বারিমন্ডল অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর // তৃতীয় অধ্যায় // Class 10 Geography Chapter 3 Question Answer // WBBSE

বারিমন্ডল অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর // তৃতীয় অধ্যায় // Class 10 Geography Chapter 3 Question Answer // WBBSE

বারিমন্ডল অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর

Class 10 Geography Chapter 3 Question Answer

MCQ প্রশ্ন উত্তর

১. সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি নির্ভর করে – [ME-2020]

(ক) বায়ুপ্রবাহ

(খ) পৃথিবীর পরিক্রমণ

(গ) মগ্নচড়া

(ঘ) হিমপ্রাচীর

ত্তর – () বায়ুপ্রবাহ

২. শীতল স্রোতের উৎপত্তিস্থল হল –

(ক) নিরক্ষীয় অঞ্চল

(খ) উষ্ণমণ্ডল

(গ) নাতিশীতোয় অঞ্চল

(ঘ) মেরু অঞ্চল

ত্তর (ঘ) মেরু অঞ্চল

৩. উষ্ণস্রোত সাধারণত সৃষ্টি হয় –

(ক) উপমেরু অঞ্চলে

(খ) নাতিশীতোয় অঞ্চলে

(গ) ক্রান্তীয় অঞ্চলে

(ঘ) মেরু অঞ্চলে

ত্তর (গ) ক্রান্তীয় অঞ্চলে

৪. সমুদ্রস্রোত উত্তর গোলার্ধে বাঁক নেয় –

(ক) উত্তরদিকে

(খ) দক্ষিণদিকে

(গ) পূর্বদিকে

(ঘ) পশ্চিমদিকে

ত্তর (গ) পূর্বদিকে

৫. নিরক্ষীয় প্রতিস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ হল –

(ক) সমুদ্রজলের উন্নতার পার্থক্য

(খ) উপকূলের আকৃতি

(গ) নিয়ত বায়ুপ্রবাহ

(ঘ) পৃথিবীর আবর্তন গতি

ত্তর (ঘ) পৃথিবীর আবর্তন গতি

৬. পৃথিবীর বৃহত্তম ও গভীরতম মহাসাগর হল

(ক) সুমেরু মহাসাগর

(খ) আটলান্টিক মহাসাগর

(গ) প্রশান্ত মহাসাগর

(ঘ) ভারত মহাসাগর

ত্তর (গ) প্রশান্ত মহাসাগর

৭. উষ্ণসমুদ্রস্রোত এবং শীতল সমুদ্রস্রোত যে স্থানে মিলিত হয়, তাকে বলে – [ME-2019]

(ক) হিমপ্রাচীর

(খ) হিমশৈল

(গ) হিমানী সম্প্রপাত

(ঘ) হিমগুল্ম

ত্তর (ক) হিমপ্রাচীর

৮. পৃথিবীর বৃহত্তম মগ্নচড়া সৃষ্টি হয়েছে –

(ক) আটলান্টিক মহাসাগরে

(খ) ভারত মহাসাগরে

(গ) প্রশান্ত মহাসাগরে

(ঘ) সুমেরু মহাসাগরে

ত্তর (ক) আটলান্টিক মহাসাগরে

৯. ঋতুভেদে যে স্রোতের অভিমুখের পরিবর্তন হয়, তা হল –

(ক) ক্যানারি স্রোত

(খ) বেঙ্গুয়েলা স্রোত

(গ) মৌসুমি স্রোত

(ঘ) পেরুস্রোত

ত্তর (গ) মৌসুমি স্রোত

১০. উষ্ণও শীতল স্রোতের মিলনস্থলে দেখা যায় –

(ক) রৌদ্রকরোজ্জ্বল আবহাওয়া

(খ) প্রখর উষ্ণতা

(গ) প্রবল শৈত্য

(ঘ) কুয়াশা ও ঝড়বৃষ্টি

ত্তর (ঘ) কুয়াশা ও ঝড়বৃষ্টি

১১. প্রশান্ত মহাসাগরের একটি উষ্ণ স্রোতের নাম হল –

(ক) কুরোশিয়ো স্রোত

(খ) পেরু স্রোত

(গ) ল্যাবাডর স্রোত

(ঘ) সোমালি স্রোত

উত্তর (ক) কুরোশিয়ো স্রোত

১২. পৃথিবীর মোট আয়তনের জলভাগ দ্বারা আবৃত অংশ প্রায় – [পর্ষদ নমুনা প্রশ্ন]

(ক) 61%

(খ) 81%

(গ) 71%

(ঘ) 91%

উত্তর (গ) 71%

বারিমন্ডল অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর

১৩. প্রশান্ত মহাসাগরের একটি শীতল স্রোতের নাম হল –

(ক) বেরিং স্রোত

(খ) ব্রাজিল স্রোত

(গ) সোমালি স্রোত

(ঘ) পূর্ব অস্ট্রেলীয় স্রোত

ত্তর (ক) বেরিং স্রোত

১৪. ক্যালিফোর্নিয়া স্রোত প্রবাহিত হয় – [ ME-2014 ]

(ক) আটলান্টিক মহাসাগরে

(খ) প্রশান্ত মহাসাগরে

(গ) ভারত মহাসাগরে

(ঘ) সুমেরু মহাসাগরে

ত্তর (খ) প্রশান্ত মহাসাগরে

১৫. কুরোশিয়ো স্রোত দেখা যায় যে মহাসাগরে, তা হল –

(ক) প্রশান্ত মহাসাগর

(খ) ভারত মহাসাগর

(গ) আটলান্টিক মহাসাগর

(ঘ) সুমেরু মহাসাগর

ত্তর (ক) প্রশান্ত মহাসাগর

১৬. পেরু বা হামবোল্ড সমুদ্রস্রোত প্রবাহিত হয় –

(ক) আটলান্টিক মহাসাগরে

(খ) প্রশান্ত মহাসাগরে

(গ) ভারত মহাসাগরে

(ঘ) কুমেরু মহাসাগরে

ত্তর (খ) প্রশান্ত মহাসাগরে

১৭. হিমপ্রাচীর প্রধানত দেখা যায় –

(ক) প্রশান্ত মহাসাগরে

(খ) আটলান্টিক মহাসাগরে

(গ) ভারত মহাসাগরে

(ঘ) কুমেরু মহাসাগরে

ত্তর (খ) আটলান্টিক মহাসাগরে

১৮. ক্যানারি স্রোত একটি –

(ক) উষ্ণ স্রোত

(খ) শীতল স্রোত

(গ) অতি উন্নস্রোত

(ঘ) অতিশীতল স্রোত

ত্তর (খ) শীতল স্রোত

১৯. উপসাগরীয় স্রোতের গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় –

(ক) 5 কিমি

(খ) ৪ কিমি

(গ) 15 কিমি

(ঘ) 20 কিমি

ত্তর (খ) ৪ কিমি

২০. সবচেয়ে দ্রুততম সমুদ্রস্রোত হল –

(ক) কুরোশিয়ো স্রোত

(খ) মৌসুমি স্রোত

(গ) উপসাগরীয় স্রোত

(ঘ) ব্রাজিল স্রোত

ত্তর (গ) উপসাগরীয় স্রোত

২১. ফকল্যান্ড সমুদ্রস্রোত দেখা যায় –

(ক) দক্ষিণ ভারত মহাসাগরে

(খ) দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে

(গ) দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে

(ঘ) উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে

ত্তর (ক) দক্ষিণ ভারত মহাসাগরে

২২. আটলান্টিক মহাসাগরের একটি শীতল স্রোতের নাম হল –

(ক) বেরিং স্রোত

(খ) ওয়াশিয়ো স্রোত

(গ) ল্যাব্রাডর স্রোত

(ঘ) ক্যালিফোর্নিয়া স্রোত

ত্তর (গ) ল্যাব্রাডর স্রোত

২৩. কোন স্রোতের প্রভাবে ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ ও নরওয়ে উপকূলসারাবছর বরফমুক্ত থাকে ?

(ক) কুরোশিয়া স্রোত

(খ) ক্যারিবিয়ান স্রোত

(গ) উত্তর আটলান্টিক স্রোত

(ঘ) উত্তর নিরক্ষীয় স্রোত

ত্তর (গ) উত্তর আটলান্টিক স্রোত

২৪. আটলান্টিক মহাসাগরে শৈবাল সাগর সৃষ্টির জন্য দায়ী একটি স্রোত হল –

(ক) বেঙ্গুয়েলা স্রোত

(খ) পেরু স্রোত

(গ) ল্যাব্রাডর স্রোত

(ঘ) ক্যানারি স্রোত

ত্তর (ঘ) ক্যানারি স্রোত

২৫. উত্তর ভারত মহাসাগরের সমুদ্রস্রোত কোন বায়ু দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় ?

(ক) আয়ন বায়ু

(খ) পশ্চিমা বায়ু

(গ) মৌসুমি বায়ু

(ঘ) স্থানীয় বায়ু

ত্তর (গ) মৌসুমি বায়ু

২৬. আগুলহাস স্রোত দেখা যায় –

(ক) উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে

(খ) দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে

(গ) দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে

(ঘ) ভারত মহাসাগরে

ত্তর (ঘ) ভারত মহাসাগরে

২৭. মাদাগাস্কার ও মোজাম্বিক স্রোতের মিলিত প্রবাহকে বলে –

(ক) উপসাগরীয় স্রোত

(খ) কুরোশিয়ো স্রোত

(গ) আগুলহাস স্রোত

(ঘ) ক্যানারি স্রোত

ত্তর (গ) আগুলহাস স্রোত

২৮. শীতল ল্যাব্রাডর স্রোত এবং উয় উপসাগরীয় স্রোত মিলিত হয়ে ঘন কুয়াশা ও ঝড়ঝঞ্ঝার সৃষ্টি করে যে উপকূল অঞ্চলে তা হল – [ ME-2018 ]

(ক) নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকূল

(খ) গিনি উপকূল

(গ) ফ্লোরিডা উপকূল

(ঘ) পেরু উপকূল

ত্তর (ক) নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকূল

. এল-নিনোর প্রভাব দেখা যায় [ ΜΕ-2017, 2023 ]

(ক) আটলান্টিক মহাসাগরে

(খ) প্রশান্ত মহাসাগরে

(গ) ভারত মহাসাগরে

(ঘ) সুমেরু/উত্তর মহাসাগরে

উত্তর (খ) প্রশান্ত মহাসাগরে

৩০. কোনো স্থানের জোয়ার ও ভাটার প্রকৃত ব্যবধান প্রায় – [ME-2020]

(ক) দু-ঘণ্টার বেশি

(খ) ছ-ঘণ্টার বেশি

(গ) চার ঘণ্টার বেশি

(ঘ) আট ঘণ্টার বেশি

ত্তর (খ) ছ-ঘণ্টার বেশি

৩১. জোয়ার সৃষ্টির ক্ষেত্রে চন্দ্রের আকর্ষণ সূর্যের আকর্ষণের প্রায় –

(ক) দ্বিগুণ

(খ) তিনগুণ

(গ) চারগুণ

(ঘ) পাঁচগুণ

ত্তর (ক) দ্বিগুণ

৩২. জোয়ারভাটা সৃষ্টির মূল কারণ হল –

(ক) চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ

(খ) পৃথিবীর আবর্তন

(গ) পৃথিবী ও সূর্যের আকর্ষণ

(ঘ) পৃথিবীর পরিক্রমণ

ত্তর (ক) চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ

৩৩. চাঁদ ও সূর্যের জোয়ার সৃষ্টির ক্ষেত্রে অনুপাত –

(ক) 5:11

(খ) 11:5

(গ) 2:11

(ঘ) 5:13

ত্তর (খ) 11:5

৩৪. চন্দ্রের একবার পৃথিবীকে পরিক্রমণ করতে সময় লাগে –

(ক) সাড়ে 27 দিন

(খ) 29 দিন

(গ) 30 দিন

(ঘ) 32 দিন

ত্তর (ক) সাড়ে 27 দিন

৩৫. চন্দ্রের আকর্ষণে সৃষ্ট জোয়ারকে বলা হয় –

(ক) প্রত্যক্ষ জোয়ার

(খ) পরোক্ষ জোয়ার

(গ) গৌণ জোয়ার

(ঘ) গৌণ ভাটা

ত্তর (ক) প্রত্যক্ষ জোয়ার

৩৬. দুটি মুখ্য জোয়ারের মধ্যে সময়ের ব্যবধান –

(ক) 1 ঘণ্টা 13 মিনিট

(খ) 12 ঘণ্টা 26 মিনিট

(গ) 24 ঘণ্টা 52 মিনিট

(ঘ) 24 ঘণ্টা 13 মিনিট

ত্তর (গ) 24 ঘণ্টা 52 মিনিট

৩৭. মুখ্য জোয়ারের প্রতিপাদ স্থানে হয় –

(ক) ভাটা

(খ) গৌণ জোয়ার

(গ) ভরা জোয়ার

(ঘ) মরা কোটাল

ত্তর (খ) গৌণ জোয়ার

৩৮. কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাবে সৃষ্টি হয় –

(ক) মুখ্য জোয়ার

(খ) গৌণ জোয়ার

(গ) ভরা জোয়ার

(ঘ) মরা জোয়ার

ত্তর (খ) গৌণ জোয়ার

৩৯. কোনো স্থানের মুখ্য জোয়ার এবং গৌণ জোয়ারের মধ্যে সময়ের পার্থক্য হল – [ ME-2023 ]

(ক) 12 ঘণ্টা

(খ) 24 ঘণ্টা

(গ) 12 ঘণ্টা 26 মিনিট

(ঘ) 24 ঘণ্টা 52 মিনিট

ত্তর (গ) 12 ঘণ্টা 26 মিনিট

৪০. প্রতিযোগ অবস্থানের সময় থাকে –

(ক) সপ্তমী তিথি

(খ) অমাবস্যা তিথি

(গ) অষ্টমী তিথি

(ঘ) পূর্ণিমা তিথি

ত্তর (ঘ) পূর্ণিমা তিথি

৪১. সংযোগ জোয়ার হয় যে তিথিতে, সেটি হল –

(ক) অমাবস্যা

(খ) অষ্টমী

(গ) পূর্ণিমা

(ঘ) কোনোটিই নয়

ত্তর (ক) অমাবস্যা

৪২. কোন তিথিতে মরা জোয়ার হয় ?

(ক) অষ্টমী তিথিতে

(খ) নবমী তিথিতে

(গ) অমাবস্যা তিথিতে

(ঘ) পূর্ণিমা তিথিতে

ত্তর (ক) অষ্টমী তিথিতে

৪৩. মরা কোটালের সময় চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সাপেক্ষে নিম্নলিখিত কোণে অবস্থান করে – [ME-2018]

(ক) 180°

(খ) 360°

(গ) 90°

(ঘ) 120°

ত্তর (গ) 90°

৪৪. জোয়ার সবচেয়ে প্রবল আকার ধারণ করে –

(ক) পূর্ণিমা তিথিতে

(খ) অমাবস্যা তিথিতে

(গ) শুক্ল অষ্টমী তিথিতে

(ঘ) কৃষ্ণ অষ্টমী তিথিতে

ত্তর (খ) অমাবস্যা তিথিতে

৪৫. অমাবস্যা তিথিতে চাঁদের অবস্থান থাকে –

(ক) পৃথিবী ও সূর্যের সমকোণে

(খ) একই সরলরেখায় পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে

(গ) পৃথিবী ও সূর্যের সঙ্গে

(ঘ) পৃথিবী ও সূর্যের মাঝের স্থূলকোণে

ত্তর (খ) একই সরলরেখায় পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে

৪৬. মরা কোটালে চন্দ্র ও সূর্যের পারস্পরিক অবস্থান থাকে –

(ক) সরলরেখায়

(খ) সমান্তরালে

(গ) সমকোণে

(ঘ) কোনোটিই নয়

ত্তর (গ) সমকোণে

৪৭. ভরা কোটালের প্রাবল্য বৃদ্ধি পায় –

(ক) পূর্ণিমা তিথিতে

(খ) অমাবস্যা তিথিতে

(গ) কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে

(ঘ) শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে

ত্তর (খ) অমাবস্যা তিথিতে

৪৮. পূর্ণিমা তিথিতে সিজিগি অবস্থানকে বলে –

(ক) প্রতিপাদ

(খ) প্রতিযোগ

(গ) সংযোগ

(ঘ) অনুযোগ

ত্তর (খ) প্রতিযোগ

৪৯. মরা জোয়ারে সাধারণ জোয়ার অপেক্ষা কম জোয়ার হয় –

(ক) 10%

(খ) 20%

(গ) 30%

(ঘ) 40%

ত্তর (খ) 20%

৫০. পৃথিবীর থেকে চাঁদের দূরত্ব যখন সবচেয়ে কম তখন যে জোয়ার সৃষ্টি হয়, তাকে বলে –

(ক) ভরা কোটাল

(খ) মরা কোটাল

(গ) পেরিজি জোয়ার

(ঘ) অ্যাপোজি জোয়ার

ত্তর (গ) পেরিজি জোয়ার

৫১. নদীতে বানডাকা হয় কোন সময়ে ?

(ক) ভরা কোটালে

(খ) মরা কোটালে

(গ) গৌণ জোয়ারে

(ঘ) মুখ্য জোয়ারে

উত্তর – () ভরা কোটালে

৫২. বানডাকা সংঘটিত হয় –

(ক) গ্রীষ্ম ঋতুতে

(খ) বসন্ত ঋতুতে

(গ) শীত ঋতুতে

(ঘ) বর্ষা ঋতুতে

ত্তর (ঘ) বর্ষা ঋতুতে

৫৩. কোন জোয়ারের সঙ্গে বানডাকা সংঘটিত হয় ?

(ক) সৌর জোয়ারের সঙ্গে

(খ) চান্দ্র জোয়ারের সঙ্গে

(গ) ভরা জোয়ারের সঙ্গে

(ঘ) প্রত্যক্ষ জোয়ারের সঙ্গে

ত্তর (গ) ভরা জোয়ারের সঙ্গে

৫৪. পৃথিবী, সূর্য ও চাঁদ একই সরলরেখায় অবস্থান করাকে বলে –

(ক) পেরিজি

(খ) সিজিগি

(গ) অ্যাপোজি

(ঘ) অপসূর

উত্তর (খ) সিজিগি

৫৫. জোয়ারের জল নদীর মোহানা দিয়ে উলটো খাতে প্রবেশকে বলে –

(ক) প্রতিযোগ

(খ) সংযোগ

(গ) পেরিজি

(ঘ) বানডাকা

ত্তর (ঘ) বানডাকা

৫৬. বানডাকা যে নদীতে দেখা যায় –

(ক) অজয় নদী

(খ) দামোদর নদী

(গ) ময়ূরাক্ষী নদী

(ঘ) হুগলি নদী

ত্তর (ঘ) হুগলি নদী

৫৭. পেরিজির সঙ্গে সিজিগির মিলনকে বলা হয় –

(ক) অ্যাপেজি

(খ) প্রক্সিজিয়ান

(গ) পটোজিয়ান

(ঘ) পেরিজি

ত্তর (খ) প্রক্সিজিয়ান

৫৮.পৃথিবী ও চাঁদের দূরত্ব সর্বাধিক হলে, তাকে বলে – [ ME-2019 ]

(ক) সিজিগি

(খ) পেরিজি

(গ) অ্যাপোজি

(ঘ) অপসূর

ত্তর (গ) অ্যাপোজি

SAQ

১. ক্রান্তীয় সমুদ্রে কোন ধরনের সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি হয় ? [ ME-2017 ]

উত্তর – উষ্ণস্রোত

২. সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ কী ?

ত্তর নিয়ত বায়ুপ্রবাহ

৩. সমুদ্রস্রোতের দিক বিক্ষেপের কারণ কী ?

ত্তর পৃথিবীর আবর্তন গতি

৪. কোন বায়ুর প্রভাবে নিরক্ষীয় অঞ্চলের সমুদ্রস্রোতগুলি পূর্ব থেকে পশ্চিমে প্রবাহিত হয় ?

ত্তর আয়ন বায়ু

৫. গায়র কাকে বলে ?

ত্তর আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরের উপক্রান্তীয় অঞ্চলে সৃষ্ট চক্রাকারে জলাবর্ত

৬. আয়ন বায়ুপ্রবাহ কোন সমুদ্রস্রোতের উৎপত্তিকে প্রভাবিত করে ?

ত্তর উত্তর ও দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোত

৭. সামুদ্রিক মাছের প্রধান খাদ্য কী ? [ ME-2018 ]

ত্তর প্ল্যাংকটন

৮. নিউফাউন্ডল্যান্ডের কাছে অবস্থিত মৎস্য আহরণ ক্ষেত্রটির নাম কী ?

ত্তর গ্র্যান্ড ব্যাংক

৯. পৃথিবীর বৃহত্তম মগ্নচড়াটি কোন মহাসাগরে সৃষ্টি হয়েছে ?

উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে

. দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের একটি উষ্ণস্রোতের নাম উল্লেখ করো।

ত্তর নিউ সাউথওয়েলস স্রোত

১১. দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের একটি শীতল স্রোতের নাম উল্লেখ করো

ত্তর পেরু স্রোত বা হামবোল্ট স্রোত

১২. আটলান্টিক মহাসাগরের একটি শীতল স্রোতের নাম লেখো

ত্তর বেঙ্গুয়েলা স্রোত

১৩. আটলান্টিক মহাসাগরের একটি সমুদ্রস্রোতের নাম লেখো। [পর্ষদ নমুনা প্রশ্ন]

ত্তর শীতল ল্যাব্রাডর স্রোত

১৪. দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের একটি উষ্ণ স্রোতের নাম লেখো

উত্তর ব্রাজিল স্রোত

. প্রশান্ত মহাসাগরের একটি শীতল স্রোতের নাম উল্লেখ করো

ত্তর ক্যালিফোর্নিয়া স্রোত

১৬. ভারত মহাসাগরের একটি সমুদ্রস্রোতের নাম লেখো

ত্তর সোমালি স্রোত

১৭. কোন দুটি স্রোতের মিলনস্থলে হিমপ্রাচীর সৃষ্টি হয়েছে ?

ত্তর উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত ও শীতল ল্যাব্রাডর স্রোত

১৮. কুরোশিয়ো স্রোত কোথায় দেখা যায় ?

ত্তর জাপানের পূর্ব উপকূলে

১৯. কোন স্রোতের প্রভাবে শীতকালে জাপান উপকূল উষ্ণ থাকে ?

ত্তর উষ্ণ কুরোশিয়ো স্রোত বা জাপান স্রোত

২০. এল-নিনোর বিপরীত অবস্থা বোঝাতে কোন শব্দটি ব্যবহৃত হয় ?

ত্তর লা-নিনা

২১. শীতল ওখটস্ক স্রোত কোন মহাসাগরে প্রবাহিত হয় ?

ত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে

২২. চাঁদ কতদিনে একবার পৃথিবী প্রদক্ষিণ করে ?

ত্তর সাড়ে 27 দিন

২৩. জোয়ার ও ভাটার মধ্যে সময়ের ব্যবধান কত ?

ত্তর 6 ঘন্টা 13 মিনিট

২৪. দুটি মুখ্য জোয়ারের মধ্যে সময়ের ব্যবধান কত হয় ?

ত্তর 24 ঘন্টা 52 মিনিট

২৫. চাঁদের অপসূর অবস্থানকে কী বলে ?

ত্তর অ্যাপোজি

২৬. দুটি গৌণ জোয়ারের মধ্যে সময়ের ব্যবধান কত ?

ত্তর 24 ঘন্টা 52 মিনিট  

২৭. চাঁদ ও পৃথিবীর মধ্যে ন্যূনতম দূরত্বকে কী বলে ?

ত্তর পেরিজি

২৮. পৃথিবীর দুই বিপরীত দিকে চাঁদ ও সূর্যের অবস্থানকে কী বলে ?

ত্তর প্রতিযোগ

২৯. কোন তিথিতে প্রতিযোগ অবস্থান দেখা যায় ?

ত্তর পূর্ণিমা তিথিতে

৩০. প্রত্যক্ষ জোয়ারের অপর নাম কী ?

ত্তর চান্দ্রজোয়ার

৩১. কোন কোন তিথিতে মরা জোয়ার হয় ?

ত্তর কৃষ্ণ ও শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে

৩২. অ্যাপোজি অবস্থানে পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যে দূরত্ব কত হয় ?

ত্তর 4 লক্ষ 7 হাজার কিমি

৩৩. চন্দ্রের কোন অবস্থানের সময় জোয়ারের জল অনেক ফুলে ওঠে ?

ত্তর পেরিজি অবস্থান

৩৪. চাঁদ ও পৃথিবীর মধ্যে গড় দূরত্ব কত ?

ত্তর 384400 কিমি

৩৫. পেরিজি অবস্থানে চন্দ্র ও পৃথিবীর দূরত্ব কত হয় ?

ত্তর 356000 কিমি

৩৬. কোন তিথিতে জোয়ারের মাত্রা সর্বাধিক ?

ত্তর অমাবস্যা তিথিতে

৩৭. পৃথিবীর ওপর চাঁদের আকর্ষণ সূর্যের আকর্ষণ অপেক্ষা কত গুণ বেশি ?

ত্তর 2.2 গুন

৩৮. অমাবস্যা তিথির সিজিগি অবস্থানকে কী বলে ?

ত্তর সংযোগ

Mark – 2

১. সমুদ্রস্রোতের সংজ্ঞা দাও। [ ME-2019 ] [ পর্ষদ নমুনা প্রশ্ন]

ত্তর সমুদ্রস্রোত: পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ঠের জলরাশি প্রাকৃতিক কারণে নিয়মিতভাবে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নির্দিষ্ট পথে প্রবাহিত হয়। সমুদ্রের উপরিভাগে এই একমুখী প্রবহমান জলরাশিকে সমুদ্রস্রোত বলে।

নিয়ন্ত্রক: পৃথিবীর আবর্তন গতি, নিয়ত বায়ুপ্রবাহ, সমুদ্র-জলের লবণতা, ঘনত্ব ও উন্নতার তারতম্যের ওপর সমুদ্রস্রোতের উৎপত্তি নির্ভর করে।

প্রকারভেদ: উষ্ণতার ওপর ভিত্তি করে সমুদ্রস্রোত দু-প্রকার, যথা- উষ্ণ স্রোত এবং শীতল স্রোত।

. সমুদ্রস্রোতের বৈশিষ্ট্য লেখো

ত্তর সমুদ্রস্রোতের বৈশিষ্ট্য: সমুদ্রস্রোতের বৈশিষ্ট্যগুলি হল –

() সমুদ্রস্রোত একটি নির্দিষ্ট দিকে সারাবছর নিয়মিতভাবে প্রবাহিত হয়।

() উষ্ণস্রোত উন্নমণ্ডল থেকে হিমমন্ডলের দিকে এবং শীতল স্রোত হিমমণ্ডল থেকে উষ্ণমন্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়।

() সমুদ্রস্রোতের গতিবেগ প্রতি ঘণ্টায় গড়ে 3-9 কিমি পর্যন্ত হয়।

() উষ্ণস্রোত সমুদ্রের উপরিতল দিয়ে পৃষ্ঠপ্রবাহরূপে এবং শীতল স্রোত সমুদ্রপৃষ্ঠের কিছুটা নীচ দিয়ে অন্তঃপ্রবাহরূপে প্রবাহিত হয়।

() সমুদ্রস্রোত উত্তর গোলার্ধে ঘড়ির কাঁটার দিকে অর্থাৎ, ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে অর্থাৎ, বামদিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়।

. সমুদ্রস্রোতের যে-কোনো দুটি গুরুত্ব লেখো

ত্তর সমুদ্রস্রোতের গুরুত্ব: সমুদ্রস্রোতের দুটি গুরুত্ব হল-

() জলবায়ুর ওপর প্রভাব: উষ্ণ সমুদ্রস্রোত প্রবাহিত অঞ্চলের উপকূলীয় জলবায়ু উয় থাকে। অন্যদিকে শীতল সমুদ্রস্রোত প্রবাহিত অঞ্চলের উপকূলীয় জলবায়ু শীতল থাকে।

() জলযান চলাচল: সমুদ্রস্রোতের অনুকূলে জাহাজ বা নৌচলাচলের সুবিধা হয়।

৪. সমুদ্রতরঙ্গ কাকে বলে ?

ত্তর সমুদ্রতরঙ্গ: সমুদ্রপৃষ্ঠের জলরাশির প্রাকৃতিক কারণে একই স্থানে আবদ্ধ থেকে লম্বভাবে বা ওপর-নীচে ওঠানামা করাকে সমুদ্রতরঙ্গ বলে।

উৎপত্তি: প্রধানত সমুদ্রের জলপৃষ্ঠের সঙ্গে বায়ুপ্রবাহের ঘর্ষণে সমুদ্রতরঙ্গ সৃষ্টি হয়।

সমুদ্রতরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: সমুদ্রতরঙ্গের বৈশিষ্ট্যগুলি হল –  () প্রকৃতি বায়ুর গতিবেগ ও তার একমুখী প্রবাহের স্থায়িত্বের ওপর নির্ভর করে। () সমুদ্রতরঙ্গ উপকূলের সমকোণে এসে আছড়ে পড়ে। () বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রতরঙ্গের প্রধান কারণ হলেও ভূমিকম্প ও অগ্ন্যুৎপাতের ফলেও সমুদ্রতরঙ্গের সৃষ্টি হয়।

. ফেরেলের সূত্রটি  লেখো

ত্তর ফেরেলের সূত্র: বিজ্ঞানী ফেরেল ঊনবিংশ শতকের পঞ্চাশের দশকে বায়ু ও সমুদ্রস্রোতের গতিবিক্ষেপজনিত একটি সূত্র উদ্ভাবন করেন। সেটি হল – পৃথিবীর আবর্তন গতির ফলে উত্তর গোলার্ধের কোনো গতিশীল বস্তু তার প্রকৃত গতিপথের ডানদিকে বেঁকে যায় এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে যায়, একেই ফেরেলের সূত্র বলে।

৬. জায়র বা গায়র কী ?

ত্তর জায়র: উপক্রান্তীয় অঞ্চলে ভারত, প্রশান্ত ও আটলান্টিক মহাসাগরের মাঝামাঝি অংশে পৃথিবীর আবর্তনে কোরিয়োলিস বলের প্রভাবে সমুদ্রস্রোত বেঁকে গিয়ে ও একত্রে মিলিত হয়ে যে জলাবর্ত বা চক্রের সৃষ্টি হয়, তাকে জায়র বা গায়র বলে।

উৎপত্তি: কোরিয়োলিস বলের প্রভাবে সমুদ্রস্রোতগুলি বেঁকে গিয়ে ও বিভিন্ন স্রোতের সঙ্গে মিলিত হয়ে এই প্রকার গোলাকার জলাবর্ত বা জায়রের সৃষ্টি করে।

৭. শৈবাল সাগর কাকে বলে ?

ত্তর অর্থ: শৈবালের ইংরেজি ‘সারোগাসো’ শব্দটি এসেছে পোর্তুগিজ শব্দ ‘সারগাসম’ থেকে, যার অর্থ সামুদ্রিক আগাছা।

সংজ্ঞা: উষ্ণ উত্তর আটলান্টিক স্রোত, শীতল ক্যানারি স্রোত এবং উষ্ণ উত্তর নিরক্ষীয় স্রোতের প্রভাবে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে ঘড়ির কাঁটার দিকে স্রোতের চক্রাকার আবর্তনে সৃষ্ট স্রোতহীন ও আগাছাপূর্ণ উপবৃত্তাকার জলাবর্তকে বলা হয় শৈবাল সাগর ।

বৈশিষ্ট্য: () সমুদ্রের বিরাট অংশজুড়ে এই জলাবর্ত তৈরি হয়। () এখানকার জলের লবণাক্ততা এবং তাপমাত্রা বেশি থাকে। () শৈবাল ছাড়া এখানে মাছ ও প্ল্যাংকটন কিছুই জন্মায় না।

৮. হিমপ্রাচীরের সংজ্ঞা দাও। [ অথবা], হিমপ্রাচীর কাকে বলে ? [ ME-2023 ] [পর্ষদ নমুনা প্রশ্ন]

ত্তর হিমপ্রাচীর: সমুদ্রে যখন গাঢ় নীল বর্ণবিশিষ্ট উষ্ণ স্রোত এবং গাঢ় সবুজ বর্ণবিশিষ্ট শীতল স্রোত পাশাপাশি প্রবাহিত হয়, তখন উষ্ণ স্রোত ও শীতল স্রোতের মিলনস্থল বরাবর যে সীমারেখা দেখা যায়, তাকে হিমপ্রাচীর বলে।

অবস্থান: নিউফাউন্ডল্যান্ডের উপকূল বরাবর এই হিমপ্রাচীর অবস্থিত।

বৈশিষ্ট্য: হিমপ্রাচীর বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। হিমপ্রাচীর বরাবর মগ্নচড়ার সৃষ্টি হয়। উষ্ণ স্রোত ও শীতল স্রোতের মিলনস্থল বরাবর ঝড়ঝঞ্ঝা ও ঘন কুয়াশার সৃষ্টি হয়।

. মগ্নচড়া কাকে বলে ?

ত্তর মগ্নচড়া: উষ্ণ ও শীতল স্রোত মিলিত হলে শীতল স্রোতের সঙ্গে ভেসে আসা হিমশৈল উষ্ণ স্রোতের সংস্পর্শে গলে গিয়ে হিমশৈলের মধ্যে অবস্থিত নুড়ি, পলি, বালি ও আগাছা সমুদ্রের তলদেশে পর্যায়ক্রমে সঞ্চিত হয়ে মৃদু ঢালু ও অগভীর চড়ের সৃষ্টি হয়, তাকে মগ্নচড়া বলে। যেমন -গ্রান্ড ব্যাংক হল বিশ্বের বৃহত্তম মগ্নচড়া।

. মগ্নচড়ার গুরুত্ব লেখো

ত্তর মগ্নচড়ার গুরুত্ব: মগ্নচড়ার গুরুত্বগুলি হল –

() নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু অঞ্চলে মগ্নচড়াগুলি অবস্থিত হওয়ায় সময় মৎস্য আহরণ ও সংরক্ষণের সুবিধা হয়।

() উষ্ণ ও শীতল স্রোতের মিলনের ফলে মগ্নচড়ার সৃষ্টি হয়। এই মগ্নচড়া প্ল্যাংকটন জন্মানোর পক্ষে সহায়ক।

() মগ্নচড়াতে বাণিজ্যিক মৎস্যক্ষেত্র গড়ে ওঠে ।

১১. এল-নিনো কী ?

ত্তর এল নিনো: দক্ষিণ আমেরিকার উপকূল বরাবর প্রশান্ত মহাসাগরে 2-7 বছর অন্তর প্রবাহিত দক্ষিণমুখী উষ্ণ স্রোত হল এল-নিনো।

এল-নিনোর প্রভাব: বিশ্ব জলবায়ুর পরিবর্তনে এল-নিনোর প্রভাবগুলি হল –

() পেরু, চিলি এবং ইকুয়েডরের মরু অঞ্চলে প্রাকৃতিক ঝঞ্ঝা বৃদ্ধি পায়।

() এল-নিনোর প্রভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলি তথা-ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়ায় অনাবৃষ্টি ও তাপপ্রবাহ ঘটে। মৌসুমি বায়ুর গতিপথে বাধার সৃষ্টি হওয়ার ফলে বৃষ্টির অভাবে খরার সৃষ্টি হয়।

১২. জোয়ারভাটা  কাকে বলে ?

ত্তর জোয়ারভাটা: চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণে সাগর, মহাসাগর ও নদনদীর জলরাশি প্রতিদিন নিয়মিতভাবে নির্দিষ্ট সময় অন্তর একই স্থানে ধীরে ধীরে ফুলে ওঠে এবং এর ঠিক সমকোণে অবস্থিত স্থানে তা নেমে যায়। জলরাশির এরূপ স্ফীতিকে জোয়ার ও অবনমনকে ভাটা বলে। প্রতিদিন একই জায়গায় দু-বার জোয়ার ও দু-বার ভাটা হয়।

. মুখ্য জোয়ার  কী  ?

ত্তর মুখ্য জোয়ার: পৃথিবীর আবর্তন কালে ভূপৃষ্ঠের যে স্থানের জলরাশি চাঁদের সবচেয়ে নিকটে আসে এবং চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে সেই স্থানে যে জোয়ার সৃষ্টি হয়, তাকে মুখ্য জোয়ার বলে। যেহেতু চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে পৃথিবীতে এই জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাই একে চন্দ্রজোয়ারও বলা হয়।

বৈশিষ্ট্য: () চাঁদের আকর্ষণ ভূপৃষ্ঠের যে স্থানে ক্রিয়া করে শুধু সেই স্থানেই এই জোয়ার হয়। () কোনো নির্দিষ্ট স্থানে দুটি মুখ্য জোয়ারের মধ্যে সময়ের পার্থক্য থাকে প্রায় 24 ঘণ্টা 52 মিনিট।

১৪. গৌণ জোয়ার কাকে বলে ?

ত্তর গৌণ জোয়ার: পৃথিবীর আবর্তন কালে চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে ভূপৃষ্ঠের যে স্থানে মুখ্য জোয়ার হয় ঠিক তার বিপরীত দিকে অর্থাৎ, প্রতিপাদ স্থানে কেন্দ্রবিমুখ শক্তির প্রভাবে যে জোয়ার সৃষ্টি হয়, তাকে গৌণ জোয়ার বলে।

বৈশিষ্ট্য: () পৃথিবীর মুখ্য জোয়ার স্থলের প্রতিপাদ স্থানে পৃথিবীর কেন্দ্রবিমুখ শক্তি কার্যকরী হওয়ায় সেখানে গৌণ জোয়ার হয়। () কোনো নির্দিষ্ট স্থানে দুটি গৌণ জোয়ারের মধ্যে সময়ের পার্থক্য হয় 24 ঘণ্টা 52 মিনিট।

১৫. সিজিগি (Syzygy) বলতে কী বোঝো ?

ত্তর সিজিগি: চাঁদের কেন্দ্র, পৃথিবী ও সূর্যের কেন্দ্রের সঙ্গে একই সরলরেখায় অবস্থান করলে তাকে সিজিগি বলে।

শ্রেণিবিভাগ: প্রতিমাসে দু-ভাবে চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্যের এইরূপ অবস্থান ঘটতে দেখা যায় –

() চাঁদ ও সূর্য উভয়ই পৃথিবীর একই দিকে সরলরেখায় অবস্থান করলে তাকে সংযোগ অবস্থান বলে। এদিন অমাবস্যা থাকে।

() চাঁদ ও সূর্যের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করলে তাকে প্রতিযোগ অবস্থান বলে। এদিন পূর্ণিমা থাকে।

১৬. অ্যাপোজিয়ান জোয়ার কাকে বলে ? [ ME-2018 ]

ত্তর অ্যাপোজি জোয়ার: 273 দিনে পৃথিবীকে কেন্দ্র করে চাঁদের পূর্ণ পরিক্রমণকালে চাঁদ ও পৃথিবীর দূরত্ব সর্বাধিক হলেও জলস্ফীতির কারণে যে জোয়ার সৃষ্টি হয়, সেই জোয়ারকে অ্যাপোজি জোয়ার বলে।

বৈশিষ্ট্য: () এই সময় চাঁদ ও পৃথিবীর মধ্যে দূরত্ব 4,07,000 কিমি হয়। () পৃথিবীর ও চাঁদের দূরতম অবস্থানকে অ্যাপোজি বলা হয়। () দূরত্ব বেশি হওয়ায় পূর্ণিমাতে চাঁদের আকৃতি ছোটো দেখায়।

১৭. পেরিজিয়ান জোয়ার কাকে বলে ?

ত্তর পেরিজিয়ান জোয়ার : পৃথিবীকে কেন্দ্র করে চাঁদের পূর্ণ পরিক্রমণ কালে চাঁদ ও পৃথিবীর দূরত্ব যখন সবচেয়ে কম হয়, তখন জোয়ারের জলস্ফিতি 20% বৃদ্ধি পায়, একে বলা হয় পেরিজিয়ান জোয়ার।

বৈশিষ্ট্য: () এই সময় চাঁদ ও পৃথিবীর মধ্যে দূরত্ব হয় 3,56,000 কিমি। () পৃথিবী ও চাঁদের নিকটতম অবস্থান হল পেরিজি। () দূরত্ব কম হওয়ায় পৃথিবী থেকে পূর্ণিমা তিথিতে চাঁদকে বড়ো দেখায়।

১৮. মরা কোটাল কাকে বলে ?

ত্তর মরা কোটাল: কৃষ্ণ ও শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে সূর্য ও চাঁদ পরস্পর সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে, অর্থাৎ এই সময় দুটি বিপরীত আকর্ষণ বলের উদ্ভব হয়। এইজন্য এই দিন চাঁদের আকর্ষণে মুখ্য জোয়ার ও গৌণ জোয়ার উভয়েরই প্রাবল্য কম হয়। এই জোয়ার মরা কোটাল নামে পরিচিত।

১৯. ভরা কোটাল বলতে কী বোঝো ?

ত্তর ভরা কোটাল: পূর্ণিমা ও অমাবস্যা তিথিতে চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবীর একই সরলরেখায় অবস্থানের কারণে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত মাধ্যাকর্ষণ শক্তি পৃথিবীর জলপৃষ্ঠের ব্যাপক স্ফীতি ঘটায়। এই জোয়ার ভরা কোটাল নামে পরিচিত। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, পূর্ণিমার তুলনায় অমাবস্যায় সংঘটিত ভরা কোটালের প্রবলতা বেশি হয়।

. বানডাকা দেখা যায় এমন কয়েকটি নদীর নাম লেখো

ত্তর বানডাকা পরিলক্ষিত নদী : ভারতের ভাগীরথী-হুগলি নদী, ইংল্যান্ডের টেমস নদী, চিনের ইয়াংসি কিয়াং নদী, ব্রাজিলের আমাজন প্রভৃতি নদীতে বানডাকা দেখা যায়।

২১. ষাঁড়াষাঁড়ি বান বলতে কী বোঝো ?

ত্তর ষাঁড়াষাঁড়ি বান: বর্ষাকালে নদনদী জলে পূর্ণ থাকে। এই অবস্থায় ভরা কোটাল হলে সমুদ্রের জল নদীর মোহানা দিয়ে প্রবল বেগে উজানের দিকে প্রবেশ করে ব্যাপক জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়, একে বানডাকা  বলে। প্রধানত হুগলি ও সুন্দরবনের নদীগুলিতে বর্ষাকালে ভরা কোটালের সময় জোয়ারের জল 5-9 মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়ে নদীর মোহানা দিয়ে ঢুকে পড়ে। এতে মনে হয় যে প্রচণ্ড শব্দে যেন যুদ্ধরত দুটি ষাঁড় গর্জন করতে করতে এগিয়ে আসছে। একেই ষাঁড়াষাঁড়ির বান বলে।

২২. জোয়ারভাটার দুটি কুফল লেখো

উত্তর জোয়ারভাটার কুফল: জোয়ারভাটার দুটি কুফল হল –

() জলের লবণতা বৃদ্ধি: জোয়ারের ফলে সমুদ্রের লবণাক্ত জল নদীর স্বাদুজলের লবণতা বৃদ্ধি করে। ফলে তা কৃষিকাজ ও পানের অযোগ্য হয়ে ওঠে।

() নদীগর্ভের নাব্যতা হ্রাস: জোয়ার সৃষ্টি হলে তার সঙ্গে ভেসে আসা পলি, বালি ও কাঁকর নদীগর্ভে সঞ্চিত হয়ে নদীর নাব্যতার হ্রাস ঘটায়। এর ফলে স্টিমার ও বড়ো বড়ো জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয়।

২৩. বানডাকা  কাকে বলে ? [ অথবা], বানডাকা কী ? [ ME-2017 ]

ত্তর বানডাকা: বর্ষাকালে ভরা কোটালের সময় সমুদ্রের জল নদীর মোহানা দিয়ে প্রবল বেগে নদীর উজানের দিকে প্রবেশ করলে যে ব্যাপক জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়, একে বানডাকা বলে। যেমন-পশ্চিমবঙ্গের হুগলি, ব্রাজিলের আমাজন প্রভৃতি নদীতে বানডাকা দেখা যায়। আমাজন নদীতে সৃষ্ট বানডাকাকে স্থানীয় ভাষায় বলা হয় পোরোরোকাস।

. জোয়ারভাটার দুটি সুফল লেখো

ত্তর জোয়ারভাটার সুফল: জোয়ারভাটার সুফলগুলি হল –

() বিদ্যুৎ উৎপাদন: বর্তমানে জোয়ারভাটার শক্তিকে কাজে লাগিয়ে অপ্রচলিত বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এর ফলে প্রচলিত শক্তির ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশদূষণ রোধ করা সম্ভবপর হয়।

() নৌপরিবহণে সহায়ক: জোয়ারের ফলে নদীগুলিতে জলের মাত্রা 8-10 মিটার বৃদ্ধি পেলে তা স্রোতের অনুকূলে নৌচলাচলের পক্ষে সুবিধাজনক হয়।

আরও পড়ুন –

বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ প্রশ্ন উত্তর

বায়ুমন্ডল অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর

জ্ঞানচক্ষু গল্প প্রশ্ন উত্তর

অসুখী একজন কবিতার প্রশ্ন উত্তর

আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি প্রশ্ন উত্তর

আফ্রিকা কবিতা প্রশ্ন উত্তর

মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন 2026

বাংলা ব্যাকরণ: সমাস

প্রতিবেদন ও সংলাপ রচনা সাজেশন 2026

রচনা লেখার নিয়ম

Leave a Comment