বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ ।। প্রথম অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর ।। Class 10 geography Chapter 1 Question Answer ।। মাধ্যমিক ভূগোল 2027

বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ 2027 ।। প্রথম অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর ।। Class 10 geography Chapter 1 Question Answer ।। মাধ্যমিক ভূগোল প্রথম অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর 2027 ।।

বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ

MCQ

(১)  পৃথিবীর বৃহত্তম বদ্বীপ হল –

(ক)  মিসিসিপি বদ্বীপ

(খ) গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপ

(গ) সিন্ধু বদ্বীপ

(ঘ) নীলনদের বদ্বীপ

উত্তর – (খ) গঙ্গা–ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপ

(২) কিউমেক হল –

(ক) নদীর জলপ্রবাহ মাপার একক

(খ) বায়ুর বেগের একক

(গ) হিমবাহের গতিবেগের একক

(ঘ) বরফের গভীরতার একক

উত্তর – (ক) নদীর জলপ্রবাহ মাপার একক

(৩) শুষ্ক অঞ্চলের গিরিখাতকে বলে –

(ক)  V আকৃতির উপত্যকা

(খ) মন্ত্রকূপ

(গ) ক্যানিয়ন

(ঘ) ধান্দ

উত্তর – (গ) ক্যানিয়ন

(৪) মন্ত্রকূপ সৃষ্টি হয় –

(ক) নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে

(খ) বায়ুর ক্ষয়কার্যের ফলে

(গ) হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে

(ঘ) সমুদ্রতরঙ্গের ক্ষয়কার্যের ফলে

উত্তর – (ক) নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে

(৫) রসে মতানে সৃষ্টি হয় –

(ক) বায়ুর ক্ষয়কার্যের ফলে

(খ) নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে

(গ) হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে

(ঘ) ) সমুদ্রতরঙ্গের ক্ষয়কার্যের ফলে

উত্তর – (গ) হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে

(৬) হিমবাহের সঞ্চয়কার্যের ফলে সৃষ্ট উলটানো নৌকার ন্যায় ভূমিরূপ হল –

(ক) রসে মতানে

(খ) ড্রামলিন

(গ) কেম

(ঘ) কেটল

উত্তর – (খ) ড্রামলিন

(৭) পৃথিবীর সর্ববৃহৎ পার্বত্য হিমবাহটি হল –

(ক) হুবার্ড

(খ) সিয়াচেন

(গ) মেসার্ভ

(ঘ) কোয়াবেয়াক

উত্তর – (ক) হুবার্ড

(৮) মরু অঞ্চলে বায়ুর ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত ব্যাঙের ছাতার মতো ভূমিরূপ হল –

(ক) আগামুক

(খ) রকি নব

(গ) ইনসেলবার্জ

(ঘ) গৌর

উত্তর – (ঘ) গৌর

(৯) সিফ বালিয়াড়ির অপর নাম –

(ক) বার্খান

(খ) অনুপ্রস্থ

(গ) অনুদৈর্ঘ্য

(ঘ) চলন্ত বালিয়াড়ি

উত্তর – (গ) অনুদৈর্ঘ্য

(১০) বহির্জাত প্রক্রিয়ার মূল উৎস হল –

(ক) সূর্য

(খ) নদী

(গ) বায়ু

(ঘ) হিমবাহ

উত্তর – (ক) সূর্য

(১১) যে প্রক্রিয়ায় অভিকর্ষের টানে উচ্চভূমির ঢাল বরাবর মাটি ও শিলাস্তর নেমে আসে তাকে বলে –

(ক) আবহবিকার

(খ) পর্যায়ন

(গ) অন্তর্জাত

(ঘ) পুঞ্জিত ক্ষয়

উত্তর – (ঘ) পুঞ্জিত ক্ষয়

(১২) জলপ্রপাতের পাদদেশে সৃষ্ট হাঁড়ির মতো গর্তকে বলা হয় –

(ক) মন্ত্রকূপ

(খ) প্রপাতকূপ

(গ) ফিয়র্ড

(ঘ) পলল ব্যজনী

উত্তর – (খ) প্রপাতকূপ

(১৩) খোলা প্রশস্ত ফানেল আকৃতির নদী মোহনাকে বলে –

(ক) খাঁড়ি

(খ) বদ্বীপ

(গ) প্লাবনভূমি

(ঘ) ক্যানিয়ন

উত্তর – (ক) খাঁড়ি

(১৪) হিমবাহ সৃষ্ট হ্রদ হল –

(ক) প্লায়া হ্রদ

(খ) করি হ্রদ

(গ) অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ

(ঘ) উপহ্রদ

উত্তর – (খ) করি হ্রদ

(১৫) বায়ুর সঞ্চয়ের ফলে গঠিত সমভূমিকে বলে –

(ক) বালিয়াড়ি

(খ) হামাদা

(গ) ধ্রিয়ান

(ঘ) লোয়েস

উত্তর – (ঘ) লোয়েস

(১৬) কোন গতিতে নদীর ক্ষয় সর্বাধিক হয় ? –

(ক) উচ্চগতি

(খ) মধ্যগতি

(গ) নিম্নগতি

(ঘ) কোনোটিই নয়

উত্তর – (ক) উচ্চগতি

(১৭) হিমবাহের সঞ্চয়কার্যের ফলে গঠিত ভূমিরূপ –

(ক) ফিয়র্ড

(খ) করি

(গ) গ্রাবরেখা

(ঘ) রসেমতানে

উত্তর – (গ) গ্রাবরেখা

(১৮) নদীর গতিপথে ক্যানিয়ন সৃষ্টি হয় –

(ক) শুষ্ক অঞ্চলে

(খ) আর্দ্র অঞ্চলে

(গ) বৃষ্টিবহুল অঞ্চলে

(ঘ) বরফাবৃত অঞ্চলে

উত্তর – (ক) শুষ্ক অঞ্চলে

(১৯) নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট একটি ভূমিরূপ –

(ক) প্লাবন ভূমি

(খ) বদ্বীপ

(গ) পললশঙ্কু

(ঘ) গিরিখাত

উত্তর – (ঘ) গিরিখাত

(২০) কোন ভূমিরূপটি বায়ু ও জলধারার মিলিত কার্যে গঠিত ? –

(ক) জুইগ্যান

(খ) গৌর

(গ) পেডিমেন্ট

(ঘ) বার্খান

উত্তর – (গ) পেডিমেন্ট

(২১) মরু অঞ্চলের অবশিষ্ট পাহাড়গুলি কী নামে পরিচিত? –

(ক) মোনাডনক

(খ) গৌর

(গ) ইনসেলবার্জ

(ঘ) ইয়ার্দাং

উত্তর – (গ) ইনসেলবার্জ

(২২) যে প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি ভূপৃষ্ঠের ওপর কাজ করে ভূমিরূপের পরিবর্তন ঘটায় তাকে বলে –

(ক) বহির্জাত প্রক্রিয়া

(খ) অন্তর্জাত প্রক্রিয়া

(গ) গিরিজনি আলোড়ন

(ঘ) মহীভাবক আলোড়ন

উত্তর – (ক) বহির্জাত প্রক্রিয়া

(২৩) লবণযুক্ত শিলাস্তরের ওপর নদীর প্রধান ক্ষয় প্রক্রিয়াটি হল –

(ক) অবঘর্ষ ক্ষয়

(খ) ঘর্ষণ ক্ষয়

(গ) জলপ্রবাহ ক্ষয়

(ঘ) দ্রবণ ক্ষয়

উত্তর – (ঘ) দ্রবণ ক্ষয়

(২৪) নদীতে প্রপাতকূপ গড়ে ওঠে –

(ক) উচ্চপ্রবাহে

(খ) মধ্যপ্রবাহে

(গ) নিম্নপ্রবাহে

(ঘ) কোনোটিই নয়

উত্তর – (ক) উচ্চপ্রবাহে

(২৫) হিমবাহ সঞ্চিত দীর্ঘ আঁকাবাঁকা শৈলশিরার মতো ভূমিরূপ হল –

(ক) ড্রামলিন

(খ) এসকার

(গ) কেম

(ঘ) কেটল

উত্তর – (খ) এসকার

(২৬) যে প্রক্রিয়ায় ভূপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায়, তাকে বলে –

(ক) আরোহণ প্রক্রিয়া

(খ) অবরোহণ প্রক্রিয়া

(গ) আবহবিকার প্রক্রিয়া

(ঘ) নগ্নীভবন প্রক্রিয়া

উত্তর – (ক) আরোহণ প্রক্রিয়া

(২৭) পার্বত্য হিমবাহের পৃষ্ঠদেশে সৃষ্ট গভীর ফাটলগুলিকে বলে –

(ক) নুনাটক

(খ) ক্রেভার্স

(গ) অ্যারেট

(ঘ) সার্ক

উত্তর – (খ) ক্রেভার্স

(২৮) পাখির পায়ের মতো আকৃতির বদ্বীপ গঠিত হয়েছে –

(ক) নীলনদের মোহনায়

(খ) হোয়াংহোর মোহনায়

(গ) সিন্ধুনদের মোহনায়

(ঘ) মিসিসিপি মিসৌরির মোহনায়  

উত্তর – (ঘ) মিসিসিপি মিসৌরির মোহনায় 

(২৯) অর্ধচন্দ্রাকৃতি বালিয়াড়িকে বলা হয় –

(ক) সিফ

(খ) অ্যাকলে বালিয়াড়ি

(গ) হামাদা

(ঘ) বার্খান

উত্তর – (ঘ) বার্খান

(৩০) ভারতের বৃহত্তম হিমবাহ হল –

(ক) বল্ট্যারো

(খ) গঙ্গোত্রী

(গ) রিয়াফো

(ঘ) সিয়াচেন

উত্তর – (ঘ) সিয়াচেন

(৩১) মরু অঞ্চলের শুদ্ধ নদীখাতকে বলে –

(ক) বাজাদা

(খ) প্লায়া

(গ) ওয়াদি

(ঘ) প্রিয়ান

উত্তর – (গ) ওয়াদি

(৩২) উপত্যকা হিমবাহ ও পর্বতগাত্রের মধ্যে সৃষ্ট ফাটলকে বলে –

(ক) বার্গশ্রুন্ড

(খ) ক্রেভার্স

(গ) হিমদ্রোণী

(ঘ) র‍্যান্ডক্রাফট

উত্তর – (ক) বার্গশ্রুন্ড

(৩৩) নদীবক্ষে যে ছোটো ছোটো গর্তের সৃষ্টি হয়, তাকে বলে –

(ক) পলল ব্যজনী

(খ) ধান্দ

(গ) কেটল্ হ্রদ

(ঘ ) মন্থকূপ

উত্তর – (ঘ ) মন্থকূপ

(৩৪) আরোহণ ও অবরোহণ প্রক্রিয়ার সম্মিলিত ফল‘ হল –

(ক) ক্ষয়ীভবন

(খ) নগ্নীভবন

(গ) বিচূর্ণীভবন

(ঘ) পর্যায়ন

উত্তর – (ঘ) পর্যায়ন

(৩৫) হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট একটি ভূমিরূপ –

(ক) গ্রাবরেখা

(খ) ঝুলন্ত উপত্যকা

(গ) ড্রামলিন

(ঘ) এসকার

উত্তর – (খ) ঝুলন্ত উপত্যকা

(৩৬) কোন ভূমিরূপকে ‘মাশরুম রক‘ বলা হয় ?

(ক) ইয়ার্দাং

(খ) গৌর

(গ) জুগ্যান

(ঘ) ইনসেলবার্জ

উত্তর – (খ) গৌর

(৩৭) কিউসেক হল –

(ক) বায়ুপ্রবাহের একক

(খ) নদীর জলপ্রবাহ মাপার একক

(গ) বরফের গভীরতার একক

(ঘ) হিমবাহ প্রবাহের একক

উত্তর – (খ) নদীর জলপ্রবাহ মাপার একক

(৩৮) ‘করি‘ এর অপর নাম হল –

[অথবা],

হিমবাহ সৃষ্ট হ্রদ হল –

(ক) সার্ক

(খ) বার্গমুন্ড

(গ) কেম

(ঘ) ঝুলন্ত উপত্যকা

উত্তর – (ক) সার্ক

(৩৯) তির্যক বালিয়াড়িকে বলে –

(ক) সীফ

(খ) প্লায়া

(গ) লোয়েস

(ঘ) বার্খান

উত্তর – (ঘ) বার্খান

(৪০) যে প্রক্রিয়ায় অসমতল বন্ধুর ভূমি অপসারিত হয়ে সমতল বা প্রায় সমতলে পরিণত হয়, তাকে বলে –

(ক) নগ্নীভবন

(খ) আরোহণ

(গ) পর্যায়ন

(ঘ) অবরোহণ

উত্তর – (ঘ) অবরোহণ

(৪১) মরুভূমিতে বায়ু দ্বারা বালুকণা উত্থিত এবং অপসারিত হয় যে প্রক্রিয়ায় তা হল –

(ক) অপসারণ

(খ) অবঘর্ষ

(গ) ঘর্ষণ

(ঘ) লম্ফদান

উত্তর – (ক) অপসারণ

(৪২) প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা চূর্ণ–বিচূর্ণ হয় ও অন্যত্র অপসারিত হয় –

(ক) আবহবিকার

(খ) ক্ষয়ীভবন

(গ) আরোহন

(ঘ) অবরোহন

উত্তর – (গ) আরোহন

(৪৩) বহির্জাত প্রক্রিয়ার মূল উৎস হল –

(ক) সূর্য

(খ) নদী

(গ) হিমবাহ

(ঘ) বায়ু

উত্তর – (ক) সূর্য

(৪৪) নদীর গতিবেগ দ্বিগুন হলে বহন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় –

(ক) 32 গুন

(খ) 22 গুন

(গ) 25 গুন

(ঘ) 64 গুন

উত্তর – (ঘ) 64 গুন

(৪৫) পৃথিবীর গভীরতম গিরিখাতটি হলো –

(ক) কলোরাডো নদীর গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন

(খ) পেরুর কল্কা নদীর এল-ক্যানন দ্য কল্কা

(গ) ভারত মহাসাগরের সুন্দা খাত

(ঘ) প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা খাত

উত্তর – (ক) কলোরাডো নদীর গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন

(৪৬) অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ দেখা যায় নদীর –

(ক) উচ্চপ্রবাহে

(খ) মধ্যপ্রবাহে

(গ) নিম্ন প্রবাহে

(ঘ) কোনোটিই নয়

উত্তর – (গ) নিম্ন প্রবাহে

(৪৭) দুটি নদী অববাহিকার মধ্যবর্তী উচ্চভূমিকে বলা হয় –

(ক) জলবিভাজিকা

(খ) উপত্যকা

(গ) গিরিখাত

(ঘ) স্বাভাবিক বাঁধ

উত্তর – (ক) জলবিভাজিকা

(৪৮) পৃথিবীর বৃহত্তম নদী দ্বীপ হল –

(ক) মাজুলী

(খ) নয়াচর

(গ) মারাজো

(ঘ) কোনোটিই নয়

উত্তর – (ক) মাজুলী

(৪৯) বড়ো হাতলওয়ালা ডেক চেয়ারের মতো ভূমিরূপকে ফরাসি ভাষায় বলা হয় –

(ক) করি

(খ) সার্ক

(গ) কার

(ঘ) হর্ণ

উত্তর – (খ) সার্ক

(৫০) বায়ুর অবনমন ক্ষয়ের ফলে গর্তকে বলে –

(ক) ওয়াদি

(খ) রান

(গ) মরীচিকা

(ঘ) ধান্দ

উত্তর – (ঘ) ধান্দ

বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ

(৫১) কেবলমাত্র শিলা দিয়ে গঠিত মরুভূমিকে সাহারায় বলা হয় –

(ক) রেগ

(খ) হামাদা

(গ) আর্গ

(ঘ) কুম

উত্তর – (খ) হামাদা

(৫২) বায়ুর প্রবাহপথে আড়াআড়ি অর্ধচন্দ্রাকৃতি বালিয়াড়িকে বলে –

(ক) বার্খান

(খ) রান

(গ) সিফ

(ঘ) ওয়াদি

উত্তর – (ক) বার্খান

(৫৩) মালাবার উপকূলের বালিয়াড়িকে স্থানীয় ভাষায় বলা হয় –

(ক) মোনাডনক

(খ) বার্খান

(গ) টেরিস

(ঘ) আর্গ

উত্তর – (গ) টেরিস

(৫৪) মরুভূমির শুষ্ক নদীখাত হল –

(ক) বাজাদা

(খ) ওয়াদি

(গ) প্যান

(ঘ) স্যালিনা

উত্তর – (খ) ওয়াদি

(৫৫) প্লায়াকে রাজস্থানের থর মরুভূমিতে বলে –

(ক) বোলমন

(খ) শর্টস

(গ) বাজাদা

(ঘ) ধান্দ

উত্তর – (ঘ) ধান্দ

(৫৬)  হিমবাহ বাহিত পদার্থ কোনো স্থানে সঞ্চিত হয়ে উল্টানো নৌকা বা চামচের মতো ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়, একে বলে –

(ক) বার্থান

(খ) ড্রামলিন

(গ) এসকার

(ঘ) কোনোটিই নয়

উত্তর – (খ) ড্রামলিন

(৫৭) হিমবাহের ক্ষয় পদ্ধতিতে যেটি দেখা যায় না –

(ক) অবঘর্ষ

(খ) দ্রবন

(গ) উৎপাটন

(ঘ) প্লাকিং

উত্তর – (ঘ) প্লাকিং

(৫৮) দুটি নদীর মধ্যবর্তী স্থলকে বলা হয় –

(ক) উপত্যকা

(খ) দোয়াব

(গ) ব-দ্বীপ

(ঘ) জলবিভাজিকা

উত্তর – (খ) দোয়াব

(৫৯) পৃথিবীর গভীরতম ফিয়র্ড হল –

(ক) নরওয়ে সোগনে ফিয়র্ড

(খ) আন্টার্কটিকার ফিয়র্ড

(গ) ফিনল্যান্ডের ফিয়র্ড

(ঘ) স্কটল্যান্ডের ফিয়র্ড

উত্তর – (ক) নরওয়ে সোগনে ফিয়র্ড

(৬০) পৃথিবীর দীর্ঘতম উপত্যকা হিমবাহ হল –

(ক) সিয়াচেন

(খ) হুবার্ড

(গ) ম্যালাসপিনা

(ঘ) বলটারো

উত্তর – (খ) হুবার্ড

(৬১) কোনটি অবরোহন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহন করে না –

(ক) আবহবিকার

(খ) অবঘর্ষ ক্ষয়

(গ) লাভার সঞ্চয়

(ঘ) পুঞ্জিত ক্ষয়

উত্তর – (গ) লাভার সঞ্চয়

(৬২) অবরোহন ও আরোহন প্রক্রিয়ার মিলিত রূপ হলো –

(ক) পুঞ্জিত ক্ষয়

(খ) পর্যায়ন

(গ) নগ্নীভবন

(ঘ) ক্ষয়ীভবন

উত্তর – (খ) পর্যায়ন

(৬৩) জলপ্রবাহের একক –

(ক) লিটার

(খ) ব্যারেল

(গ) গ্যালন

(ঘ) কিউসেক

উত্তর – (ঘ) কিউসেক

(৬৪) জলপ্রপাতের নীচে সৃষ্ট গর্তকে বলে –

(ক) প্লাঞ্জপুল

(খ) ক্যাসকেড

(গ) মন্থকূপ

(ঘ) র‍্যাপিডস্

উত্তর – (ক) প্লাঞ্জপুল

(৬৫) হিমবাহের উপরিপৃষ্ঠে ফাটলের সৃষ্টি হলে তাকে বলা হয়–

(ক) বার্গস্রুন্ড

(খ) ক্রেভাস

(গ) সার্ক

(ঘ) নুনাটকস

উত্তর – (খ) ক্রেভাস

(৬৬) পৃথিবীর উচ্চতম জলপ্রপাতটি হলো –

(ক) অ্যাঞ্জেল

(খ) নায়াগ্রা

(গ) হুড়ু

(ঘ) গেরসোপ্পা

উত্তর – (ক) অ্যাঞ্জেল

(৬৭) মরু অঞ্চলে অবশিষ্ট পাহাড়গুলিকে বলা হয় –

(ক) ইনসেলবার্জ

(খ) জ্যুগান

(গ) গৌর

(ঘ) মোনাডনক

উত্তর – (ঘ) মোনাডনক

(৬৮) নদীর উচ্চগতিতে সৃষ্ট ভূমিরূপ হলো –

(ক) ব-দ্বীপ

(খ) মন্থকূপ

(গ) স্বাভাবিক বাঁধ

(ঘ) নদী বাঁক

উত্তর – (খ) মন্থকূপ

(৬৯) পৃথিবীর বৃহত্তম বায়ুর অপবাহনে সৃষ্ট গর্ত হল –

(ক) কাতারা

(খ) সম্বর

(গ) ধান্দ

(ঘ) পুষ্কর

উত্তর – (ক) কাতারা

(৭০) যে উচ্চভূমি দুই বা ততোধিক নদীগোষ্ঠীকে পৃথক করে তাকে বলে –

(ক) জলবিভাজিকা

(খ) নদী অববাহিকা

(গ) ধারন অববাহিকা

(ঘ) স্বাভাবিক বাঁধ

উত্তর – (ঘ) স্বাভাবিক বাঁধ

(৭১) অনুদৈর্ঘ্য বালিয়াড়ির উদাহরণ হল –

(ক) রোডস্

(খ) ব্যাক

(গ) সিফ

(ঘ) বার্খান

উত্তর – (গ) সিফ

(৭২) ভারতের বৃহত্তম নদী মধ্যন্ত দ্বীপ বা চর হল –

(ক) পূর্বাশা দ্বীপ

(খ) পাম্বান দ্বীপ

(গ) মাজুলি দ্বীপ

(ঘ) কাচাটকা দ্বীপ

উত্তর – (গ) মাজুলি দ্বীপ

(৭৩) চলমান বালিয়াড়িকে থর মরু অঞ্চলে বলে –

(ক) মেসা

(খ) ধ্রিয়ান

(গ) লোয়েস

(ঘ) বিউট

উত্তর – (খ) ধ্রিয়ান

(৭৪) পৃথিবীর বৃহত্তম নদী অববাহিকা –

(ক) আমাজন

(খ) গঙ্গা

(গ) ব্রহ্মপুত্র

(ঘ) নীল

উত্তর – (ক) আমাজন

(৭৫) বহিঃধৌত সমভূমি নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন হলে তাকে বলে –

(ক) এসকার

(খ) ভ্যালিট্রেন

(গ) গ্রাবরেখা

(ঘ) ড্রামলিন

উত্তর – (খ) ভ্যালিট্রেন

(৭৬) বর্নহার্ড নামে পরিচিত –

(ক) বার্খান

(খ) ইনসেলবার্জ

(গ) ইয়ারদাং

(ঘ) গৌর

উত্তর – (খ) ইনসেলবার্জ

(৭৭) পাখির পায়ের মতো ব–দ্বীপ দেখা যায় –

(ক) গঙ্গা নদীতে

(খ) নীলনদ নদীতে

(গ) ব্রহ্মহ্মপুত্র নদীতে

(ঘ) মিসিসিপি মিসৌরি নদীতে

উত্তর – (ঘ) মিসিসিপি মিসৌরি নদীতে

(৭৮)  ইয়ারদাং গঠিত হয় –

(ক) হিমবাহের সঞ্চয়ের ফলে

(খ) বায়ুর ক্ষয় কাজের ফলে

(গ) নদীর ক্ষয়কাজের ফলে

(ঘ) বায়ুর সঞ্চয়কাজের ফলে

উত্তর – (খ) বায়ুর ক্ষয় কাজের ফলে

(৭৯) প্রপাতকূপ সৃষ্টি হয় যার ক্ষয়কার্যের ফলে –

(ক) বায়ু

(খ) হিমবাহ

(গ) নদী

(ঘ) সমুদ্রতরঙ্গ

উত্তর – (গ) নদী

(৮০) পর্বতের গায়ে যে সীমারেখার ওপর সারাবছর বরফ জমে থাকে তাকে বলে –

(ক) হিমশৈল

(খ) ব্লো আউট

(গ) হিমরেখা

(ঘ) হিমবাহ

উত্তর – (গ) হিমরেখা

(৮১) পলল শঙ্কু দেখা যায় –

(ক) পর্বতের উচ্চভাগে

(খ) নদীর মধ্যপ্রবাহে

(গ) ব-দ্বীপ অঞ্চলে

(ঘ) পর্বতের পাদদেশে

উত্তর – (ঘ) পর্বতের পাদদেশে

(৮২) তির্যক বালিয়াড়িকে বলা হয় –

(ক) সিফ

(খ) ব্লো আউট

(গ) লোয়েস

(ঘ) বার্খান

উত্তর – (ঘ) বার্খান

(৮৩) ঝুলন্ত উপত্যকায় সৃষ্টি হয় –

(ক) গিরিখাত

(খ) ক্রেভাস

(গ) হিমানি সম্প্রপাত

(ঘ) জলপ্রপাত

উত্তর – (ঘ) জলপ্রপাত

বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ

SAQ

(১) ‘ক্যানিয়ন‘ নদীর কোন গতিতে গড়ে ওঠে ?

উত্তর – মধ্য গতি ও নিম্ন গতিতে

(২) নদীবাঁকের কোন দিকে বেশি ক্ষয় হয় ?

উত্তর – অবতল দিকে

(৩) ‘মরুস্থলী‘ শব্দের অর্থ কী ?

উত্তর – মৃতের দেশ

(৪) নদীগঠিত হাতপাখা আকৃতির ভূমিরূপের নাম কী ?

উত্তর – পরল শঙ্কু

(৫) ক্ষয়ের শেষসীমা কোনটি ?

উত্তর – সমুদ্রতল

(৬) ভারতের সর্বোচ্চ মালভূমির নাম লেখো।

উত্তর – লাদাখ মালভূমি

(৭) সাহারায় বালুকাময় মরুভূমি কী নামে পরিচিত ?

উত্তর – আর্গ

(৮) উপত্যকা হিমবাহের সম্মুখ ভাগকে কী বলে ?

উত্তর – স্নাউট

(৯) বিশ্বের বৃহত্তম পাদদেশীয় হিমবাহের নাম কী ?

উত্তর – আলাস্কার মালাসপিনা

(১০) দুই নদী আবহবিকার মধ্যবর্তী উচ্চস্থানকে কী বলে ?

উত্তর – জলবিভাজিকা

(১১) প্লায়া হ্রদের সন্নিকটে গঠিত পলল সমভূমি কী নামে পরিচিত ?

উত্তর – বাজাদা

(১২) দুটি নদীর মধ্যবর্তী পলিগঠিত সমভূমিকে কী বলে ?

উত্তর – দোয়াব অঞ্চল

(১৩) পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশীয় হিমবাহের নাম কীৎ?

উত্তর – ল্যাম্বার্ট

(১৪) যে প্রক্রিয়ায় ভূপৃষ্ঠের উচ্চতা হ্রাস পায়, তাকে কী বলে ?

উত্তর – অবরোহন প্রক্রিয়া

(১৫) যে প্রক্রিয়ায় ভূপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায়, তাকে কী বলে ?

উত্তর – আরোহন প্রক্রিয়া

(১৬) আবহবিকার, পুঞ্জিত ক্ষয় ও ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়াকে একত্রে কী বলে ?

উত্তর – নগ্নীভবন

(১৭) যে প্রক্রিয়ায় ভূপৃষ্ঠের উচ্চতা সমতলে পরিণত হয়, তাকে কী বলে ?

উত্তর – পর্যায়ন প্রক্রিয়া

(১৮) ভারতের বৃহত্তম উপহ্রদ কোনটি ?

উত্তর – চিল্কা

(১৯) পৃথিবীর একটি শীতলতম মরুভূমির নাম লেখো ।

উত্তর – আটাকামা

(২০) দক্ষিণ গোলার্ধের দুটি উন্ষ মরুভূমির নাম লেখো ।

উত্তর – কালাহারি মরুভূমি ও আটাকামা মরুভূমি

(২১) পৃথিবীর গভীরতম ফিয়র্ডের নাম কী ?

উত্তর – নরওয়ের সোজনে ফিয়র্ড

(২২) নদীর জলপ্রবাহ পরিমাপের একক কী ?

উত্তর – কিউসেক

(২৩) লোহাচড়া দ্বীপটি কোন নদীর মোহনায় অবস্থিত ?

উত্তর – হুগলি নদীর মোহনায়

(২৪) লোয়েস শব্দের অর্থ কী ?

উত্তর – সূক্ষ্ম পলি বা স্থানচ্যুত বস্তুকনা

(২৫) পৃথিবীর বৃহত্তম নদীদ্বীপের নাম লেখো ।

উত্তর – মাজুলি দ্বীপ

(২৬) হিমবাহ উপত্যকার আকৃতি কীরূপ ?

উত্তর – ইংরেজি ‘U’ আকৃতির মতো

(২৭) কোন ভূমিরূপ ‘ডিমের ঝুড়ি‘ নামে পরিচিত ?

উত্তর – ড্রামলিন

(২৮)মালাবার উপকূলের উপহ্রদগুলিকে স্থানীয় ভাষায় কী বলে ?

উত্তর – কয়াল

(২৯) যে প্রক্রিয়ায় অভিকর্ষের টানে উচ্চভূমির ঢাল বরাবর মাটি ও শিলাস্তর নেমে আসে তাকে কী বলে ?

উত্তর – পুঞ্জক্ষয় প্রক্রিয়া

(৩০) সাহারা মরুভূমির লবণাক্ত হ্রদগুলিকে কী বলে ?

উত্তর – শটস

(৩১) ব–দ্বীপের ডেল্টা নামকরণ করেন কে ?

উত্তর – হেরোডেটাস

(৩২) পৃথিবীর বৃহত্তম ব–দ্বীপ কোনটি ?

উত্তর – গঙ্গা ব্রহ্মপুত্রের ব-দ্বীপ

(৩৩) ফিয়র্ডের দেশ বলা হয় কাকে ?

উত্তর – নরওয়ে

(৩৪) পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশীয় হিমবাহ কোনটি ?

উত্তর – আন্টার্কটিকার ল্যাম্বার্ট

(৩৫) পৃথিবীর দ্রুততম হিমবাহ কোনটি ?

উত্তর – গ্রিনল্যান্ডের জ্যাকোঙ্কেলন

(৩৬) ক্যানিয়ন কী ?

উত্তর – উচ্চ ও শুষ্ক পার্বত্য অঞ্চলে পার্শ্ব ক্ষয়ের তুলনায় নিম্নক্ষয় বেশি হলে নদী উপত্যকা অত্যন্ত গভীর ও সংকীর্ণ হয় একে ক্যানিয়ন বলা হয় ।

(৩৭) গাউড বা গাসি কী ?

উত্তর  – দুটি বালিয়াড়ির মধ্যবর্তী অংশ বালিহীন শিলাময় এলাকা দ্বারা পৃথক অঞ্চলকে করিডর বলে, যা সাহারাতে ‘গাসি’ নামে পরিচিত ।

(৩৮)  একটি শীতল মরুভূমির নাম লেখো ।

উত্তর –  গোবি মরুভূমি

(৩৯) শুষ্ক অঞ্চলের গিরিখাতকে কী বলে ?

উত্তর – ক্যানিয়ন

(৪০) আর্গ কী ?

উত্তর – কেবলমাত্র বালি দিয়ে গঠিত মরুভূমিকে সাহারায় আর্গ বলা হয় ।

(৪১) বিশ্বের গভীরতম গিরিখাত কোনটি ?

উত্তর – নেপালের কালীগন্ডক নদীর গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন

(৪২) পৃথিবীর উচ্চতম জলপ্রপাতের নাম কী ?

উত্তর – সাল্টো অ্যাঞ্জেল

(৪৩) বালিয়াড়ি কাকে বলে ?

উত্তর – বায়ুর গতিপথে কোনোকিছুর দ্বারা বাধা পেলে বায়ুবাহিত বালি স্তুপাকারে সঞ্চিত হয়ে যে স্থায়ী সচল, উঁচু ও দীর্ঘ বালির ঢিবি গড়ে ওঠে তাকে বালিয়াড়ি বলে ।

(৪৪) মোনাডনক কী ?

উত্তর – সমপ্রায় ভূমিতে নদীর ক্ষয়কাজের ফলে কঠিন শিলা গঠিত অনুচ্চ পাহাড়কে মোনাডনক্ বলে ।

(৪৫) ক্যাসকেড কী ?

উত্তর  – অসংখ্য ছোটো ছোটো র‍্যাপিডস্ পাশাপাশি অবস্থান করলে তাকে ক্যাসকেড বলে ।

(৪৫) বৃহদায়তন ইনসেলবার্জকে কী বলে ?

উত্তর – পেডিমেন্ট

(৪৬) শিলাময় মরুভূমি কী নামে পরিচিত ?

উত্তর – হামাদা

(৪৭) পৃথিবীর বৃহত্তম জলপ্রপাতটির নাম কী ?

উত্তর – ভেনেজুয়েলার সাল্টো অ্যাঞ্জেল

(৪৮) পৃথিবীর গভীরতম গিরিখাত কোনটি ?

উত্তর – এল-ক্যানন-দ্যা-কলকা

(৪৯) নেভে কী ?

উত্তর – সদ্য পতিত পেঁজা তুলোর মতো তুষারকে নেভে বলে ।

(৫০) পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য কোনটি ?

উত্তর – সুন্দরবন

(৫১) ভারতের একটি বিখ্যাত জলপ্রপাতের নাম লেখো ।

উত্তর – গোয়ার মান্দোভি নদীর উপর দুধসাগর ভারতের বিখ্যাত জলপ্রপাত।

(৫২) নবীন ভঙ্গিল পর্বতে অসংখ্য গিরিখাত দেখা যায় কেন ?

উত্তর – নবীন ভঙ্গিল পর্বতগুলি সুউচ্চ এবং নরম শিলা গঠিত অঞ্চল। ফলে ক্ষয়ের মাত্রা অত্যন্ত বেশি বলেই উপত্যকা অতি গভীর ও সংকীর্ণ হয়েছে বলেই এখানে অসংখ্য গিরিখাত সৃষ্টি হয়েছে ।

(৫৩) হিমবাহ ও জলধারার মিলিত সঞ্চয়কার্যের ফলে গঠিত ভূমিরূপের নাম করো ।

উত্তর – এসকার।

(৫৪) পৃথিবীর বৃহত্তম পাদদেশীয় হিমবাহের নাম লেখো;।

উত্তর – আলাস্কার ম্যালাসপিনা।

(৫৫) গৌর কীভাবে সৃষ্টি হয় ?

উত্তর – মরুভূমিতে বায়ুর অবঘর্ষ ক্ষয়ের ফলে ব্যাঙের ছাতার মতো দেখতে নিম্নাংশ সরু এবং উর্দ্ধাংশ চওড়া শিলাস্তুপকে সাহারা মরুভূমিতে গৌর বলা হয় ।

(৫৬) পৃথিবীর বৃহত্তম মরুভূমির নাম কী ?

উত্তর – সাহারা মরুভূমি।

 শূন্যস্থান পূরণ কর :

(১) সাহারা মরুভূমির লবণাক্ত প্লায়া হ্রদগুলিকে ____________ বলে।

উত্তর – শটস

(২) পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশীয় হিমবাহের নাম হল ____________ ।

উত্তর – ল্যাম্বার্ট

(৩) নীলনদের বদ্বীপ _____________ আকৃতির।

উত্তর – ধনুক

(৪) এসকার হিমবাহের __________ কাজের ফলে সৃষ্টি হয়।

উত্তর – সঞ্চয়

(৫) পৃথিবীর দীর্ঘতম উপত্যকা হিমবাহ হল _______________ ।

উত্তর – আলাস্কার হুবার্ড

(৬) ‘লোয়েস’ শব্দের অর্থ হল ____________ ।‌

উত্তর – স্থানান্তরিত

(৭) _______________ নদীর নাম অনুসারে নদীতে সৃষ্ট বাঁক ‘মিয়েন্ডার’ নামে পরিচিত।

উত্তর – তুরস্কের মিয়েন্ডারস

(৮) ব্রহ্মপুত্র নদের _____________ দ্বীপ পৃথিবীর বৃহত্তম নদীচর ।

উত্তর – মাজুলি

(৯) হিমবাহের সঞ্চয় কার্যে সৃষ্ট উলটানো নৌকার মতো ভূমিরূপের নাম _____________ ।

উত্তর – ড্রামলিন

(১০) মরু অঞ্চলে কঠিন ও কোমল শিলা পর্যায়ক্রমে অনুভূমিকভাবে অবস্থান করে সৃষ্টি করে ____________ ।

উত্তর – জিউগেন

(১১) মরু অঞ্চলে বায়ুর অপসারণে সৃষ্ট গর্তকে ___________ বলে।

উত্তর – ধান্দ

(১২) উৎস অঞ্চলে নদী অববাহিকাকে ___________ বলে।

উত্তর – ধারণ অববাহিকা

(১৩) দুটি সিফ বালিয়াড়ির মধ্যবর্তী অঞ্চল ___________ নামে পরিচিত।

উত্তর – গাসি

(১৪) _____________ হল একপ্রকার বহির্জাত প্রক্রিয়া ।

উত্তর – নদী, বায়ু, হিমবাহ

(১৫) ফানেল আকৃতির চওড়া নদী মোহনাকে _________ বলে ।

উত্তর – খাড়ি

(১৬) বালি দ্বারা গঠিত মরুভূমি সাহারায় ___________ নামে পরিচিত।

উত্তর – আর্গ

(১৭) অবঘর্ষ প্রক্রিয়ার ফলে জলপ্রপাতের নীচে সৃষ্ট গর্তকে _______________ বলে ।

উত্তর – প্রপাতকুপ বা প্লাঞ্জপুল

(১৮) ক্র্যাগ-এর পশ্চাৎ দেশের শিলাস্তুপকে বলে ______________ ।

উত্তর – টেল

(১৯) চলমান বালিয়াড়িকে ভারতে __________ বলে।

উত্তর – ধ্রিয়ান

(২০) পৃথিবীর বৃহত্তম পাদদেশীয় হিমবাহ ___________ ।

উত্তর – আলাস্কার মালাসপিনা

(২১) পার্বত্য অঞ্চলে নদীর বুকে সৃষ্ট গর্তকে বলে ____________ ।

উত্তর – মন্থকূপ

(২২) এসকার হিমবাহের _____________ কাজের ফলে সৃষ্ট।

উত্তর – সঞ্চয়

(২৩) হিমবাহের মধ্যে আড়াআড়িভাবে অবস্থিত ফাটলগুলিকে ____________ বলে।

উত্তর – ক্রেভাস

(২৪) অসংখ্য ছোটো বড়ো র‍্যাপিডস্ পাশাপাশি অবস্থান করলে তাকে ____________ বলে।

উত্তর – ক্যাসকেড

(২৫) ________________ একটি অনিত্যবহ নদী।

উত্তর – দামোদর

(২৬) ______________ পৃথিবীর সুদৃশ্যতম জলপ্রপাত।

উত্তর – নায়াগ্রা

(২৭) পেডিমেন্টের পশ্চাতে অনুচ্চ টিলাগুলিকে ___________ বলে।

উত্তর – ইনসেলবার্জ

(২৮) কেরালার মালাবার উপকূলের বালিয়াড়িকে ______________ বলে।

উত্তর – টেরিস

(২৯) চিরতুষারাবৃত অঞ্চলের নিম্নতম প্রান্তরেখাকে বলে _______________ ।

উত্তর – প্রান্ত গ্রাবরেখা

(৩০) _______________ হল হিমবাহের উপর সমান্তরাল ও তির্যকভাবে সৃষ্ট ফাটল।

উত্তর – বার্গস্রুন্ড

(৩১) _______________বালিয়াড়ির দুপাশে শিং থাকে।

উত্তর – তির্যক

(৩৩) জলপ্রপাতের প্রবল জলরাশি বাহিত হলে তাকে _______________ বলে।

উত্তর – ক্যাটারাক্ট

(৩৪) পার্বত্য অংশে নদীর নিম্নক্ষয় প্রধানত ___________ প্রক্রিয়ায় ঘটে।

উত্তর – অবঘর্ষ

Mark – 2 প্রশ্ন উত্তর

১. পাখির পায়ের মতো ব-দ্বীপ কীভাবে গঠিত হয় ?

উত্তর – পাখির পায়ের মতো বদ্বীপ: মূল নদী বহু শাখায় বিভক্ত হয় এবং সমুদ্রে পড়ার পরে জলের প্রবাহ বজায় থাকলে এই ধরনের বদ্বীপ সৃষ্টি হয়। পাখির পায়ের মতো দেখতে বলে পক্ষীপাদ বদ্বীপ বলে। নদী সমুদ্রে পড়ার পরেও জলের প্রবাহ বজায় রেখে এই বদ্বীপ সৃষ্টি করে।

গঠন বা সৃষ্টির কারণ: (i) মূল নদী বহু শাখায় বিভক্ত। (ii) শাখা নদী সমুদ্রের মধ্যে প্রবাহ বজায় রাখে। (ii) নদী সমুদ্রে বহুদূর পর্যন্ত বাহিত হয়ে এই বদ্বীপ সৃষ্টি করে।  উদাহরণ: পাখির পায়ের মতো আকৃতির ব-দ্বীপ দেখা যায় মিসিসিপি-মিসৌরি নদীর মোহনায় (মেক্সিকো উপসাগর)।  ভারতের কাবেরী নদীর মোহনায় পাখির পায়ের মতো বদ্বীপ দেখা যায়। মিসিসিপি বদ্বীপের শাখা নদীর মোহনা গুলোকে Pass বলা হয়।

২. বার্গস্রুন্ড কী ?

উত্তর – বার্গস্রুন্ড: পর্বতের গাঁ এবং হিমবাহের মধ্যে সৃষ্ট উলম্ব ও গভীর ফাটলকে বার্গস্রুন্ড বলে। ফরাসি ভাষায় Rimaye বলে।

বৈশিষ্ট্য: (a) উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে হিমবাহ ও পর্বতের মধ্যে সৃষ্ট ফাটল। (b) এটি উলম্ব ফাটল। (c) ফাটলের গভীরতা (100m) বেশি। (d) পর্বতারোহীদের জন্য বিপদজনক।

৩. হিমশৈল কী ?

উত্তর – হিমশৈল : সমুদ্রজলে ভাসমান বিশালাকৃতির বরফের স্তুপকে হিমশৈল বলে।

বৈশিষ্ট্য : (i) সমুদ্রে ভাসমান বিশাল আকৃতির বরফের স্তূপ। (ii) ভাসমান অনুপাত 1:9। (iii) মহাদেশীয় হিমবাহ থেকে ভেঙে এসে সমুদ্রে মেশে। (iv) এটি জাহাজ চলাচলে বিপদ ঘটায়।

উদাহরণ – মেরুঅঞ্চলে (গ্রীনল্যান্ড, আন্টার্টিকা) সমুদ্রে দেখা যায় দেখা যায় ।

৪. অপসারণ সৃষ্ট গর্ত কীভাবে সৃষ্টি হয় ?

উত্তর – অপসারণ গর্ত : মরু অঞ্চলে বায়ু প্রবাহের ফলে বালি অপসারিত ও ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে সৃষ্ট গর্তকে অপসারণ গর্ত বলে। অপসারণ গর্তকে ব্লো আউট (Blow out) বলে।

উৎপত্তি : মরুভূমি অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহের ফলে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কোন স্থানের বালি অপসারণের মাধ্যমে অন্যস্থানে উড়ে গিয়ে অপসারণ গর্ত সৃষ্টি করে।

বৈশিষ্ট্য : (a) এটি অপসারণ প্রক্রিয়া দ্বারা সৃষ্ট গর্ত। (b) কখনো কখনো বালি অপসারিত হয় জল বেরিয়ে আসে। (c) গর্তে জল জমে লবণাক্ত হ্রদ গড়ে ওঠে।

৫. প্রপাতকূপ কাকে বলে ?

উত্তর –


৬. লোয়েশের সংজ্ঞা দাও ।

উত্তর – লোয়েশ : ‘লোয়েশ’ শব্দের অর্থ স্থানচ্যুত বস্তু। মরু অঞ্চলের একস্থানের সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম ঈষৎ পীতাভ বালুকারাশি বায়ুর দ্বারা বাহিত হয়ে অন্যত্র জমা হলে তাকে লোয়েস বলে।

উদাহরণ : মধ্য এশিয়ার গোবি মরুভূমি থেকে বালুকারাশি উড়ে চিনের হোয়াংহো নদী অববাহিকায় সঞ্চিত হয়ে লোয়েস সমভূমি গড়ে উঠেছে।

৭. পর্যায়নের সংজ্ঞা দাও ।

উত্তর – সংজ্ঞা: যেসব বহির্জাত প্রক্রিয়া ভূপৃষ্ঠে ক্ষয়, বহন, সঞ্চয় কার্যের মাধ্যমে ভূমিভাগ সমতলে পরিণত করে, তাকে পর্যায়ন বলে।
বৈশিষ্ট্য: (১) পর্যায়ন হল অবরোহন ও আরোহন এর সম্মিলিত রূপ। ( ২) পর্যায়ন শব্দটি প্রথম তুলে ধরেন ভূতত্ত্ববিদ চেম্বারলিন ও স্যালিসবেরি। (৩) ক্ষয়, বহন ও সঞ্চয়ের মাধ্যমে ভূমিসমতল হওয়ার প্রক্রিয়া হল পর্যায়ন।

৮. পলল শঙ্কু কী ?

উত্তর – পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু : পার্বত্য প্রবাহ থেকে যখন নদী সমভূমিতে পতিত হয় তখন নদীর বহন ক্ষমতা হঠাৎ হ্রাস পাওয়ায় নদীবাহিত পলি, বালি, নুড়ি প্রভৃতি পর্বতের পাদদেশে শঙ্কুর মতো জমা হয়। একে পলল শঙ্কু বলে। পাশাপাশি কয়েকটি পলল শঙ্কু মিলিত হয়ে পলিমঞ্চ গঠন করে। যখন পলল শঙ্কুর উপর নদী বিভিন্ন খাতে প্রবাহিত হয় তখন পলল শঙ্কু দেখতে অর্ধগোলাকৃতির হয়। একে পলল ব্যজনী বা পলল পাখা বলে।  উদাহরণ: হিমালয়, আন্দিজ, রকি ইত্যাদি পর্বতের পাদদেশের নদীতে পলল ব্যজনী সৃষ্টি হয়েছে।

৯. পাদদেশীয় হিমবাহ বলতে কী বোঝো ?

উত্তর – সংজ্ঞা :  উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে ভূমিভাগের একটি বিশাল অঞ্চল জুড়ে যে হিমবাহ অবস্থান করতে দেখা যায়, তাকে মহাদেশীয় হিমবাহ বলে।

বৈশিষ্ট্য : (ক) পর্বতের নিচে বা পাদদেশে অঞ্চলে সৃষ্ট হিমবাহ । (খ) পর্বতের পাদদেশে অঞ্চলে অবস্থিত । (গ) এই হিমবাহের উচ্চতা মাঝারি হয় । (ঘ) এই হিমবাহের প্রবাহ পর্বতের পাদদেশে থেকে নীচে। (ঙ) গতিবেগ মাঝারি বা কম ।

উদাহরণ: অ্যান্টার্কটিকার ল্যাম্বার্ট


১০. তির্যক বালিয়াড়ির সংজ্ঞা দাও ।
১১. জলবিভাজিকা বলতে কী বোঝো ?
১২. ইনসেলবার্জ কী ?
১৩. অবঘর্ষ প্রক্রিয়া বলতে কী বোঝো ?
১৪. ড্রামলিন কাকে বলে ?
১৫. সিফ বালিয়াড়ি বলতে কী বোঝো ?
১৬. ধারণ অববাহিকা বলতে কী বোঝো ?
১৭. মন্থকূপ কী ?
১৮. নগ্নীভবন কাকে বলে ?

Mark – 3 প্রশ্ন উত্তর

১. উষ্ণ মরু অঞ্চলে বায়ুর কাজের প্রাধান্য দেখা যায় কেন ?
২. সুন্দরবন অঞ্চলের জলবায়ু পরিবর্তনের তিনটি প্রভাব লেখো ।
৩. বায়ুর / নদীর ক্ষয়কার্যের প্রক্রিয়াগুলি লেখো ।
৪. নদীর মোহনায় বদ্বীপ সৃষ্টি হওয়ার কারণগুলি লেখো ।
৫. বদ্বীপ সৃষ্টির তিনটি অনুকূল পরিবেশ লেখো ।
৬. পার্থক্য লেখো – নদী উপত্যকা ও হিমবাহ উপত্যকা, অনুদৈর্ঘ্য বালিয়াড়ি ও বার্খান(তির্যক) বালিয়াড়ি, ইয়ার্দাং ও জিউগেন, গিরিখাত ও ক্যানিয়ন, রসে মতানে ও ড্রামলিন

Mark – 5 প্রশ্ন উত্তর

১. নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট পাঁচটি ভূমিরূপ চিত্রসহ আলোচনা করো ।
২. নদীর সঞ্চয়কার্যের ফলে সৃষ্ট পাঁচটি ভূমিরূপ চিত্রসহ আলোচনা করো ।
৩. বায়ুর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট পাঁচটি ভূমিরূপ চিত্রসহ আলোচনা করো ।
৪. বায়ুর সঞ্চয়কার্যের ফলে সৃষ্ট পাঁচটি ভূমিরূপ চিত্রসহ আলোচনা করো ।
৫. হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট তিনটি ভূমিরূপ চিত্রসহ আলোচনা করো ।
৬. হিমবাহ ও জলধারার মিলিত সঞ্চয়কার্যের ফলে সৃষ্ট প্রধান ভূমিরূপগুলির চিত্রসহ বিবরণ দাও ।
৭. শুষ্ক অঞ্চলে বায়ু ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সৃষ্ট প্রধান ভূমিরূপগুলির চিত্রসহ বিবরণ দাও ।

আরও পড়ুন : –

ভারতের প্রাকৃতিক ভূগোল প্রশ্ন ও উত্তর

YouTube – Samim Sir

Leave a Comment