২০২৬ দশম শ্রেণীর বাংলা দ্বিতীয় ইউনিট টেস্ট সাজেশন | Class 10 Bengali 2nd Unit Test Suggestion 2026 (WBBSE)
২০২৬ দশম শ্রেণীর বাংলা দ্বিতীয় ইউনিট টেস্ট সাজেশন
Class 10 Bengali 2nd Unit Test Suggestion 2026
২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য দ্বিতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন বা 2nd Unit Test একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই পরীক্ষার প্রস্তুতির ওপর ভিত্তি করেই ছাত্রছাত্রীরা ফাইনাল পরীক্ষার আত্মবিশ্বাস পায়। আজকের এই পোস্টে আমরা পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের পাঠ্যসূচি অনুযায়ী দশম শ্রেণীর বাংলা বিষয়ের একটি সম্পূর্ণ গাইড ও সাজেশন শেয়ার করছি।
বহুরূপী গল্পের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সাজেশন (২০২৬)
৩ নম্বরের সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (ব্যাখ্যামূলক)
১. “অদৃষ্ট কখনও হরিদার এই ভুল ক্ষমা করবে না।” — হরিদা কী ভুল করেছিলেন ? অদৃষ্ট ক্ষমা না করার অর্থ কী ?
২. “সে ভয়ানক দুর্লভ জিনিস।” — দুর্লভ জিনিসটা কি ? কেন সেটি দুর্লভ ?
৩. “হরিদার জীবনে সত্যিই একটা নাটকীয় বৈচিত্র্য আছে।” — হরিদার জীবনের নাটকীয় বৈচিত্র্যটি সংক্ষেপে লেখো।
৪. “আপনি কি ভগবানের চেয়েও বড়ো?” — বক্তা কে? তিনি এ কথা কেন বলেছিলেন?
৫. “চমকে উঠলেন জগদীশবাবু।” — জগদীশবাবু কেন চমকে উঠেছিলেন? তার প্রতিক্রিয়ায় তিনি কী করেছিলেন ?
৫ নম্বরের রচনাধর্মী প্রশ্ন (বিশ্লেষণাত্মক)
১ . “হরিদার জীবনে সত্যিই একটা নাটকীয় বৈচিত্র্য আছে”— হরিদার জীবনের এই ‘নাটকীয় বৈচিত্র্য’ গল্পের পরিপ্রক্ষিতে আলোচনা করো। অথবা, হরিদার চরিত্র সংক্ষেপে লেখো।
২ . “অদৃষ্ট কখনো হরিদার এই ভুল ক্ষমা করবে না”— হরিদা কী ভুল করেছিলেন? কেন একে ‘ভুল’ বলা হয়েছে? হরিদার চরিত্রের কোন দিকটি এখানে ফুটে উঠেছে?
৩ . “চকের বাসে চড়ে যারা যাচ্ছিল, তারা সবাই অবাক হয়ে গেল”— চকের বাসে কী ঘটেছিল? হরিদা কীভাবে বাসের যাত্রীদের আতঙ্কিত ও অবাক করেছিলেন তা বর্ণনা করো।
৪ . “আমি তোমাদের কাছে আজ উপদেশ নিতে আসিনি, উপদেশ দিতে এসেছি”— বিরাগী রূপী হরিদা জগদীশ বাবুকে কী কী উপদেশ দিয়েছিলেন? সেই কথাগুলোর তাৎপর্য লেখো।
‘অভিষেক’ কবিতার গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সাজেশন (২০২৬)
৩ নম্বরের সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (ব্যাখ্যামূলক)
১. “জিজ্ঞাসিলা মহাবাহু বিস্ময় মানিয়া” — ‘মহাবাহু’ কে? তাঁর বিস্ময়ের কারণ কী ছিল?
২. “ঘুচাব এ অপবাদ, বধি রিপুকুলে” — বক্তা কোন অপবাদের কথা বলেছেন? তিনি কীভাবে সেই অপবাদ ঘোচাতে চান?
৩. “তৈরি করো বীরমণি বীর-আভরণে” — ‘বীরমণি’ কে? তাঁর বীর-সজ্জার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।
৪. “এ অদ্ভুত বারতা, জননী, কোথায় পাইলে তুমি?” — ‘অদ্ভুত বারতা’ কোনটি? একে অদ্ভুত বলা হয়েছে কেন?
৫. “ছিঁড়িলা কুসুমদাম রোষে মহাবলী” — কেন মহাবলী কুসুমদাম ছিঁড়ে ফেলেছিলেন? তাঁর তৎকালীন মানসিক অবস্থা ব্যাখ্যা করো।
৬. “বিদায় এবে দেহ, বিধুমুখী” — ‘বিধুমুখী’ কে? তাঁর কাছে কেন বিদায় চাওয়া হয়েছে ?
৫ নম্বরের রচনাধর্মী প্রশ্ন (বিশ্লেষণাত্মক)
১. “এ অদ্ভুত বারতা, জননী, কোথায় পাইলে তুমি?” — ‘অদ্ভুত বারতা’টি কী? কেন বক্তা একে ‘অদ্ভুত’ বলেছেন? এই সংবাদ শোনার পর বক্তার কী প্রতিক্রিয়া হয়েছিল?
২. “জিজ্ঞাসিলা মহাবাহু বিস্ময় মানিয়া—” — ‘মহাবাহু’ কে? তার বিস্ময়ের কারণ কী ছিল? সংবাদ পাওয়ার পর তিনি নিজের যে আত্মধিক্কার দিয়েছিলেন, তা নিজের ভাষায় লেখো।
৩. “নমি পুত্র পিতার চরণে, করজোড়ে কহিলা—” — পিতা ও পুত্রের পরিচয় দাও। পুত্র পিতার কাছে কী আবেদন জানিয়েছিলেন? রাবণ ও ইন্দ্রজিতের কথোপকথনটি সংক্ষেপে আলোচনা করো।
৪. “সাজিলা রথীন্দ্রষভ বীর-আভরণে—” — ‘রথীন্দ্রষভ’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে? তাঁর সাজসজ্জার যে পরিচয় কবিতায় পাওয়া যায়, তা নিজের ভাষায় লেখো। ইন্দ্রজিতের এই প্রস্তুতির মহিমা বর্ণনা করো।
৫. ইন্দ্রজিতের বীরত্ব ও দেশপ্রেমের পরিচয় দাও। — ‘অভিষেক’ কবিতা অবলম্বনে ইন্দ্রজিৎ (মেঘনাদ) চরিত্রটির বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।
৬. “কি হেতু, মাতঃ, গতি তব আজি এ ভবনে?” — বক্তা কার উদ্দেশে এই কথা বলেছেন? উদ্দিষ্ট ব্যক্তিটি কেন সেখানে এসেছিলেন? এরপর কী ঘটেছিল ?
‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতার গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সাজেশন (২০২৬)
৩ নম্বরের সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (ব্যাখ্যামূলক)
১. “তোরা সব জয়ধ্বনি কর!” — কবি কাদের জয়ধ্বনি করতে বলেছেন? কেন এই জয়ধ্বনি করার আহ্বান ?
২. “আসছে এবার অনাগত প্রলয়-নেশা নৃত্য-পাগল” — ‘অনাগত’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? তাকে ‘নৃত্য-পাগল’ বলা হয়েছে কেন?
৩. “ভেঙে আবার গড়তে জানে সে চিরসুন্দর” — ‘সে’ বলতে কার কথা বলা হয়েছে? ভেঙে আবার গড়ার বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।
৪. “দ্বাদশ রবির বহ্নি-জ্বালা ভয়াবহ সাট্টালোকে” — এই পঙ্ক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
৫. “বজ্রশিখার মশাল জ্বেলে আসছে ভয়ংকর” — ভয়ংকর কীভাবে আসছে? তার আগমনের রূপটি বর্ণনা করো।
৬. “গগন-তলের নীল খিলানে” — পঙ্ক্তিটির মাধ্যমে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
৭. “মাভৈঃ! মাভৈঃ! জগৎ জুড়ে প্রলয় এবার ঘনিয়ে আসে” — ‘মাভৈঃ’ শব্দের অর্থ কী? কেন কবি এই অভয়বাণী উচ্চারণ করেছেন?
৫ নম্বরের রচনাধর্মী প্রশ্ন (বিশ্লেষণাত্মক)
১. “তোরা সব জয়ধ্বনি কর!” — কবি কাদের জয়ধ্বনি করতে বলেছেন? কবিতার বিষয়বস্তু অবলম্বনে কবির এই আহ্বানের সার্থকতা বিচার করো।
২. “ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর? —প্রলয় নূতন সৃজন-বেদন।” — ‘প্রলয় নূতন সৃজন-বেদন’ কথাটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো। ধ্বংসের মধ্যেই যে সৃষ্টির আশ্বাস লুকিয়ে আছে, তা কবিতা অবলম্বনে আলোচনা করো।
৩. ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় কবি নজরুলের যে বিদ্রোহী সত্তা ও আশাবাদী মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়, তা সংক্ষেপে লেখো।
৪. “আসছে এবার অনাগত প্রলয়-নেশা নৃতা-পাগল,” — ‘অনাগত’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন? কালভৈরবের যে রূপের বর্ণনা কবিতায় আছে, তা নিজের ভাষায় লেখো।
৫. “গগন-তলের নীল খিলানে / অট্টরোলের হট্টগোলে স্তব্ধ চরাচর!” — পঙক্তিটির অন্তর্নিহিত অর্থ স্পষ্ট করো। মহাকালের এই প্রচণ্ড রূপ চরাচরকে কীভাবে প্রভাবিত করেছে?
২০২৬ দশম শ্রেণীর বাংলা দ্বিতীয় ইউনিট টেস্ট সাজেশন
‘পথের দাবী’ গল্পের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সাজেশন (২০২৬)
৩ নম্বরের সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (ব্যাখ্যামূলক)
১. “বুড়ো মানুষের কথাটা শুনো।” — বুড়ো মানুষটি কে? তিনি কাকে, কোন কথা শুনতে অনুরোধ করেছিলেন?
২. “বাবুটির স্বাস্থ্য গেছে, কিন্তু শখ ষোলোআনাই বজায় আছে।” — কার কথা বলা হয়েছে? তাঁর সাজসজ্জার বর্ণনা দাও।
৩. “কেবল আশ্চর্য সেই রোগা মুখের অদ্ভুত দুটি চোখের দৃষ্টি।” — কার চোখের কথা বলা হয়েছে? সেই চোখের বর্ণনা দাও।
৪. “পোলিটিক্যাল সাসপেক্ট সব্যসাচী মল্লিককে নিমাইবাবুর সম্মুখে হাজির করা হইল।” — সব্যসাচী মল্লিককে দেখে নিমাইবাবুর কী প্রতিক্রিয়া হয়েছিল?
৫ নম্বরের রচনাধর্মী প্রশ্ন (বিশ্লেষণাত্মক)
১. “বাবুটির স্বাস্থ্য গেছে, কিন্তু শখ ষোলোআনাই বজায় আছে।” — ‘বাবুটি’ কে? তাঁর স্বাস্থ্য ও সাজসজ্জার যে বর্ণনা পাঠ্যাংশে দেওয়া হয়েছে, তা নিজের ভাষায় লেখো। (এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রশ্ন)।
২. সব্যসাচী মল্লিক বা গিরিশ মহাপাত্রের চরিত্রটি বিশ্লেষণ করো। — ছদ্মবেশী সব্যসাচী কীভাবে পুলিশকে ফাঁকি দিয়েছিলেন, সেই প্রেক্ষিতে তাঁর বুদ্ধিমত্তা ও সাহসের পরিচয় দাও।
৩. “পলিটিক্যাল সাসপেক্ট সব্যসাচী মল্লিককে নিমাইবাবুর সম্মুখে হাজির করা হইল।” — সব্যসাচী মল্লিককে ধরার জন্য পুলিশের যে তৎপরতা দেখা গিয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত কাকে ধরা হয়েছিল—সেই ঘটনাটি সংক্ষেপে আলোচনা করো।
৪. “যাকে খুঁজছেন সে যে এ নয়, তার আমি জামিন হতে পারি।” — বক্তা কে? কাকে উদ্দেশ্য করে এই কথা বলা হয়েছে? কেন বক্তা এমন কথা বলেছিলেন?
‘কোণী’ উপন্যাস গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সাজেশন (২০২৬)
১. “ক্ষিদ্দা, এবার আমরা কী করব ?” — বক্তা কে? কোন পরিস্থিতির কথা এখানে বলা হয়েছে? ক্ষিদ্দা তাকে কীভাবে অনুপ্রাণিত করেছিলেন?
২. “আজ থেকে তোর আসল লড়াই শুরু।” — কে, কাকে এ কথা বলেছে? কোণীর এই ‘আসল লড়াই’-এর প্রস্তুতি পর্বে ক্ষিতীশ সিংহের ভূমিকা আলোচনা করো।
৩. জুপিটার ক্লাবে ক্ষিতীশ সিংহের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলি কী ছিল? এর উত্তরে ক্ষিতীশের প্রতিক্রিয়া কী ছিল ?
৪. বিষ্ণুচরণের খাদ্যাভ্যাসের বর্ণনা দাও। ক্ষিতীশ কীভাবে তাকে শরীরচর্চায় উৎসাহিত করেছিল ?
৫. “কষ্টই তো আসল ম্যাজিক।” — বক্তা কে? বক্তা কীভাবে এই কষ্টের মাধ্যমে কোণীকে চ্যাম্পিয়ন করার স্বপ্ন দেখেছিলেন?
৬. “অ্যাপোলো ক্লাবে কোণীর যোগদানের গুরুত্ব আলোচনা করো।
৭. “ফাইট কোণী, ফাইট!”— এই উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো। কোন পরিস্থিতিতে ক্ষিতীশ এই কথাটি বলতেন? কোণীর জীবনে এই মন্ত্রটির প্রভাব আলোচনা করো।
৮. “বিষ্ণুচরণ ধরের পরিচয় দাও।”— তাঁর খাদ্যতালিকা এবং জীবনযাত্রার যে পরিচয় উপন্যাসের শুরুতে পাওয়া যায়, তা সংক্ষেপে লেখো। এই চরিত্রটি উপন্যাসে কেন গুরুত্বপূর্ণ?
৯. “তোর আসল লজ্জা জ্বলে, আসল গর্বও জ্বলে।”— বক্তা কে? কোন প্রসঙ্গে তিনি এই কথা বলেছিলেন? এই কথাটির মাধ্যমে বক্তা কোণীকে কী বোঝাতে চেয়েছিলেন?
১০. ক্ষিতীশ সিংহ বা ক্ষিদ্দার চরিত্রটি বিশ্লেষণ করো।
১১. “দারিদ্র্য আর বঞ্চনার বিরুদ্ধে কোণীর যে লড়াই—তার পরিচয় দাও।”— গঙ্গার ঘাট থেকে মাদ্রাজ ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপ পর্যন্ত কোণীর যাত্রাপথ সংক্ষেপে বর্ণনা করো।
১২. কোণীর সাফল্যের পিছনে লীলাবতীর অবদান কতখানি ছিল তা আলোচনা করো।
‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকের গুরুত্বপূর্ণ সাজেশন (২০২৬)
১. “বাংলার ভাগ্যাকাশে আজ দুর্যোগের ঘনঘটা।” — বক্তা কে? কোন দুর্যোগের কথা এখানে বলা হয়েছে? দুর্যোগের কারণ কী ছিল?
১. “বাংলার এই দুর্দিনে আমাকে ত্যাগ করবেন না।” — বক্তা কে? কাদের উদ্দেশ্যে এই কথা বলা হয়েছে? কোন ‘দুর্দিন’-এর কথা এখানে ইঙ্গিত করা হয়েছে? এই আবেদনের মাধ্যমে বক্তার কোন মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে?
২. সিরাজদ্দৌলা নাট্যাংশ অবলম্বনে সিরাজের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।
৩. ঘসেটি বেগমের চরিত্রটি বিশ্লেষণ করো। — তাঁর অন্তরে যে প্রতিহিংসার আগুন জ্বলছিল, তা নাট্যাংশে কীভাবে প্রকাশিত হয়েছে?
৪. “জানেন না আপনারা—জানেন না।” — বক্তা কে? বক্তা কাদের উদ্দেশ্যে এই উক্তি করেছেন? কোন বিষয়টি ‘আপনারা জানেন না’ বলে বক্তা মন্তব্য করেছেন?
৫. “জাতির সৌভাগ্য-সূর্য আজ অস্তাচলগামী।” — কোন জাতির কথা বলা হয়েছে? কেন তাঁর এই আশঙ্কা? এই উক্তির মধ্য দিয়ে বক্তার দেশপ্রেমের পরিচয় কীভাবে ফুটে উঠেছে?
৬. “আপনাদের কাছে এই আমার শেষ ভিক্ষা—“ — বক্তা কে? তিনি কাদের কাছে কী ভিক্ষা চেয়েছিলেন? এই শেষ ভিক্ষা চাওয়ার কারণ কী ছিল?
৪. ঘসেটি বেগমের চরিত্রটি সংক্ষেপে আলোচনা করো।
৫. “আপনাদের কাছে এই আমার শেষ ভিক্ষা।” — বক্তা কাদের কাছে ভিক্ষা চেয়েছেন ? তিনি কী ভিক্ষা চেয়েছিলেন?
৬. সিরাজদ্দৌলা নাটকে দেশপ্রেমের যে পরিচয় পাওয়া যায়, তা সংক্ষেপে লেখো।
২০২৬ দশম শ্রেণীর বাংলা দ্বিতীয় ইউনিট টেস্ট সাজেশন
মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ: ‘সমাস’ অধ্যায় SAQ সাজেশন (২য় ইউনিট টেস্ট)
১. ‘সমাস’ শব্দের ব্যুৎপত্তি ও অর্থ কী?
- উত্তর: সমাস শব্দের ব্যুৎপত্তি হলো সম্ – অস্ + অ। এর আভিধানিক অর্থ হলো ‘সংক্ষেপ’ বা ‘একাধিক পদের একপদীকরণ’।
২. ব্যাস বাক্য কাকে বলে?
- উত্তর: সমাসবদ্ধ পদটিকে বিশ্লেষণ করে যে বাক্য বা বাক্যাংশ পাওয়া যায়, তাকে ব্যাস বাক্য বা বিগ্রহ বাক্য বলে।
৩. বিগ্রহ বাক্যের অপর নাম কী?
- উত্তর: বিগ্রহ বাক্যের অপর নাম হলো ‘ব্যাস বাক্য’।
৪. সন্ধি ও সমাসের একটি প্রধান পার্থক্য লেখো।
- উত্তর: সন্ধি হলো ধ্বনির সঙ্গে ধ্বনির মিলন, আর সমাস হলো পদের সঙ্গে পদের মিলন।
৫. দ্বন্দ্ব সমাস শব্দের অর্থ কী? এই সমাসের একটি উদাহরণ দাও।
- উত্তর: ‘দ্বন্দ্ব’ শব্দের অর্থ হলো মিলন বা বিরোধ। উদাহরণ: জায়া ও পতি = দম্পতি।
৬. তৎপুরুষ সমাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
- উত্তর: এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়।
৭. অলোপ সমাস কাকে বলে?
- উত্তর: যে সমাসে সমস্যমান পূর্বপদের বিভক্তি সমাসবদ্ধ হওয়ার পরেও লোপ পায় না, তাকে অলোপ সমাস বলে। যেমন: হাটে ও বাজারে = হাটেবাজারে।
৮. বহুব্রীহি শব্দের অর্থ কী?
- উত্তর: ‘বহু’ মানে অনেক এবং ‘ব্রীহি’ মানে ধান। অর্থাৎ বহুব্রীহি শব্দের অর্থ হলো ‘অনেক ধান আছে যার’।
৯. উপমিত ও রূপক কর্মধারয় সমাসের একটি পার্থক্য লেখো।
- উত্তর: উপমিত কর্মধারয় সমাসে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে তুলনা করা হয়, আর রূপক কর্মধারয় সমাসে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়।
১০. দ্বিগু সমাস কাকে বলে? * উত্তর: যে সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক বিশেষণ এবং পরপদটি বিশেষ্য হয় এবং সমাসবদ্ধ পদটি সমষ্টি বা সমাহার বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। যেমন: তিন ভুবনের সমাহার = ত্রিভুবন।
১১. নিত্য সমাস কাকে বলে? * উত্তর: যে সমাসের ব্যাস বাক্য হয় না অথবা ব্যাস বাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। যেমন: অন্য দেশ = দেশান্তর।
১২. একটি বহুপদনিষ্পন্ন দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ দাও। * উত্তর: রূপ, রস, গন্ধ ও স্পর্শ = রূপসগন্ধস্পর্শ।
ব্যাস বাক্যসহ সমাস নির্ণয় (অনুশীলনের জন্য):
- পঞ্চবটী: পাঁচ বটের সমাহার (দ্বিগু সমাস)
- সিংহাসন: সিংহ চিহ্নিত আসন (মধ্যপদলোপী কর্মধারয়)
- নীলকণ্ঠ: নীল কণ্ঠ যাঁর (বহুব্রীহি সমাস)
- বিনা-পাণি: বিনা পাণিতে যাঁর (ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি)
- উপবন: বনের সদৃশ (অব্যয়ীভাব সমাস)
সংলাপ রচনা সাজেশন ২০২৬ (২য় ইউনিট টেস্ট)
- (১) ‘ অতিরিক্ত মোবাইল ফোনের ব্যবহার পড়াশোনার ক্ষতি’ – এই বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো ।
- (২) বৃক্ষরোপণের উপযোগিতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো ।
- (৩) বর্তমানে ইন্টারনেটের গুরুত্ব বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো ।
- (৪) ডেঙ্গু সচেতনতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো ।
- (৫) রক্তদানের উপযোগিতা সম্পর্কে ছাত্র ও শিক্ষকের মধ্যে কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো ।
- (৬) কম্পিউটার শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো
আরও পড়ুন –
বারিমন্ডল অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর
বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ প্রশ্ন উত্তর
বায়ুমন্ডল অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর