উচ্চভূমির ঢাল বরাবর মাটি ওশিলাস্তর নেমে আসে, তাকে বলে – (ME-2020)

(ক) আবহবিকার

(খ) পর্যায়ন প্রক্রিয়া

(গ) অন্তর্জাত প্রক্রিয়া

(ঘ) পুঞ্জিত ক্ষয় প্রক্রিয়া

উত্তর (ঘ) পুঞ্জিত ক্ষয় প্রক্রিয়া

৪. যে প্রক্রিয়ায় ভূমির উচ্চতা হ্রাস পায় তাকে বলে  – [ ME-2022 ]

(ক) অগ্ন্যুদ্গম

(খ) আরোহণ

(গ) অবরোহণ

(ঘ) পর্যায়ন

উত্তর (গ) অবরোহণ

৫. আরোহণ ও অবরোহণ প্রক্রিয়ায় সম্মিলিত ফলাফল হল –

(ক) ক্ষয়ীভবন

(খ) পুঞ্জিত ক্ষয়

(গ) নগ্নীভবন

(ঘ) পর্যায়ন

উত্তর (ঘ) পর্যায়ন

৬. সর্বাধিক প্রভাব বিস্তারকারী বহির্জাত শক্তি হল –

(ক) নদী

(খ) বায়ু

(গ) হিমবাহ

(ঘ) সমুদ্রতরঙ্গ

উত্তর (ক) নদী

৬. ভূমির সম উচ্চতার সাধারণ তল গঠনের প্রক্রিয়াটি হল –

(ক) অবরোহণ

(খ) আরোহণ

(গ) ক্ষয়ীভবন

(ঘ) পর্যায়ন

উত্তর (ঘ) পর্যায়ন

৭. পর্যায়ন (Gradation) শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন –

(ক) মরগান ও ওয়েগনার

(খ) চেম্বারলিন ও সলিসবারি

(গ) জিমারম্যান ও আর্থার

(ঘ) ডেভিস ও পেংক

উত্তর (খ) চেম্বারলিন ও সলিসবারি

৮. যে প্রক্রিয়ায় প্রাকৃতিক শক্তির মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের পদার্থের স্থানও পরিবর্তন হয়, তাকে বলে –

(ক) পর্যায়ন প্রক্রিয়া

(খ) নগ্নীভবন প্রক্রিয়া

(গ) ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়া

(ঘ) আবহবিকার প্রক্রিয়া

উত্তর (গ) ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়া

৯. যে প্রক্রিয়ার দ্বারা ভূমির ঢাল সুষম হয় –

(ক) আরোহণ

(খ) পাতসংস্থানা

(গ) অধঃক্ষেপণ

(ঘ) পর্যায়ন

উত্তর (ঘ) পর্যায়ন

১০. শিলাচূর্ণ অপসারিত হয়ে নীচু অঞ্চলে সঞ্চিত হওয়ার প্রক্রিয়াকেও বলা হয় –

(ক) আরোহণ

(খ) অবরোহণ

(গ) পুঞ্জক্ষয়

(ঘ) পর্যায়ন

উত্তর (ক) আরোহণ

১১. অবরোহণ প্রক্রিয়ায় প্রাকৃতিক শক্তির ক্ষয়কার্যের শেষ সীমা হল –

(ক) পর্বত

(খ) মালভূমি

(গ) সমভূমি

(ঘ) সমুদ্রপৃষ্ঠ

উত্তর (ঘ) সমুদ্রপৃষ্ঠ

১২. বিভিন্ন সঞ্চয়জাত ভূমিরূপ গঠিত হয় যে পদ্ধতিতে –

(ক) পর্যায়ন

(খ) অবরোহণ

(গ) আরোহণ

(ঘ) পুঞ্জিত ক্ষয়

উত্তর (গ) আরোহণ

বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ

১৩. গাঙ্গেয় বদ্বীপ হল –

(ক) পর্যায়ন প্রক্রিয়ার ফল

(খ) আরোহণ প্রক্রিয়ার ফল

(গ) অবরোহণ প্রক্রিয়ার ফল

(ঘ) আবহবিকার প্রক্রিয়ার ফল

উত্তর (খ) আরোহণ প্রক্রিয়ার ফল

১৪. পর্যায়ন প্রক্রিয়া হল একটি –

(ক) বহির্জাত প্রক্রিয়া

(খ) অন্তর্জাত প্রক্রিয়া

(গ) মহাজাগতিক প্রক্রিয়া

(ঘ) মৃত্তিকাসৃষ্ট প্রক্রিয়া

ত্তর – (ক) বহির্জাত প্রক্রিয়া

১৫. আবহবিকার, পুঞ্জিত ক্ষয় এবং ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়াকে একত্রে বলে –

(ক) ক্ষুদ্রকণা বিশরণ

(খ) নগ্নীভবন

(গ) রেগোলিথ

(ঘ) অপসারণ

উত্তর (খ) নগ্নীভবন

১৬. যে প্রক্রিয়ায় অসমতল বন্ধুর ভূমি অপসারিত হয়ে সমতল বা প্রায় সমতলে পরিণত হয়, তাকে বলে –[ME-2023]

(ক) নগ্নীভবন

(খ) আরোহণ

(গ) পর্যায়ন

(ঘ) অবরোহণ

উত্তর (গ) পর্যায়ন

১৭. যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষয়, বহন এবং সঞ্চয়ের মধ্যে সামঞ্জস্যতৈরি হয়, তা হল –

(ক) আরোহণ

(খ) অবরোহণ

(গ) পর্যায়ন

(ঘ) নগ্নীভবন

উত্তর (গ) পর্যায়ন

১৮. অবরোহণ প্রক্রিয়ার অপর নাম হল –

(ক) ক্ষয়কাজ

(খ) অবক্ষেপণ

(গ) সঞ্চয়কাজ

(ঘ) পর্যায়ন

উত্তর (ক) ক্ষয়কাজ

১৯. আরোহণ প্রক্রিয়ার অপর নাম হল –

(ক) ক্ষয়সাধন

(খ) পরিবহণ

(গ) অবক্ষেপণ

(ঘ) সঞ্চালন

উত্তর (গ) অবক্ষেপণ

২০. পুঞ্জিত ক্ষয় প্রক্রিয়ায় আবহবিকারজাত পদার্থ যে শক্তির দ্বারা স্থানান্তরিত হয়, তা হল –

(ক) নদী

(খ) অভিকর্ষ শক্তি

(গ) হিমবাহ

(ঘ) বায়ুপ্রবাহ

উত্তর (খ) অভিকর্ষ শক্তি

২১. নিম্নভূমির উচ্চতা বৃদ্ধি পায় -[পর্ষদ নমুনা প্রশ্ন]

(ক) আরোহণ প্রক্রিয়ায়

(খ) অবরোহণ প্রক্রিয়ায়

(গ) অবঘর্ষ প্রক্রিয়ায়

(ঘ) নগ্নীভবন প্রক্রিয়ায়

উত্তর (ক) আরোহণ প্রক্রিয়ায়

২২. যে ক্ষয় প্রক্রিয়ায় নদী উপত্যকার তলদেশ ও পার্শ্বদেশ ক্ষয় দ্বারা উপত্যকার গভীরতা বৃদ্ধি পায়, তা হল –

(ক) জলপ্রবাহ ক্ষয়

(খ) অবঘর্ষ ক্ষয়

(গ) ঘর্ষণ ক্ষয়

(ঘ) দ্রবণ ক্ষয়

উত্তর (খ) অবঘর্ষ ক্ষয়

২৩.ভূমিরূপ পরিবর্তনে কোনটির প্রভাব সর্বাধিক ?

(ক) নদী

(খ) বায়ু

(গ) হিমবাহ

(ঘ) সমুদ্রতরঙ্গ

উত্তর (ক) নদী

২৪. গঙ্গোত্রী হিমবাহের গোমুখ গুহা থেকে হরিদ্বার পর্যন্ত হল গঙ্গার –

(ক) নিম্নগতি

(খ) উচ্চগতি

(গ) মধ্যগতি

(ঘ) উচ্চ ও মধ্যগতি

উত্তর (খ) উচ্চগতি

২৫. হরিদ্বার থেকে বিহারের রাজমহল পাহাড় পর্যন্ত হল গঙ্গার –

(ক) উচ্চগতি

(খ) মধ্যগতি

(গ) নিম্নগতি

(ঘ) মধ্য ও নিম্নগতি

উত্তর (খ) মধ্যগতি

২৬. রাজমহল পাহাড় থেকে বঙ্গোপসাগরের মোহানা পর্যন্ত হল গঙ্গার –

(ক) উচ্চগতি

(খ) নিম্নগতি

(গ) মধ্য ও নিম্নগতি

(ঘ) মধ্যগতি

উত্তর (খ) নিম্নগতি

২৭.নদীর গতিবেগের সঙ্গে বহনক্ষমতা বৃদ্ধির যে সম্পর্ক, তাকে বলা হয় –

(ক) ষষ্ঠঘাতের সূত্র

(খ) মহাকর্ষ সূত্র

(গ) ফেরেলের সূত্র

(ঘ) বাইস ব্যালট সূত্র

উত্তর (ক) ষষ্ঠঘাতের সূত্র

২৮. যে প্রক্রিয়ায় নদীবাহিত প্রস্তরখণ্ড পরস্পরের সংঘর্ষের ফলে ভেঙে গিয়ে নুড়ি, বালি প্রভৃতিতে পরিণত হয়, তাকে বলে

(ক) অবঘর্ষ ক্ষয়

(খ) দ্রবণ ক্ষয়

(গ) জলপ্রবাহ ক্ষয়

(ঘ) ঘর্ষণ ক্ষয়

উত্তর (ঘ) ঘর্ষণ ক্ষয়

২৯. বৃষ্টিযুক্ত আর্দ্র অঞ্চলে যে প্রাকৃতিক শক্তি ভূমিরূপ পরিবর্তনে মুখ্য ভূমিকা নেয় তা হল

(ক) হিমবাহ

(খ) বায়ু

(গ) নদী

(ঘ) সূর্যতাপ

উত্তর (গ) নদী

৩০. দুটি নদী অববাহিকার মধ্যবর্তী উচ্চভূমিকে বলে  – [ME-2022]

(ক) জলবিভাজিকা

(খ) স্বাভাবিক বাঁধ

(গ) নদীমঞ

(ঘ) দোয়াব

উত্তর (ক) জলবিভাজিকা

৩১. শুষ্ক অঞ্চলের গিরিখাতকে বলা হয় [ME-2018]

(ক) ক্যানিয়ন

(খ) ‘V’ আকৃতির উপত্যকা

(গ) মন্থকূপ

(ঘ) ধান্দ

উত্তর (ক) ক্যানিয়ন

৩২. ক্যানিয়ন দেখা যায়

(ক) আর্দ্র অঞ্চলে

(খ) শুষ্ক অঞ্চলে

(গ) সমভূমি অঞ্চলে

(ঘ) বদ্বীপ অঞ্চলে

উত্তর (খ) শুষ্ক অঞ্চলে

৩৩. অতি গভীর ‘I’ আকৃতির উপত্যকাকে বলে

(ক) গিরিখাত

(খ) ক্যানিয়ন

(গ) কর্তিত স্পার

(ঘ) প্লাঞ্জপুল

উত্তর (খ) ক্যানিয়ন

৩৪. বৃহদাকৃতির জলপ্রপাতকে বলা হয়

(ক) কাসকেড

(খ) ক্যাটারেক্ট

(গ) জলপ্রপাত

(ঘ) র‍্যাপিড

উত্তর (খ) ক্যাটারেক্ট

৩৫. জলপ্রপাতের পাদদেশে গঠিত ভূমিরূপটি হল

(ক) মন্থকূপ

(খ) প্রপাতকূপ

(গ) ওয়াদি

(ঘ) প্লায়া

উত্তর (খ) প্রপাতকূপ

৩৬. সাংপো ক্যানিয়ন পৃথিবীর

(ক) দীর্ঘতম

(খ) গভীরতম

(গ) সুন্দরতম

(ঘ) প্রশস্ততম

উত্তর (খ) গভীরতম

৩৭. পৃথিবীর বৃহত্তম জলপ্রপাতটি হল

(ক) ভিক্টোরিয়া

(খ) নায়াগ্রা

(গ) সল্টো অ্যাঞ্জেল

(ঘ) স্ট্যানলি বা বোয়ামা

উত্তর (ঘ) স্ট্যানলি বা বোয়ামা

৩৮. নদীবাঁকের উত্তল অংশে যে সঞ্চয় হয়, তাকে বলে

(ক)পলল শঙ্কু

(খ) স্বাভাবিক বাঁধ

(গ) বিন্দুবার

(ঘ) বদ্বীপ

উত্তর (গ) বিন্দুবার

৩৯. গেরসোপ্পা জলপ্রপাত অবস্থিত

(ক) কৃষ্ণা নদীতে

(খ) গোদাবরী নদীতে

(গ) সরাবতী নদীতে

(ঘ) নর্মদা নদীতে

উত্তর (গ) সরাবতী নদীতে

৪০. নিকবিন্দু জলপ্রপাতের উদাহরণ হল

(ক) কপিলধারা

(খ) চিত্রকূট

(গ) দশম

(ঘ) যোগ

উত্তর (গ) দশম

৪১. প্রপাতকূপ সৃষ্টি হয়

(ক) হিমবাহের দ্বারা

(খ) নদীর দ্বারা

(গ) বায়ুর দ্বারা

(ঘ) সমুদ্রতরঙ্গের দ্বারা

উত্তর (খ) নদীর দ্বারা

৪২. নদীর প্রবাহপথ বা উপত্যকা সিঁড়ির ধাপের ন্যায় নীচে নেমে এলে, তাকে বলে

(ক) ক্যাটারাক্ট

(খ) কাসকেড

(গ) র‍্যাপিড

(ঘ) খরস্রোতা

উত্তর (খ) কাসকেড

৪৩. পৃথিবীর উচ্চতম জলপ্রপাত হল

(ক) সাল্টো অ্যাঞ্জেল

(খ) নায়াগ্রা

(গ) যোগ

(ঘ) কুঞ্চিকল

উত্তর (ক) সাল্টো অ্যাঞ্জেল

৪৪. মধ্য ও নিম্নগতিতে নদীর আঁকাবাঁকা গতিপথের নামকরণ করা হয়েছে কার নামানুসারে ?

(ক) মিসিসিপি

(খ) মিয়েন্ড্রস

(গ) মহানদী

(ঘ) নিলনদ

উত্তর (খ) মিয়েন্ড্রস

৪৫. পলল ব্যজনী সৃষ্টি হয় নদীর

(ক) উচ্চগতিতে

(খ) মধ্যগতিতে

(গ) নিম্নগতিতে

(ঘ) বদ্বীপ প্রবাহে

উত্তর (খ) মধ্যগতিতে

৪৬. গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন যে নদীতে দেখা যায়

(ক) আমাজন

(খ) কলোরাডো

(গ) নীলনদ

(ঘ) মিসিসিপি

উত্তর (খ) কলোরাডো

৪৭. পাখির পায়ের মতো আকৃতির বদ্বীপ গঠিত হয়েছে[পর্ষদ নমুনা প্রশ্ন; ME-2018]

(ক) নীলনদের মোহানায়

(খ) সিন্ধুনদের মোহানায়

(গ) হোয়াংহোর মোহানায়

(ঘ) মিসিসিপি-মিসৌরির মোহানায়

উত্তর (ঘ) মিসিসিপি-মিসৌরির মোহানায়

৪৮. দুটি নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলকে বলে

(ক) দোয়াব

(খ) জলবিভাজিকা

(গ) নদীখাত

(ঘ) প্লাবনভূমি

উত্তর (ক) দোয়াব

৪৯. নদীর গতিবেগ দ্বিগুণ হলে বহন ক্ষমতা হয়

(ক) 4 গুণ

(খ) 16 গুণ

(গ) 64 গুণ

(ঘ) 128 গুণ

উত্তর – () 64 গুণ

৫০. লবণযুক্ত শিলাস্তরের উপর নদীর প্রধান ক্ষয়প্রক্রিয়াটি হল [ME-2017]

(ক) অবঘর্ষ ক্ষয়

(খ) ঘর্ষণ ক্ষয়

(গ) জলপ্রবাহ ক্ষয়

(ঘ) দ্রবণ ক্ষয়

উত্তর (ঘ) দ্রবণ ক্ষয়

৫১. ভারতের কোন নদীর মোহানায় পাখির পায়ের মতো বদ্বীপ দেখা যায় ?

(ক) সুবর্ণরেখা

(খ) মহানদী

(গ) নর্মদা নদী

(ঘ) কৃষ্ণা নদী

উত্তর (ঘ) কৃষ্ণা নদী

৫২. নীলনদের বদ্বীপটি হল

(ক) তীক্ষ্ণাগ্র বদ্বীপ

(খ) ধনুকাকৃতি বদ্বীপ

(গ) পাখির পায়ের বদ্বীপ

(ঘ) কাসপেট বদ্বীপ

উত্তর (খ) ধনুকাকৃতি বদ্বীপ

৫৩. শিবসমুদ্রম জলপ্রপাতটি অবস্থিত

(ক) কাবেরী নদীতে

(খ) মাহী নদীতে

(গ) কৃষ্ণা নদীতে

(ঘ) নর্মদা নদীতে

উত্তর (ক) কাবেরী নদীতে

৫৪. পৃথিবীর বৃহত্তম বদ্বীপ হল

(ক) আমাজনের বদ্বীপ

(খ) নীলনদের বদ্বীপ

(গ) গঙ্গা-পদ্মা-মেঘনার বদ্বীপ

(ঘ) মিসিসিপি নদীর বদ্বীপ

উত্তর (গ) গঙ্গা-পদ্মা-মেঘনার বদ্বীপ

৫৫. একটি তীক্ষ্ণাগ্র বদ্বীপের উদাহরণ হল

(ক) স্পেনের রিয়ো এবরো

(খ) ইটালির পো

(গ) জার্মানির রাইন

(ঘ) ভারতের মহানদী

ত্তর – (ক) স্পেনের রিয়ো এবরো

৫৬. নদীর নিক পয়েন্টের মধ্যে সৃষ্টি হয়

(ক) অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ

(খ) প্লাবনভূমি

(গ) জলপ্রপাত

(ঘ) পলল শঙ্কু

উত্তর (গ) জলপ্রপাত

৫৭. পলিশঙ্কু গঠিত হয় নদীর

(ক) পার্বত্য গতিতে

(খ) বদ্বীপ গতিতে

(গ) মধ্য গতিতে

(ঘ) উচ্চ ও মধ্যগতির সংযোগস্থলে

উত্তর (ঘ) উচ্চ ও মধ্যগতির সংযোগস্থলে

৫৮. অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ দেখা যায় নদীর

(ক) উচ্চপ্রবাহে

(খ) নিম্নপ্রবাহে

(গ) মধ্যপ্রবাহে

(ঘ) মধ্য ও নিম্ন প্রবাহে

উত্তর (ঘ) মধ্য ও নিম্ন প্রবাহে

৫৯. পৃথিবীর বৃহত্তম নদী অববাহিকা হল

(ক) গঙ্গানদীর অববাহিকা

(খ) আমাজন নদীর অববাহিকা

(গ) নীলনদের অববাহিকা

(ঘ) মিসিসিপি নদীর অববাহিকা

উত্তর (খ) আমাজন নদীর অববাহিকা

৬০. মালভূমির খাড়া ঢাল বেয়ে কোনো নদী প্রবাহিত হয়ে যে জলপ্রপাত সৃষ্টি করে, তাকে বলে

(ক) মন্থকূপ

(খ) প্রপাতকূপ

(গ) আর্তের্জীয় কূপ

(ঘ) স্কার্পপ্রপাত

উত্তর (ঘ) স্কার্পপ্রপাত

৬১. নদীর মধ্যগতিতে সঞ্চয়জাত ভূমিরূপ হল

(ক) প্রপাতকূপ

(খ) বদ্বীপ

(গ) খরস্রোতা

(ঘ) পলল ব্যজনী

উত্তর (ঘ) পলল ব্যজনী

৬২. পৃথিবীর দীর্ঘতম খাঁড়ি দেখা যায়

(ক) পদ্মা নদীতে

(খ) ইয়াংসি কিয়াং-এ

(গ) ওব নদীতে

(ঘ) নীলনদে

উত্তর (গ) ওব নদীতে

৬৩. পৃথিবীর বৃহত্তম নদী মধ্যবর্তী দ্বীপ হল

(ক) মাজুলি

(খ) ইলহা-দ্য-মারাজো

(গ) সুন্দরবন

(ঘ) লিভি

উত্তর (খ) ইলহা-দ্য-মারাজো

৬৪. নদী কয়টি প্রক্রিয়ায় বহনকাজ করে থাকে ?

(ক) 3টি

(খ) 4টি

(গ) 5টি

(ঘ) 6

উত্তর (খ) 4টি

৬৫. পৃথিবীর দীর্ঘতম ও বৃহত্তম মহাদেশীয় হিমবাহটি হল

(ক) ল্যামবার্ট

(খ) মালাসপিনা

(গ) হুবার্ড

(ঘ) পিটারম্যান

উত্তর (ক) ল্যামবার্ট

৬৬. পৃথিবীর দীর্ঘতম ও বৃহত্তম পার্বত্য পাদদেশীয় হিমবাহটি হল

(ক) ল্যামবার্ট

(খ) হুবার্ড

(গ) মালাসপিনা

(ঘ) জেকবভ্যান

উত্তর (গ) মালাসপিনা

৬৭. পৃথিবীর কোথায় হিমবাহরূপে বরফের সঞ্চয় বেশি রয়েছে ?

(ক) গ্রিনল্যান্ডে

(খ) এশিয়ায়

(গ) অ্যান্টার্কটিকায়

(ঘ) সুমেরু অঞ্চলে

উত্তর (গ) অ্যান্টার্কটিকায়

৬৮. পৃথিবীর বৃহত্তম পার্বত্য হিমবাহ হল

(ক) হুবার্ড

(খ) সিয়াচেন

(গ) মালাসপিনা

(ঘ) নুনাটক

উত্তর (ক) হুবার্ড

৬৯. ভারতের একটি উল্লেখযোগ্য হিমবাহ হল

(ক) ল্যামবার্ট

(খ) হুবার্ড

(গ) সিয়াচেন

(ঘ) মালাসপিনা

উত্তর (গ) সিয়াচেন

৭০. পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পার্বত্য হিমবাহ দেখা যায় যে পর্বতে

(ক) রকি

(খ) হিমালয়

(গ) আল্পস

(ঘ) অ্যাপালেশিয়ান

উত্তর (গ) আল্পস

৭১. পার্বত্য হিমবাহের পৃষ্ঠদেশে সৃষ্ট গভীর ফাটলগুলিকে বলে [ME-2019 ]

(ক) নুনাটাকস

(খ) ক্রেভাস

(গ) অ্যারেটে

(ঘ) সার্ক

উত্তর (খ) ক্রেভাস

৭২. পৃথিবীর দ্রুততম হিমবাহটি হল

(ক) জেকবসভ্যান

(খ) সিয়াচেন

(গ) জেমু

(ঘ) হুবার্ড

উত্তর (ক) জেকবসভ্যান

৭৩. হিমশৈলের যত ভাগ জলের ওপরে থাকে

(ক) 1/9

(খ) 2/9

(গ) 3/9

(ঘ) ¾

উত্তর – () 1/9

৭৪. পর্বতগাত্র ও হিমবাহের মাঝে সৃষ্ট সংকীর্ণ ফাঁককে বলা হয়

(ক) বার্গস্রুন্ড

(খ) ফ্র্যাগ

(গ) নুনাটাক্স

(ঘ) পাইরোক্লাস্ট

উত্তর (ক) বার্গস্রুন্ড

৭৫. হিমরেখার উচ্চতা সবচেয়ে কম হয়

(ক) নিরক্ষীয় অঞ্চলে

(খ) নাতিশীতোন্ষ অঞ্চলে

(গ) উপক্রান্তীয় অঞ্চলে

(ঘ) মেরু অঞ্চলে

উত্তর (ঘ) মেরু অঞ্চলে

৭৬. যে রেখার নীচে হিমবাহ গলে যায়, তাকে বলে

(ক) হিমরেখা

(খ) ক্রেভাস

(গ) পিরামিড চূড়া

(ঘ) এসকার

উত্তর (ক) হিমরেখা

৭৭. পর্বতগাত্রে যে সীমারেখার ঊর্ধ্বে জল জমে বরফে পরিণত হয় তাকে বলে

(ক) হিমবাহ

(খ) হিমরেখা

(গ) হিমসোপান

(ঘ) গ্রাবরেখা

ত্তর – (খ) হিমরেখা

. হিমবাহের ক্ষয়ের ফলে গঠিত একটি ভূমিরূপ হল  –

(ক) কেটেল

(খ) রসে মতানে

(গ) এসকার

(ঘ) আগামুখ

ত্তর – (খ) রসে মতানে

৭৮. ফরাসি ভাষায় ‘করি’ ভূমিরূপকে বলা হয়

(ক) সার্ক

(খ) এরিটি

(গ) হর্ন

(ঘ) ক্রেভাস

ত্তর – (ক) সার্ক

৭৯. জার্মান ভাষায় করি বা সার্ক-কে বলা হয়

(ক) কেম

(খ) কুম

(গ) কার

(ঘ) ফার

ত্তর – (গ) কার

০. মহাদেশীয় হিমবাহের মধ্যে অবস্থিত তুষার বা বরফমুক্ত পর্বতশৃঙ্গকে বলা হয়

(ক) অ্যারেটে

(খ) হর্ন

(গ) ইনসেলবার্জ

(ঘ) নুনাটাকস

ত্তর – (ঘ) নুনাটাকস

৮১. পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ‘করি’-এর মাঝখানে অবস্থিত পর্বত-শিরাকে বলে

(ক) এসকার

(খ) হিমসোপান

(গ) অ্যারেট

(ঘ) র‍্যান্ডক্লাফট

ত্তর – (গ) অ্যারেট

৮২. একটি হাতলওয়ালা আরামকেদারা বা ডেক চেয়ারের মতো দেখতে হিমবাহ উপত্যকাকে বলে

(ক) করি

(খ) অ্যারেট

(গ) পিরামিড চুড়া

(ঘ) ইরাটিক

ত্তর – (ক) করি

৮৩. হিমালয়ের ‘নীলকণ্ঠ শৃঙ্গ’ যে ভূমিরূপের উদাহরণ তা হল

(ক) করি

(খ) অ্যারেটে

(গ) পিরামিড চূড়া

(ঘ) ফিয়র্ড

ত্তর – (গ) পিরামিড চূড়া

৮৪. হিমসিঁড়ির বেসিনে জল জমে সৃষ্ট হ্রদ হল – [ME-2022]

(ক) প্যাটারনস্টার হ্রদ

(খ) প্লায়া হ্রদ

(গ) কেটল হ্রদ

(ঘ) করি হ্রদ

উত্তর – (ক) প্যাটারনস্টার হ্রদ

৮৫. উচ্চ অক্ষাংশীয় অঞ্চলে সমুদ্রজলে মগ্ন হিমদ্রোণিকে বলে

(ক) ফিয়র্ড

(খ) খাঁড়ি

(গ) কয়াল

(ঘ) লবণ হ্রদ

ত্তর – (ক) ফিয়র্ড

৬. পিরামিড চূড়ার অপর নামটি হল

(ক) অ্যারেটে

(খ) নব

(গ) হর্ন

(ঘ) সার্ক

ত্তর – (গ) হর্ন

৮৭. পৃথিবীর অধিকাংশ ফিয়র্ড যে দেশের উপকূলে দেখা যায়, সেই দেশটি হল – [ থবা ] ‘িয়র্ডের েশ’ লা য় –

(ক) গ্রিনল্যান্ড

(খ) নরওয়ে

(গ) সুইডেন

(ঘ) ডেনমার্ক

উত্তর – (খ) নরওয়ে

৮৮. সমুদ্র উপকূলে হিমবাহের ক্ষয়ের ফলে সৃষ্ট জলমগ্ন উপত্যকাকে বলে-

(ক) রসে মতানে

(খ) ঝুলন্ত উপত্যকা

(গ) হিমসিঁড়ি

(ঘ) ফিয়র্ড

ত্তর – (ঘ) ফিয়র্ড

৮৯. হিমবাহ উপত্যকা যে আকৃতির হয়, তা হল

(ক) U

(খ) V

(গ) I

(ঘ) Z

ত্তর – (ক) U

. হিমবাহের সঞ্চয়কাজের ফলে গঠিত ভূমিরূপ -[ ME-2015 ]

(ক) ফিয়র্ড

(খ) ঝুলন্ত উপত্যকা

(গ) রসে মতানে

(ঘ) ড্রামলিন

ত্তর – (ঘ) ড্রামলিন

৯১. হিমবাহ কর্তৃক আরোহণ পদ্ধতিতে সৃষ্ট প্রসারিত টিলাকৃতি ভূমিরূপকে বলে

(ক) এসকার

(খ) কেম

(গ) পিরামিড চূড়া

(ঘ) ড্রামলিন

ত্তর – (ঘ) ড্রামলিন

৯২. ঝুলন্ত উপত্যকা সৃষ্টি হয়

(ক) নদীর গতিপথে

(খ) পার্বত্য হিমবাহে

(গ) পাদদেশীয় হিমবাহে

(ঘ) মহাদেশীয় হিমবাহে

ত্তর – (খ) পার্বত্য হিমবাহে

৯৩. ড্রামলিন সৃষ্টি হয়

(ক) বায়ুর ক্ষয়কার্যের ফলে

(খ) নদীর সঞ্চয়কার্যের ফলে

(গ) হিমবাহের সঞ্চয়ের ফলে

(ঘ) হিমবাহের ক্ষয়ের ফলে

ত্তর – (গ) হিমবাহের সঞ্চয়ের ফলে

৪. ‘Basket of egg topography’ দেখা যায়

(ক) স্কটল্যান্ডে

(খ) ভারতে

(গ) স্পেনে

(ঘ) কানাডাতে

ত্তর – (ক) স্কটল্যান্ডে

৯৫. বহিঃবিধৌত সমভূমির মাঝে মাঝে সৃষ্ট গর্তগুলিকে বলে

(ক) কেম

(খ) ড্রামলিন

(গ) মন্থকূপ

(ঘ) কেটল

ত্তর – (ঘ) কেটল

৯৬. হিমবাহের সঞ্চয়ের ফলে সৃষ্ট উলটানো নৌকার ন্যায় ভূমিরূপটি হল

(ক) এসকার

(খ) ড্রামলিন

(গ) আগামুখ

(ঘ) রসেমোতানে

ত্তর – (খ) ড্রামলিন

৯৭. বহিঃবিধৌত সমভূমি যখন জলধারা বা নদী দ্বারা পৃথক হয়ে যায়, তাকে বলে

(ক) ভ্যালি ট্রেন

(খ) এসকার

(গ) কেম

(ঘ) হর্ন

ত্তর – (ক) ভ্যালি ট্রেন

৯৮. দুটি কেটলের মাঝখানে অবস্থিত উঁচুভূমিকে বলে

(ক) অ্যারেট

(খ) পিরামিড চূড়া

(গ) নব

(ঘ) ভার্ব

ত্তর – (গ) নব

৯৯. প্রান্ত গ্রাবরেখায় সৃষ্ট হিমবাহের সঞ্চয়জাত ত্রিকোণাকার ভূমিরূপটি হল

(ক) হর্ন

(খ) ক্রেভাস

(গ) কেম

(ঘ) অ্যারেট

ত্তর – (গ) কেম

১০০. বায়ু দ্বারা বাহিত অপেক্ষাকৃত ছোটো শিলাখন্ড একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে যে ক্ষয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, সেটি হল

(ক) অবঘর্ষ

(খ) ঘর্ষণ

(গ) উৎপাটন

(ঘ) অপসারণ

উত্তর – (খ) ঘর্ষণ

১০১. বায়ু সবচেয়ে বেশি কার্যকরী হয়

(ক) সমভূমি অঞ্চলে

(খ) সমুদ্র উপকূল ও মরু অঞ্চলে

(গ) নিরক্ষীয় অঞ্চলে

(ঘ) মেরু অঞ্চলে

ত্তর – (খ) সমুদ্র উপকূল ও মরু অঞ্চলে

১০২. বায়ুর কার্যের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হল

(ক) মরুভূমি অঞ্চল

(খ) মরুপ্রায় অঞ্চল

(গ) উপকূল অঞ্চল

(ঘ) তুন্দ্রা অঞ্চল

ত্তর – (ক) মরুভূমি অঞ্চল

১০৩. ভারতের থর মরুভূমিতে সৃষ্ট অপসারণ গর্তগুলিকে বলা হয়

(ক) রান

(খ) লোয়েস

(গ) ওয়াদি

(ঘ) ধান্দ

উত্তর – (ঘ) ধান্দ

১০৪. মরু সমপ্রায়ভূমিতে কঠিন শিলাগঠিত কিছু অনুচ্চ পাহাড় অবশিষ্টাংশ ভূমিরূপ হিসেবে থেকে যায় – [ME-2020 ]

(ক) ইয়ারদাং

(খ) জুইগেন

(গ) বালিয়াড়ি

(ঘ) ইনসেলবার্জ

ত্তর – (ঘ) ইনসেলবার্জ

১০৫. মরুভূমিতে বায়ু দ্বারা বালুকণা উত্থিত এবং অপসারিত হয় যে প্রক্রিয়ার সাহায্যে, তা হল – [ ME-2023 ]

(ক) অপসারণ

(খ) অবঘর্ষ

(গ) ঘর্ষণ

(ঘ) লম্ফদান

ত্তর – (ক) অপসারণ

১০৬. প্রস্তরখণ্ড দিয়ে ঢাকা মরু অঞ্চলকে মিশরে বলে

(ক) আর্গ

(খ) সেরির

(গ) বাজাদা

(ঘ) হামাদা

ত্তর – (খ) সেরির

১০৭. কেবল বালি দিয়ে গঠিত বা বালুকাময় মরুভূমিকে সাহারায় বলে

(ক) আর্গ

(খ) কুম

(গ) রেগ

(ঘ) মেরী

ত্তর – (ক) আর্গ

১০৮. শিলাময় মরুভূমিকে বলে

(ক) লোয়েস

(খ) হামাদা

(গ) রেগ

(ঘ) আর্গ

ত্তর – (খ) হামাদা

১০৯. পেডিমেন্ট সৃষ্টি হয়

(ক) বায়ুর ক্ষয়কার্যের ফলে

(খ) হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে

(গ) নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে

(ঘ) বায়ু ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে

ত্তর – (ঘ) বায়ু ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে

১১০. পেডিমেন্ট অঞ্চলের অনুচ্চ টিলা হল

(ক) মোনাডনক

(খ) পেনিপ্লেন

(গ) প্যানফ্যান

(ঘ) ইনসেলবার্জ

ত্তর – (ঘ) ইনসেলবার্জ

১১১. সিফ বালিয়াড়ির অপর নামটি হল

(ক) অনুপ্রস্থ বালিয়াড়ি

(খ) অনুদৈর্ঘ্য বালিয়াড়ি

(গ) সমান্তরাল বালিয়াড়ি

(ঘ) তির্যক বালিয়াড়ি

ত্তর – (খ) অনুদৈর্ঘ্য বালিয়াড়ি

১১২. বার্খান যে বালিয়াড়ির উদাহরণ তা হল

(ক) সমান্তরাল বালিয়াড়ি

(খ) মস্তক বালিয়াড়ি

(গ) তির্যক বালিয়াড়ি

(ঘ) সিফ বালিয়াড়ি

ত্তর – (গ) তির্যক বালিয়াড়ি

১৩. বায়ু ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে গঠিত হয়

(ক) এসকার

(খ) গৌর

(গ) বাজাদা

(ঘ) ইনসেলবার্জ

ত্তর – (গ) বাজাদা

১১৪. শুষ্ক অঞ্চলের নদীখাতকে বলে

(ক) প্লায়া

(খ) ওয়াদি

(গ) বাজাদা

(ঘ) পেডিমেন্ট

ত্তর – (খ) ওয়াদি

১১৫. ভারতের একটি প্লায়া হ্রদ হল

(ক) প্যাং কিয়াং

(খ) চিল্কা

(গ) উলার

(ঘ) সম্বর

ত্তর – (ঘ) সম্বর

১৬. মরু ও উপমরু অঞ্চলের লবণাক্ত জলের হ্রদকে বলে

(ক) প্লায়া

(খ) বাজাদা

(গ) ক্যালডেরা

(ঘ) দুন

ত্তর – (ক) প্লায়া

১১৭. আফ্রিকার মরু অঞ্চলে সৃষ্ট প্লায়া হ্রদকে বলা হয়

(ক) শটস

(খ) চকাতারা

(গ) ধান্দ

(ঘ) বোলসন

ত্তর – (ক) শটস

১১৮. একাধিক বার্খান একে অপরের সঙ্গে মিলিত হয়ে যে বালিয়াড়ি সৃষ্টি করে, তাকে বলে

(ক) সিফ

(খ) বার্খান

(গ) অ্যাকলে

(ঘ) রোর্ডস

ত্তর – (গ) অ্যাকলে

১১৯. দুটি বালিয়াড়ির মধ্যবর্তী এলাকাকে সাহারায় বলা হয়

(ক) করিডর

(খ) সিফ

(গ) গাসি

(ঘ) আর্গ

ত্তর – (গ) গাসি

১২০. তরবারির ন্যায় বালির শৈলশিরাকে বলে

(ক) বার্খান

(খ) অ্যাকলে

(গ) সিফ

(ঘ) ধ্রিয়ান

উত্তর (গ) সিফ

১২১. লোয়েস সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে

(ক) নীলনদ অববাহিকায়

(খ) হোয়াংহো নদী উপত্যকায়

(গ) ইয়াংসি কিয়াং নদী অববাহিকায়

(ঘ) ইরাবতী নদী অববাহিকায়

উত্তর – (খ) হোয়াংহো নদী উপত্যকায়

১২২. চলমান বালিয়াড়িগুলিকে বলে

(ক) শটস

(খ) ওয়াদি

(গ) ধ্রিয়ান

(ঘ)  প্লায়া

উত্তর – (গ) ্রিয়ান

২৩. মরু অঞ্চলে ক্ষয়ের নিম্নসীমা বা শেষ সীমা হল

(ক) প্লায়া

(খ) সমুদ্রপৃষ্ঠ

(গ) বাজাদা

(ঘ) গাসি

ত্তর – (ক) প্লায়া

১২৪. বিশ্ব উন্নায়ন যে মরুভূমিকে গ্রাস করছে, তার নাম

(ক) আটাকামা

(খ) গোবি

(গ) কালাহারি

(ঘ) সাহারা

ত্তর – (ঘ) সাহারা

২৫. অর্ধচন্দ্রাকৃতি বালিয়াড়িকে বলা হয়

(ক) অ্যাকলে

(খ) বার্খান

(গ) সিফ

(ঘ) বাজাদা

ত্তর – (খ) বার্খান

২৬. বায়ুর সঞ্চয়ের ফলে গঠিত সমভূমিকে বলে – [ME-2022]

(ক) বালিয়াড়ি

(খ) হামাদা

(গ) ধ্রিয়ান

(ঘ) লোয়েস

ত্তর – (ঘ) লোয়েস

২৭. মরু সম্প্রসারণের কারণ নয়

(ক) খরা

(খ) পশুচারণ

(গ) লবণাক্তকরণ

(ঘ) বনসৃজন

ত্তর –(ঘ) বনসৃজন

২৮. সাহারা মরুভূমি ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে

(ক) উত্তর দিকে

(খ) পূর্ব দিকে

(গ) দক্ষিণ দিকে

(ঘ) পশ্চিম দিকে

উত্তর – (গ) দক্ষিণ দিকে

২৯. ‘িমভর্তি ঝুড়ির ভূমিরূপবলা হয়

(ক) ড্রামলিন

(খ) বাজাদা

(গ) লোয়েশ সমভূমি

(ঘ) ইনসেলবার্জ

উত্তর (ক) ড্রামলিন

আরও পড়ুন –

জ্ঞানচক্ষু গল্প প্রশ্ন উত্তর

অসুখী একজন কবিতার প্রশ্ন উত্তর

আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি প্রশ্ন উত্তর

আফ্রিকা কবিতা প্রশ্ন উত্তর

মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন 2026

বাংলা ব্যাকরণ: সমাস

প্রতিবেদন ও সংলাপ রচনা সাজেশন 2026

রচনা লেখার নিয়ম

Leave a Comment