ভারতের মৃত্তিকা প্রশ্ন উত্তর // দশম শ্রেণী ভূগোল // Class 10 Geography Question Answer // WBBSE
ভারতের মৃত্তিকা প্রশ্ন উত্তর
Class 10 Geography Question Answer
MCQ প্রশ্ন উত্তর
১. ভারতের প্রায় কত শতাংশ অঞ্চলে পলিমাটি দেখা যায় ?
(ক) 36%
(খ) 46%
(গ) 57%
(ঘ) 67%
উত্তর – (খ) 46%
২. ভারতের কৃষিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাটি –
(ক) পলিমাটি
(খ) লালমাটি
(গ) কালোমাটি
(ঘ) বেলেমাটি
উত্তর – (ক) পলিমাটি
৩. ভারতে যে মাটির বিস্তার সবচেয়ে বেশি তা হল –
(ক) কৃষ্ণ মৃত্তিকা
(খ) লোহিত মৃত্তিকা
(গ) ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা
(ঘ) পলি মৃত্তিকা
উত্তর – (ঘ) পলি মৃত্তিকা
৪. শিবালিক হিমালয়ের পাদদেশীয় অঞ্চলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শিলাখণ্ড সঞ্চিত হয়ে যে সমভূমি গঠিত হয়েছে, তাকে বলে – [ME-2018]
(ক) খাদার
(খ) ভাঙ্গর
(গ) ভাবর
(ঘ) বেট
উত্তর – (গ) ভাবর
৫. উত্তর ভারতের সমভূমি অঞ্চলে নদী উপত্যকার পুরানো পলিমাটিকে বলে –
(ক) ভাঙ্গার
(খ) খাদার
(গ) ভুর
(ঘ) বেট
উত্তর – (ক) ভাঙ্গার
৬. নবীন পলিযুক্ত অঞ্চল পাঞ্জাবে যে নামে পরিচিত –
(ক) বেট
(খ) খাদার
(গ) ভাঙ্গার
(ঘ) ভাবর
উত্তর – (ক) বেট
৭. ভুর মাটি দেখতে পাওয়া যায় –
(ক) পাঞ্জাব সমভূমিতে
(খ) নিম্ন গঙ্গা সমভূমিতে
(গ) উচ্চ গঙ্গা সমভূমিতে
(ঘ) দাক্ষিণাত্য মালভূমিতে
উত্তর – (ক) পাঞ্জাব সমভূমিতে
৮. ভারতে কৃষ্ণমৃত্তিকা যে অঞ্চলে দেখা যায়, তা হল –
(ক) দাক্ষিণাত্য মালভূমি
(খ) দণ্ডকারণ্য মালভূমি
(গ) মেঘালয় মালভূমি
(ঘ) বাঘেলখণ্ড মালভূমি
উত্তর – (ক) দাক্ষিণাত্য মালভূমি
৯. কালোমাটি যে শিলা থেকে সৃষ্টি হয় সেটি হল –
(ক) ব্যাসল্ট
(খ) গ্র্যানাইট
(গ) চুনাপাথর
(ঘ) বেলেপাথর
উত্তর – (ক) ব্যাসল্ট
১০. কৃষ্ণ মৃত্তিকার জলধারণ ক্ষমতা –
(ক) খুব কম
(খ) খুব বেশি
(গ) অল্প
(ঘ) মাঝারি
উত্তর – (খ) খুব বেশি
১১. রেগুর মাটির রং কীরূপ ?
(ক) লোহিত
(খ) বাদামি
(গ) কালো
(ঘ) হলুদ
উত্তর – (গ) কালো
১২. রেগুর মৃত্তিকা হল –
(ক) লোহিত মৃত্তিকা
(খ) কৃষ্ণ মৃত্তিকা
(গ) ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা
(ঘ) লবণাক্ত মৃত্তিকা
উত্তর – (খ) কৃষ্ণ মৃত্তিকা
১৩. মৃত্তিকায় অবস্থিত বিশ্লিষ্ট জীবদেহকে বলা হয় –
(ক) হিউমাস
(খ) ঊষর
(গ) পিট
(ঘ) কালার
উত্তর – (ক) হিউমাস
১৪. যে মৃত্তিকায় তুলো চাষ ভালো হয় তা হল –
(ক) রেগুর
(খ) লোহিত
(গ) পলি
(ঘ) ল্যাটেরাইট
উত্তর – (ক) রেগুর
১৫. ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা সৃষ্টির প্রক্রিয়াটি হল –
(ক) ক্ষারীয়করণ
(খ) ধৌতিকরণ
(গ) লবণাক্তকরণ
(ঘ) ক্যালসিফিকেশন
উত্তর – (খ) ধৌতিকরণ
১৬. মৌচাক সদৃশ গঠন দেখা যায় –
(ক) লালমাটিতে
(খ) পলিমাটিতে
(গ) ল্যাটেরাইট মাটিতে
(ঘ) কালোমাটিতে
উত্তর – (গ) ল্যাটেরাইট মাটিতে
১৭. ‘সারাম’ যে মাটির স্থানীয় নাম তা হল –
(ক) ভুর
(খ) বেলেমাটি
(গ) ল্যাটেরাইট
(ঘ) লোহিত
উত্তর – (গ) ল্যাটেরাইট
১৮. অধিক বৃষ্টিপাত ও উচ্চ উষ্ণতাযুক্ত অঞ্চলে যে মৃত্তিকা সৃষ্টি হয় –
(ক) ভুর
(খ) বেলেমাটি
(গ) ল্যাটেরাইট
(ঘ) লোহিত
উত্তর – (গ) ল্যাটেরাইট
১৯. লাল রঙের ইটের মতো মাটি হল –
(ক) পডজল
(খ) লোহিত
(গ) ল্যাটেরাইট
(ঘ) পলিমাটি
উত্তর – (গ) ল্যাটেরাইট
২০. ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা দেখা যায় নিম্নলিখিত অঞ্চলে – [ ME-2018 ]
(ক) গাঙ্গেয় সমভূমি
(খ) পশ্চিমঘাট পর্বতের পশ্চিম ঢাল
(গ) সুন্দরবন
(ঘ) মরু অঞ্চল
উত্তর – (খ) পশ্চিমঘাট পর্বতের পশ্চিম ঢাল
২১. ল্যাটেরাইট মাটির প্রধান ফসল –
(ক) ধান
(খ) পাট
(গ) গম
(ঘ) চিনাবাদাম
উত্তর – (ঘ) চিনাবাদাম
২২. মরু মাটির অপর নাম –
(ক) ল্যাটেরাইট
(খ) রেগুর
(গ) ভুর
(ঘ) সিরোজেম
উত্তর – (ঘ) সিরোজেম
২৩. জলধারণ ক্ষমতা সর্বাপেক্ষা কম হয় –
(ক) লাল মাটিতে
(খ) পার্বত্য মাটিতে
(গ) মরু মাটিতে
(ঘ) কালো মাটিতে
উত্তর – (গ) মরু মাটিতে
২৪. যে মাটির প্রবেশ্যতা বেশি তা হল –
(ক) পলিমাটি
(খ) এঁটেল মাটি
(গ) দোআঁশ মাটি
(ঘ) বেলেমাটি
উত্তর – (ঘ) বেলেমাটি
২৫. মরুভূমি অঞ্চলের শুষ্ক ও শুষ্কপ্রায় মৃত্তিকাকে বলে –
(ক) চারনোজেম
(খ) পডজল
(গ) সিরোজেম
(ঘ) কৃষ্ণ কার্পাস
উত্তর – (গ) সিরোজেম
২৬. অধিক উন্নতা ও শুষ্কতার কারণে সৃষ্ট মাটিকে বলে –
(ক) লালমাটি
(খ) কালোমাটি
(গ) সিরোজেম মাটি
(ঘ) ল্যাটেরাইট মাটি
উত্তর – (গ) সিরোজেম মাটি
২৭. ‘পডজল’ কথার অর্থ হল –
(ক) ধূসর
(খ) অঙ্গার
(গ) ইট
(ঘ) কাদা
উত্তর – (ক) ধূসর
ভারতের মৃত্তিকা প্রশ্ন উত্তর // দশম শ্রেণী ভূগোল // Class 10 Geography Question Answer // WBBSE
২৮. হার্ডপ্যান গড়ে ওঠে নীচের কোন অঞ্চলের মৃত্তিকাতে ?
(ক) ছোটোনাগপুর
(খ) দাক্ষিণাত্য
(গ) হিমালয়
(ঘ) মরুপ্রায় অঞ্চল
উত্তর – (গ) হিমালয়
২৯. পার্বত্য অঞ্চলে যে ধূসর মাটি পাওয়া যায়, তা হল –
(ক) ল্যাটেরাইট
(খ) পডজল
(গ) সিরোজেম
(ঘ) চারনোজেম
উত্তর – (খ) পডজল
৩০. মশলা চাষ বেশি হয় –
(ক) পার্বত্য মাটিতে
(খ) কৃষ্ণ মৃত্তিকায়
(গ) লাল মাটিতে
(ঘ) মরু অঞ্চলের মাটিতে
উত্তর – (ক) পার্বত্য মাটিতে
৩১. ধসের মাধ্যমে মৃত্তিকা ক্ষয় বেশি ঘটে –
(ক) হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে
(খ) মরু অঞ্চলে
(গ) উপকূলীয় অঞ্চলে
(ঘ) ছোটোনাগপুর মালভূমি অঞ্চলে
উত্তর – (ক) হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে
৩২. ঢালু ভূমির ওপর দিয়ে প্রবাহিত জলরাশির দ্বারা মাটির উপরের স্তরের অপসারণকে বলা হয় –
(ক) শিট ক্ষয়
(খ) রিল ক্ষয়
(গ) খোয়াই ক্ষয়
(ঘ) নালিকা ক্ষয়
উত্তর – (ক) শিট ক্ষয়
৩৩. পাহাড়ের ঢালু জমিতে সমান উচ্চতায় আড়াআড়িভাবে জমি কর্ষণ করে চাষ করাকে বলে –
(ক) ধাপ চাষ
(খ) সমোন্নতিরেখা চাষ
(গ) ফালি চাষ
(ঘ) ঝুম চাষ
উত্তর – (খ) সমোন্নতি রেখা চাষ
৩৪. ভারতে মৃত্তিকা সংরক্ষণে গৃহীত একটি পদ্ধতি হল – [ ME-2017 ]
(ক) জলসেচ
(খ) ঝুম চাষ
(গ) ফালিচাষ
(ঘ) পশুচারণ
উত্তর – (গ) ফালিচাষ
৩৫. ঝুমচাষের মাধ্যমে মৃত্তিকার ক্ষয় ঘটে –
(ক) অসম রাজ্যে
(খ) বিহার রাজ্যে
(গ) পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে
(ঘ) তামিলনাড়ু রাজ্যে
উত্তর – (ক) অসম রাজ্যে
৩৬. ভারতের কেন্দ্রীয় মরু মৃত্তিকা গবেষণাগারটি অবস্থিত –
(ক) ভরতপুরে
(খ) জয়পুরে
(গ) যোধপুরে
(ঘ) রায়পুরে
উত্তর – (গ) যোধপুরে
৩৭. বায়ুপ্রবাহের মাধ্যমে মৃত্তিকা ক্ষয় সবচেয়ে বেশি হয় –
(ক) মধ্যপ্রদেশে
(খ) রাজস্থানে
(গ) মহারাষ্ট্রে
(ঘ) উত্তরাখণ্ডে
উত্তর – (খ) রাজস্থানে
SAQ প্রশ্ন উত্তর
১. মৃত্তিকা সৃষ্টির প্রধান উপাদান কোনটি ?
উত্তর – জলবায়ু
২. আদি শিলা থেকে মৃত্তিকা সৃষ্টির প্রাথমিক পদ্ধতিটির নাম কী ?
উত্তর – আবহবিকার
৩. কোন মৃত্তিকাতে কাদা, পলি ও বালির ভাগ সমান হয় ?
উত্তর – দোঁয়াশ মাটিতে
৪. গাঙ্গেয় অববাহিকায় পলিমাটিতে উৎপন্ন প্রধান শস্যের নাম কী ?
উত্তর – ধান
৫. ভাঙ্গার অঞ্চলের দানাযুক্ত মাটিকে কী বলে ?
উত্তর – কঙ্কর
৬. পাঞ্জাবের নবীন পলিগঠিত সমভূমির নাম কী ?
উত্তর – বেট
৭. গাঙ্গেয় সমভূমির নবীন পলিমাটিকে কী বলে ? [ ME-2023 ]
উত্তর – খাদার
৮. কোন উপাদানটির জন্য মৃত্তিকার রং কালো হয় ?
উত্তর – জৈব পদার্থ
৯. দাক্ষিণাত্যের মালভূমি অঞ্চলে কোন ধরনের মৃত্তিকা দেখা যায় ?
উত্তর – কালো
১০. মহারাষ্ট্র ও গুজরাটে কোন প্রকৃতির মৃত্তিকা দেখা যায় ?
উত্তর – কৃষ্ণ মাটি
১১. কোন শিলা থেকে কৃষ্ণ মৃত্তিকার সৃষ্টি হয়েছে ?
উত্তর – ব্যসল্ট
১২. ভারতের কোন মৃত্তিকা কার্পাস চাষের পক্ষে আদর্শ ? [ ME-2017 ]
উত্তর – রেগুর মৃত্তিকা
১৩. ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা সৃষ্টির পদ্ধতিটির নাম কী ?
উত্তর – ল্যাটেরাইজেশন
১৪. ভারতের এমন দুটি রাজ্যের নাম লেখো যেখানে ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা দেখা যায় ।
উত্তর – কর্ণাটক ও অন্ধ্রপ্রদেশ
১৫. মরু অঞ্চলে বালি গঠনের প্রধান উপাদানটি কী ?
উত্তর – সিলিকা, কোয়ার্টজ
১৬. পডজল মাটি তৈরির পদ্ধতির নাম কী ?
উত্তর – পডজলাইজেশন
১৭. পার্বত্য ঢালে ভূমিক্ষয় রোধের একটি কৃষি পদ্ধতির নাম লেখো। [ ME-2012 ]
উত্তর – ধাপচাষ
১৮. বড়ো আকারের নালি ক্ষয়কে কী বলে ?
উত্তর – র্যাভাইন ক্ষয়
১৯. বৃক্ষহীন, শুষ্ক এবং বিস্তৃত অঞ্চলব্যাপী রিল, গালি ও র্যাভাইন ক্ষয় মিলিত হয়ে যে ভূমিভাগ সৃষ্টি করে তাকে কী বলে ?
উত্তর – বদভূমি
২০. উপকূলীয় মাটিতে কোন শস্য ভালো হয় ?
উত্তর – নারকেল ( বাগিচা কৃষি )
শূন্যস্থান পূরণ করো :
১. ______________ মাটিতে ধান ও পাট চাষ ভালো হয়।
উত্তর – পলি
২. ‘সোলাম’ শব্দের অর্থ হল _______________ ।
উত্তর – মেঝে বা ভূমি
৩. ডেকানট্র্যাপ অঞ্চলে___________ মৃত্তিকা বেশি লক্ষ করা যায়।
উত্তর – কৃষ্ণ
৪. লাল মাটির রং লাল কারণ এই মাটিতে__________ আছে।
উত্তর – ফেরিক অক্সাইড
৫. ভারতের মোট আয়তনের প্রায় _________% অঞ্চল কৃষ্ণ মৃত্তিকা ।
উত্তর – 17
৬. __________ মাটির স্থানীয় নাম ‘মোরাম’।
উত্তর – ল্যাটেরাইট
৭. জৈব পদার্থ বেশি দেখা যায়_________ মাটিতে।
উত্তর – চারনোজেম
৮. মরু মাটি দেখা যায় ভারতের __________ অঞ্চলে ।
উত্তর – রাজস্থান
৯. একটি আদর্শ আঞ্চলিক মাটি হল _____________ ।
উত্তর – পডজল
১০. বৃক্ষচ্ছেদন ও মৃত্তিকা ক্ষয়ের মধ্যে __________ সম্পর্ক দেখা যায় ।
উত্তর – ধনাত্মক
১১. ঝুমচাষের ফলে মৃত্তিকার উর্বরতা __________ হয় ।
উত্তর – কম
১২. ___________ ক্ষয় বৃদ্ধি পেয়ে র্যাভাইন ক্ষয় সৃষ্টি হয় ।
উত্তর – গালি
১৩. ____________ শহরে ভারতের কেন্দ্রীয় মৃত্তিকা গবেষণাগার অবস্থিত ।
উত্তর – ভোপাল
শুদ্ধ হলে পাশে ‘শু’ এবং অশুদ্ধ হলে পাশে ‘অ’ লেখো :
১. ভারতে সবচেয়ে বেশি অঞ্চলজুড়ে রয়েছে পলিমাটি ।
উত্তর – শু
২. ভারতে পলিমাটি বেশি দেখা যায় মহানদীর প্লাবন সমভূমিতে।
উত্তর – অ
৩. পলিমাটির জলধারণ ক্ষমতা সর্বাধিক ।
উত্তর – অ
৪. গঙ্গা সমভূমির প্রাচীন পলিগঠিত অঞ্চলকে ভাঙ্গার বলে । [ ME 2019 ]
উত্তর – শু
৫. হিমালয়ের পাদদেশ অঞ্চলের নুড়ি ও কাঁকড় মিশ্রিত পলিমাটি হল ভাবর ।
উত্তর – শু
৬. গুজরাটে প্রাচীন পলিমাটিকে গোরাট বলে ।
উত্তর – শু
৭. শিবালিক পর্বতের পাদদেশে নুড়ি, পলি ও বালি গঠিত মৃত্তিকাকে বেট বলে । [ ME-2020 ]
উত্তর – অ
৮. কৃষ্ণ মৃত্তিকাকে ‘Black Cotton Soil’ বলে ।
উত্তর – শু
৯. রেগুর মাটিতে ধান চাষ ভালো হয় ।
উত্তর – অ
১০. কৃষ্ণ মৃত্তিকায় পলি ও কাদার ভাগ বেশি থাকে ।
উত্তর – শু
১১. ল্যাটেরাইট মাটির জলধারণ ক্ষমতা খুব কম ।
উত্তর – শু
১২. ল্যাটেরাইট মৃত্তিকায় খোয়াই ভূমিরূপ দেখা যায় ।
উত্তর – শু
১৩. ল্যাটেরাইট মাটিতে জৈব পদার্থ খুব বেশি মাত্রায় থাকে ।
উত্তর – অ
১৪. লোহিত মাটি বাঁকুড়া জেলায় দেখা যায় ।
উত্তর – শু
১৫. বীরভূম, বাঁকুড়ার লাল মাটি অঞ্চলে খোয়াই ক্ষয় বেশি হয় ।
উত্তর – শু
ভারতের মৃত্তিকা প্রশ্ন উত্তর // দশম শ্রেণী ভূগোল // Class 10 Geography Question Answer // WBBSE
১৬. মৃত্তিকার জৈব স্তর জল ও বায়ু প্রবেশে সাহায্য করে ।
উত্তর – শু
১৭. মরু মাটির অপর নাম পডজল ।
উত্তর – অ
১৮. মরু অঞ্চলের মৃত্তিকা ক্ষারকীয় হয় ।
উত্তর – শু
১৯. কার্পাস চাষের জন্য লবণাক্ত মৃত্তিকা সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত ।
উত্তর – অ
২০. ভুর এক ধরনের বালিয়াড়ি ।
উত্তর – শু
২১. অধিক জলসেচে মাটির লবণতা হ্রাস পায় ।
উত্তর – অ
২২. দামোদর অববাহিকায় ভূমিধসের জন্যে মৃত্তিকা ক্ষয় হয় ।
উত্তর – অ
২৩. গাড়োয়াল হিমালয় অঞ্চলে অনিয়ন্ত্রিত পশুচারণ মৃত্তিকা ক্ষয়ে সাহায্য করে ।
উত্তর – শু
২৪. মৃত্তিকা ক্ষয়ের একটি অন্যতম প্রধান কারণ হল নির্বিচারে বৃক্ষচ্ছেদন ।
উত্তর – শু
২৫. পডজল মৃত্তিকা অম্ল প্রকৃতির হয় ।
উত্তর – শু
২৬. ভারতের দেরাদুনে মৃত্তিকা গবেষণাগার রয়েছে ।
উত্তর – অ
Mark – 2 প্রশ্ন উত্তর
১. ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে ?
উত্তর – ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা সৃষ্টির পদ্ধতি: উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চলে মৃত্তিকায় ধৌত প্রক্রিয়া অধিক কার্যকর হওয়ার জন্য মৃত্তিকার উপরিস্তর থেকে ক্ষারীয় উপাদানগুলি যেমন-ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম প্রভৃতি অপসারিত হয়ে নীচের স্তরে চলে যায় এবং উপরের স্তরে অদ্রবণীয় লোহা ও অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড শুষ্ক ঋতুতে সঞ্চিত হয়ে লাল রঙের শক্ত ল্যাটেরাইট মৃত্তিকার সৃষ্টি করে।
২. মৃত্তিকার উর্বরতা কী ?
উত্তর – মৃত্তিকার উর্বরতা: উর্বরতা মৃত্তিকার এমন এক বিশেষ গুণ, যা মৃত্তিকায় খনিজ পদার্থ এবং জৈব পদার্থের উপস্থিতির মাত্রাকে বোঝায়। উদ্ভিদকুল তাদের প্রয়োজনীয়তা অনুসারে মাটি থেকে এই সমস্ত উপাদান সংগ্রহ করে নিজেদের পুষ্টির জন্য ব্যবহার করে। মৃত্তিকার উর্বরতার সঙ্গে মৃত্তিকাস্থিত বায়ু, জল, গভীরতা, গ্রথন, সচ্ছিদ্রতা প্রভৃতি বিষয়গুলি জড়িত।
৩. ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা অনুর্বর হওয়ার দুটি কারণ লেখো ।
উত্তর – ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা অনুর্বর হওয়ার কারণসমূহ : ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা অনুর্বর হওয়ার দুটি কারণ হল –
(ক) আগ্নেয় ও রূপান্তরিত শিলা থেকে ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা সৃষ্টি হয়। এই মৃত্তিকায় পটাশ, ফসফরাস, নাইট্রোজেন, জৈব পদার্থ খুবই কম থাকার জন্য অনুর্বর প্রকৃতির হয়।
(খ) ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা গঠনের সময় ধৌত প্রক্রিয়া বেশি কার্যকর হওয়ায় ক্ষারীয় উপাদানগুলি অপসারিত হয়। এর ফলে মৃত্তিকা যথেষ্ট অম্লধর্মী হয়ে পড়ে ।
৪. খাদার ও ভাঙ্গার কী ?
উত্তর – খাদার: নদীর উভয় পাশে প্লাবনভূমিতে প্রতি বছর প্লাবনের ফলে ধূসর বর্ণের যে উর্বর পলিগঠিত মৃত্তিকার সৃষ্টি হয়, তাকে খাদার বলে। উত্তর ভারতের গঙ্গা সমভূমি অঞ্চলে এই খাদার লক্ষ করা যায়।
ভাঙ্গার: নদী থেকে দূরবর্তী স্থানে গঠিত পলিসমৃদ্ধ লালচে বর্ণের অপেক্ষাকৃত কম উর্বর মৃত্তিকাকে ভাঙ্গার বলে। গুজরাটে ভাঙ্গারকে ‘গোরাট’ বলে।
৫. রেগুর মৃত্তিকার রং কালো কেন ?
উত্তর – রেগুর মৃত্তিকার রং কালো হওয়ার কারণ : লাভাগঠিত কালো ব্যাসল্ট শিলা থেকে রেগুর মৃত্তিকার সৃষ্টি হয়েছে। এই মৃত্তিকায় টাইটেনিয়াম অক্সাইড ও জৈব যৌগের প্রাধান্যের জন্য কালো রং-বিশিষ্ট হয়।
৬. কৃষ্ণ মৃত্তিকার দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তর – কৃষ্ণ মৃত্তিকার বৈশিষ্ট্যসমূহ: কৃষ্ণ মৃত্তিকার দুটি বৈশিষ্ট্য হল –
(ক) জলধারণ ক্ষমতা: এই মাটির জলধারণ ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি। দীর্ঘক্ষণ আর্দ্রতা ধরে রাখতে পারে বলে শুষ্ক ঋতুতেও চাষবাসের জন্য এটি বেশ উপযোগী।
(খ) উর্বরতা ও খনিজ উপাদান: কৃষ্ণ মৃত্তিকা অত্যন্ত উর্বর। এই মাটিতে চুন, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম কার্বনেটের পরিমাণ বেশি থাকে, যা তুলা চাষের জন্য আদর্শ।
ভারতের মৃত্তিকা প্রশ্ন উত্তর // দশম শ্রেণী ভূগোল // Class 10 Geography Question Answer // WBBSE
৭. মৃত্তিকা ক্ষয় নিয়ন্ত্রণের দুটি উপায় লেখো।
উত্তর – মৃত্তিকা ক্ষয় নিয়ন্ত্রণের দুটি উপায় হল –
(ক) বৃক্ষরোপণ: এটি মাটি ক্ষয় রোধের সবচেয়ে সহজ ও প্রধান উপায়। গাছের শিকড় মাটিকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরে রাখে, ফলে বাতাস বা বৃষ্টির তোড়ে মাটি ধুয়ে যেতে পারে না। বিশেষ করে ঢালু জায়গায় ঘাস বা ছোট গাছ লাগানো খুব কার্যকর।
(খ) ধাপ চাষ : পাহাড়ি অঞ্চলে ঢালু জমিতে সিঁড়ির মতো ধাপ তৈরি করে চাষাবাদ করলে বৃষ্টির জলের গতি কমে যায়। এতে পাহাড়ের মাটি ধুয়ে নিচে নেমে যাওয়ার প্রবণতা অনেক হ্রাস পায়।
৮. র্যাভাইন ক্ষয় কী ?
উত্তর – র্যাভাইন ক্ষয়: উদ্ভিদহীন ল্যাটেরাইট মৃত্তিকাযুক্ত অঞ্চলে প্রবল ক্ষয়ের ফলে গভীর খাড়া পাড়যুক্ত খাত সৃষ্টি হয়। এই ধরনের বৃহদায়তন পাড়যুক্ত খাতের মাধ্যমে সৃষ্ট ক্ষয়কে র্যাভাইন ক্ষয় বলে। যেমন-বীরভূমের কোপাই নদী সংলগ্ন ল্যাটেরাইট মৃত্তিকাযুক্ত অঞ্চল।
ফলাফল: র্যাভাইন ক্ষয়ের ফলে সমগ্র ভূমিভাগের গুণগত মান হ্রাস পায় এবং র্যাভাইনের মধ্যবর্তী স্থান অত্যন্ত ধারালো ও সংকীর্ণ হয়।
৯. রেগুর কী ?
উত্তর – রেগুর: দাক্ষিণাত্য মালভূমির বিদার অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্ট লাভাজাতীয় শিলা থেকে কালো বা কৃষ্ণ মৃত্তিকার সৃষ্টি হয়েছে। এখানকার স্থানীয় ভাষায় এই কৃষ্ণ মৃত্তিকাকে রেগুর বলা হয়। এই রেগুর শব্দটি তেলেগু শব্দ রেগাডা থেকে এসেছে। যেমন-মহারাষ্ট্র, গুজরাটের দক্ষিণাংশ, কর্ণাটকের উত্তরাংশ, মধ্যপ্রদেশের পশ্চিমাংশ, এ ছাড়াও তামিলনাডু ও তেলেঙ্গানার বেশ কিছু স্থানে রেগুর মৃত্তিকা দেখা যায়।
গুরুত্ব: রেগুর মৃত্তিকা কার্পাস বা তুলা চাষের পক্ষে আদর্শ।
১০. ধাপ চাষের সংজ্ঞা দাও। [ ME-2022 ]
উত্তর – ধাপ চাষ: পার্বত্য বা পাহাড়ি অঞ্চলের ঢালু ভূমিতে বিভিন্ন উচ্চতায় সিঁড়ির মতো অর্ধচন্দ্রাকৃতি ধাপ কেটে সমতল জমি তৈরি করে চাষবাস করা হলে চাষের সেই পদ্ধতিকে ধাপ চাষ বলা হয়।
ফলাফল: ধাপ চাষের ফলে ধাপের প্রান্তভাগে পাথর ও মাটি দিয়ে শক্ত বাঁধ নির্মাণ করে সেখানে জল আবদ্ধ রেখে চাষ করা হয়। এতে মৃত্তিকা ক্ষয় হ্রাস পায়।
১১. ফালি চাষ কী ?
উত্তর – ফালি চাষ: ঢালু ভূমিভাগে যেখানে ঢালের আড়াআড়ি দিক বরাবর চওড়া ফিতের মতো সমতল জমি তৈরি করে সেখানে স্বল্প জলের চাহিদাযুক্ত শস্য চাষ করা হলে, তাকে ফালি চাষ বলে।
ফলাফল : ফালি চাষের ফলে বায়ু ও জলের অবাধ প্রবাহ বন্ধ হয়ে মৃত্তিকা ক্ষয় রোধ হয় ।
উৎপাদিত ফসল: ডাল, সয়াবিন ইত্যাদি।
১২. মৃত্তিকা সংরক্ষণ কী ?
উত্তর – মৃত্তিকা সংরক্ষণ: যে বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতির মাধ্যমে মৃত্তিকাকে ক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করে মৃত্তিকার সঠিক গুণমান বজায় রাখা যায়, তাকেই মৃত্তিকা সংরক্ষণ বলে।
পদ্ধতি: বৃক্ষরোপণ, ধাপচাষ, সমোন্নতিরেখা বরাবর চাষ, শস্যাবর্তন, মালচিং প্রভৃতি।
১৩. ঝুম চাষ কাকে বলে ?
উত্তর – ঝুম চাষ: পার্বত্য অঞ্চলের যে কৃষি ব্যবস্থায় কোনো একটি স্থানের গাছ কেটে পুড়িয়ে পরিষ্কার করে চাষবাস করা হয় এবং কয়েক বছর চাষবাস করার পর মৃত্তিকার উর্বরতা হ্রাস পেলে অন্যত্র গিয়ে আবার একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়, তাকে ঝুম চাষ বলে।
ফলাফল: ঝুম চাষের ফলে মৃত্তিকা আলগা ও শিথিল হয়ে ক্ষয়ের মাত্রা বৃদ্ধি পায় ।
ভারতের মৃত্তিকা প্রশ্ন উত্তর // দশম শ্রেণী ভূগোল // Class 10 Geography Question Answer // WBBSE
১৪. বদভূমি কী ?
উত্তর – বদভূমি: উদ্ভিদহীন শুষ্ক অঞ্চলে খোয়াই ও র্যাভাইন ক্ষয় মিলিত হয়ে যে উঁচুনীচু অনুর্বর ভূমিভাগের সৃষ্টি করে, তাকে বদভূমি বলে। যেমন-পশ্চিমবঙ্গের গড়বেতায় অবস্থিত গনগনি।
ফলাফল: বদভূমির ফলে উর্বর মৃত্তিকা অপসারিত হয়ে যায়।
প্রতিরোধ: বদভূমিকে মৃত্তিকা ক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা পেতে দীর্ঘ শিকড়যুক্ত বৃক্ষরোপণ করতে হবে।
১৫. ধাপ চাষের গুরুত্ব কী ? [ ME-2018 ]
উত্তর – ধাপ চাষের গুরুত্বসমূহ: পার্বত্য অঞ্চলের ঢালু ভূমিভাগে ধাপচাষ করা হয়। ধাপচাষের গুরুত্বগুলি হল –
(ক) ধান চাষের সুবিধা: ভূমিভাগের ঢালের কৌণিক মান হ্রাস পায় অর্থাৎ, সমতলভূমি তৈরি করা হয়। এর ফলে ওই সমতল-ভূমিতে জল দাঁড়িয়ে থাকার জন্য ধানচাষের ব্যাপক সুবিধা হয়।
(খ) মৃত্তিকা ক্ষয় রোধ: পার্বত্য ঢালু জমিতে জলের প্রভাবে ব্যাপক মৃত্তিকা ক্ষয় হয়, কিন্তু ধাপ তৈরি করে চাষ করলে সেই মৃত্তিকার উপর দিয়ে জলের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় ফলে মৃত্তিকা ক্ষয়ের হার অনেক কম হয়।
১৬. হিউমাস কাকে বলে ?
উত্তর – হিউমাস: মৃত্তিকায় উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহাবশেষ বিভিন্ন বিয়োজক ও জীবাণুদের ক্রিয়ায় বিয়োজিত হয়ে কাদার মতো এক ধরনের চটচটে পদার্থের সৃষ্টি করে, একে হিউমাস বলা হয়। এটি মৃত্তিকার গঠন, সচ্ছিদ্রতা, গ্রথন প্রভৃতি বৈশিষ্ট্যকে নিয়ন্ত্রণ করে।
আরও পড়ুন –
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রশ্ন উত্তর
বারিমন্ডল অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর
বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ প্রশ্ন উত্তর
বায়ুমন্ডল অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর